খেলাধুলা

বাংলাদেশে খেলতে আসছেন ব্রাজিলিয়ান রবিনহো!

বাংলাদেশের ফুটবল লিগগুলোতে এর আগেও লাতিন আমেরিকার অনেক ফুটবলার খেলে গেছেন। এদের মাঝে গত মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসে খেলে যাওয়া ড্যানিয়েল কলিন্দ্রেস বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। আগামী মৌসুমে আরেকটি চমক আনতে যাচ্ছে কিংস। সবকিছু ঠিক থাকলে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার রবসন আযেভেদো দা সিলভা ওরফে রবিনহোকে দেখা যেতে পারে এই দলের জার্সিতে।

রবিনহোর ট্রান্সফারের বিষয়টি প্রকাশ করেছে ব্রাজিলের রেডিও গ্লোভোর সাংবাদিক ভিক্টর লেসা। এই স্ট্রাইকারের বাংলাদেশে আসার বিষয়ে রেডিও গ্লোভো ছাড়া আর কোথাও কিছু বলা হয়নি।

ব্রাজিলের সর্বোচ্চ স্তরের ক্লাব ফ্লুমিনেন্সের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ আছেন রবিনহো। তবে বর্তমানে কেমপিওনাতো পুলিস্তায় লোনে খেলছেন তিনি। এই ফরোয়ার্ডের পারফরম্যান্সে খুশি না থাকায় তাকে ছেড়ে দিতে চায় ফ্লুমিনেন্স।

এদিকে ২০২১ সালের আগস্ট পর্যন্ত ফ্লুমিনেন্সের সঙ্গে রবিনহোর চুক্তি আছে। তাই লোনে এক মৌসুমের জন্য বসুন্ধরা কিংসে আসতে পারেন ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার। চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে রবিনহোকে কেনার সুযোগ পাবে কিংস।

চলতি বছরে কেমপিওনাতো পুলিস্তায় ৯ ম্যাচে ২ টি গোল করেছেন রবিনহো। এর মাঝে একটি করিন্থিয়াস ও অন্যটি ফেরোভারিয়ার বিপক্ষে।

মনে হল, এটাই হয়তো ছেলেমেয়েদের সঙ্গে আমার শেষ দেখা: মাশরাফি

গত মাসের ২০ জুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

দীর্ঘ ২৪ দিনের লড়াই শেষে গত ১৪ জুলাই করোনা থেকে সেরে ওঠেন তিনি। সম্প্রতি দেশের এক গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সেই সময়ের বিভিন্ন ঘটনা বর্ণনা করেছেন নড়াইল এক্সপ্রেস।

কথাপ্রসঙ্গেই উঠে এসেছিল মাশরাফীর দুই সন্তান হুমায়রা ও সাহেলের প্রসঙ্গ। তখন মাশরাফী জানান, করোনা পজিটিভ আসার পরের দিনই দুই সন্তানকে নড়াইল পাঠিয়ে দেন তিনি।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘বাচ্চাদের বিদায় জানালাম ২১ জুন। এর চেয়ে কষ্টের অনুভূতি বুঝি আর নেই।’

নড়াইলে পাঠানোর কারণ ব্যাখ্যা করে মাশরাফী বলেন, ‘ওদেরকে নিরাপদে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হলো। ঢাকার বাসায় রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতো। নড়াইল পাঠিয়ে দিলাম। ক্রিকেট খেলতে সফরে যাওয়ার সময় ওদেরকে বিদায় জানানোর অভিজ্ঞতা তো অনেক আছে। এবার পুরো ভিন্ন। দেশেই আছি কিন্তু ওদের কাছে থাকতে পারব না!’

মাশরাফী যোগ করেন, ‘এটা এমনই এক রোগ যে ওদেরকে একটু জড়িয়ে ধরা তো বহুদূর, কাছাকাছিও যেতে পারছি না। হুমায়রা দূর থেকে আমাকে বিদায় জানানোর সময় কেঁদেই ফেলল। আমি কীভাবে নিজেকে সামলালাম, জানি না। ওদের মা নিচ পর্যন্ত গেল গাড়ীতে তুলে দিতে। বিদায় দিয়ে এসে বলল, সাহেল প্রচুর কান্নাকাটি করেছে যাওয়ার সময়। ছোট্ট ছেলে, বাবা-মা দুজনকেই ছাড়া থাকেনি আগে।’

মানসিকভাবে সে সময়ের পরিস্থিতি বর্ণনা করে নড়াইল এক্সপ্রেস বলেন, হুট করেই আমার মনে হলো, এমনও তো হতে পারে যে ছেলেমেয়েদের সঙ্গে এটি আমার শেষ দেখা! ভেতরটায় কেমন মোচড় দিয়ে উঠল।’

এই দুঃসময়ে মাশরাফীর বাসায় তার পাশে ছিলেন স্ত্রী সুমি। টাইগারদের সফলতম ওয়ানডে অধিনায়কের সহধর্মিণীও আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনায়। তবে দুজনই এখন পুরোপুরি সুস্থ আছেন।

আরও পরুনঃ এবার সাকিবের মা-ও করোনায় আক্রান্ত

main-ads.jpg

দৈনিক আস্থা/মীর