Bangladesh Dhaka

আওয়ামীলীগের বর্ষীয়ান নেতা দিবালোক কুণ্ডু জীবন নিজ বাড়ীতেই নিজেকে বন্দী রেখে পালন করলেন জাতীয় শোক দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে বিশিষ্ট একটি নাম দিবালোক কুণ্ডু জীবন।তিনি দীর্ঘদিন পাংশা উপজেলা আওয়ামীলীগের স্থানীয় রাজনীতিতে এখন পরীক্ষিত নেতা।
তিনি পাংশা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি, এখনো বহাল তিনি পাংশা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে। তারপরও তিনি থাকতে বাধ্য হন রাজনীতির আড়ালে, কিন্তু কেন?। পাংশার যে সকল পরীক্ষিত আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী হামলা মামলা ও শারীরিক নির্যাতনের কারনে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন সেই তালিকায় আছেন, দিবালোক কুন্ডু জীবনের নাম! তাই তো বঙ্গবন্ধু অন্তপ্রাণ এই দিবালোক কুণ্ডু জীবনকে এখন আর দেখা যায় না প্রকাশ্য রাজনীতিতে কোন এক অজানা ভয়ে। কিন্তু প্রাণ তো কাঁদে তার বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামীলীগের জন্য তাই বঙ্গবন্ধুকে মনে প্রাণে ভালোবাসে নিজ বাড়ীতে দুইশত নেতাকর্মী নিয়ে ১৫ ই আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস পালন করেন।
তাই তিনি পাংশায় নিজের বাড়ির ভেতরেই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলের মালা দিয়ে ১৫ই আগস্টের সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন আওয়ামীলীগের প্রকাশ্য আয়োজনে যোগ দিতে পারেননি দিবালোক কুণ্ডু জীবন কিন্তু অন্তর আত্না কাঁদে তার বঙ্গবন্ধুর জন্য।তার এই অনাড়ম্বর এই আয়োজনে ছিল গরীব দুঃস্থ মানুষের হাতে খাবার তুলে দেওয়া। তিনি পরম তৃপ্তিতে সেটি করেছেন বাড়ির আঙিনাতেই নিজেকে বন্দী রেখে! সব জেনে আমার বিস্মিত জিজ্ঞাসা, এমন একজন নিবেদিত প্রাণ বঙ্গবন্ধুর আদর্শে সিক্ত মানুষ দিবালোক কুণ্ডু জীবন, তাকে কেন আওয়ামীলীগের সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে রাখা হয়, কেনই বা দূরে রাখা হয় জীবন কুণ্ডুর মতোই আওয়ামীলীগের বহু নিবেদিত প্রাণ নেতা কর্মী সমর্থককে?

আরও পড়ুন ঃরাজবাড়ীর গোয়ালন্দে অনলাইন ভিত্তিক স্কুলের কার্যক্রম উদ্বোধন!