দৈনিক আস্থা | সত্য সমাজের দর্পন
আজ রবিবার | ৩১শে মে, ২০২০ ইং
| ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৭ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী | সময় : রাত ১:৪২

মেনু

হালদায় ডিম ছেড়েছে মা মাছ

হালদায় ডিম ছেড়েছে মা মাছ

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শাকিল/ হাটহাজারী প্রতিনিধি
শুক্রবার, ২২ মে ২০২০
১২:৪৩ অপরাহ্ণ
138 বার

দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে মা মাছ।বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১২টার দিকে জোয়ারের সময় অভিজ্ঞ জেলে ও মৎস্যজীবীরা রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশ মাছের কিছু নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করেছেন।

আরো পড়ুনঃএকদিনে বিক্রি হল পৌনে ৮ কোটি টাকার মাছ

এবার যে স্থানে মা মাছ ডিম ছেড়েছে। সেগুলো হলো মূলত হালদার হাটহাজারী গড়দুয়ারা, নাপিতের ঘাট, সিপাহির ঘাট, আমতুয়া, মার্দাশা এবং কাগতিয়ার আজিমের ঘাট, খলিফার ঘোনা, পশ্চিম গহিরা অংকুরী ঘোনা, বিনাজুরী, সোনাইর মুখ, আবুরখীল, খলিফার ঘোনা, সত্তারঘাট, দক্ষিণ গহিরা, মোবারকখীল, মগদাই, মদুনাঘাট, উরকিচর ঘাটসহ অন্যতম।

হালদা নদী বিষয়ক গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া হালদায় মা মাছ ‘নমুনা ডিম’ ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।পোনা সংগ্রহকারীরা এখনও পোনা সংগ্রহ করছে।

শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। স্থানীয় জেলেরা জানান, হালদা থেকে সংগৃহীত মাছের ডিম থেকে উৎপাদিত রেণু, পোনার দেশজুড়ে চাহিদা রয়েছে। দামও ভালো পাওয়া যায়। সাধারণ হ্যাচারিতে কৃত্রিম পদ্ধতিতে উৎপাদিত পোনার চেয়ে হালদার পোনা দ্রুত বড় হয়। এতে মৎস্যচাষিরা লাভবান হয়।

আরো পড়ুনঃশরীয়তপুরে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

হাটহাজারী উপজেলা মৎস্য অফিসার নাজমুল হুদা রনি জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১২টার পর থেকে জোয়ারে হালদায় মা মাছ নমুনা ডিম ছেড়েছে বলে জেলেরা জানিয়েছেন। আমরা তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। বংশ পরম্পরায় চলে আসা রেওয়াজের পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে এসব ডিম থেকে রেণু তৈরি, এরপর পোনা উৎপাদন করেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে যে হারে ডিম পাওয়া যায় সে হারে রেণু হয় না। অনেক ডিমই তাপমাত্রা, আবহাওয়া, লবণাক্ততাসহ বৈরী পরিবেশে নষ্ট হয়ে যায়। হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন বলেন,হালদায় মা মাছ নমুনা ডিম ছেড়েছে বলে জেলেরা জানিয়েছেন।

আমরা তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।হালদাকে মা মাছের অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তুলতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আমরা ১০৯টি অভিযান চালিয়ে ১ লাখ মিটারের বেশি জাল জব্দ করেছি। ৯টি ড্রেজার ধ্বংস করেছি। হালদায় জেলেদের ডিম সংগ্রহেও সর্বোচ্চ সহায়তা দিতে চায় উপজেলা প্রশাসন।

দৈনিক আস্থা/ইমু

আপনার মন্তব্য লিখুন

টানা ৬ জনের লালসার শিকার কিশোরী
১১ ডিসেম্বর ২০১৯ 579353 বার