দৈনিক আস্থা | সত্য সমাজের দর্পন
আজ রবিবার | ৩১শে মে, ২০২০ ইং
| ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৭ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী | সময় : রাত ৩:৪৫

মেনু

আম্পানে গভীর নিম্নচাপ, অতিক্রম করছে পাবনা

আম্পানে গভীর নিম্নচাপ, অতিক্রম করছে পাবনা

মীর জাহিদ হাসান শাকিল
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২০
১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
55 বার

বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে তাণ্ডব চালিয়ে সুপার সাইক্লোন আম্পান এখন স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি এখন রাজশাহী অঞ্চলের পাবনা জেলা অতিক্রম করছে। ঝড়টি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১) সকাল ১০টার দিকে আবহাওয়া অধিদফতর তাদের সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানায়।

এর আগে বুধবার (২০ বুধবার) সন্ধ্যা রাত থেকেই সুন্দরবনসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তাণ্ডব চালায় আম্পান। সারারাত তাণ্ডব চালানোর পর বৃহস্পতিবার সকালে পর কিছুটা শক্তি কমে এটি স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক সারাবাংলাকে জানান, আম্পান এখন পাবনা জেলা দিয়ে অতিক্রম করছে। তবে শক্তি কিছুটা কমে ঘুর্ণিঝড়টি স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

আম্ফান অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫১ কিলোমিটার গতিতে প্রথম আঘাত হানে সাতক্ষীরা জেলায়। এটি বাংলাদেশে আম্ফানের সর্বোচ্চ গতি বলেও জানায় আবহাওয়া অফিস। এরপর সেটি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা ও খুলনা অঞ্চল দিয়ে ঢুকে যশোর ও নড়াইল, মাগুরা, রাজবাড়ী হয়ে পাবনা অতিক্রম করছে।

প্রবল বর্ষণে এরই মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় বাঁধ ভেঙে ফসলি জমিসহ চিংড়ির ঘের প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সারাদেশে গাছ ও দেয়ালচাপা এবং নৌকাডুবিতে অন্তত ১০ জন প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।

সাতক্ষীরা জেলায় বুধবার রাত ৮টার পর দ্বিতীয়বার আঘাত হানে আম্পান। প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত সমান গতিতে তাণ্ডব চালায় ঝড়টি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ির। ভেঙেছে গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি। এই জেলার আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষ নদীর বেশকিছু পয়েন্ট ভেঙে গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত হয়েছে পটুয়াখালী শহরও।

এর আগে ঢাকা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন সারাবাংলাকে জানিয়েছিলেন বলেন, আম্পান ঘূর্ণিঝড়টি বেশ বড় একটি ঝড়। এর কেন্দ্রের ব্যাসই এক থেকে দেড়শ কিলোমিটার। আর পুরো ঝড়টি প্রায় ৫০০ কিলোমিটার ব্যাসের। ফলে ঝড়ের মূল অংশ পশ্চিমবঙ্গে আঘাত করলেও বাংলাদেশ অংশে যে অংশটি ঢুকেছে, তার প্রভাব কম নয়।

আবহাওয়া অফিস ও আবহাওয়াবিষয়ক ওয়েবসাইটগুলোর তথ্য বলছে, ঘূর্ণিঝড় আম্পান ঝিনাইদহের পর মাগুরা, রাজবাড়ী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ হয়ে জামালপুরের দিকে বেরিয়ে যেতে পারে। তবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি হলে এটি দ্রুত আরও দুর্বল হয়ে নিম্নচাপের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।

দৈনিক আস্থা/জাহিদ

ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত পেলেই কেন বড় জাহাজ পাঠানো হয় গভীর সমুদ্রে?

আপনার মন্তব্য লিখুন

টানা ৬ জনের লালসার শিকার কিশোরী
১১ ডিসেম্বর ২০১৯ 579774 বার