Bangladesh Dhaka

এপারেও সাগর ওপারেও সাগর

নিজস্ব প্রতিবেদক: এটা কোন নদী বা সমুদ্র সাগরের গল্প নয়, ইনি হলেন সুব্রত কুমার দাস সাগর রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার দলিল লেখক সমিতির সভাপতি।

২০০৯ সালের পাংশা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি হওয়ার পর থেকে তার উত্থান শুরু।
২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সালের জুন মাস ১৬ পয়সা অংশ নিতেন।

আবার ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ১৩.৫০ পয়সা অদ্যবধি টাকা উত্তোলন করেছেন।

তিনি গত ১২/১২/২০১৮ ইং তারিখ হইতে ১৩/০৮/২০২০ ইং তারিখ পর্যন্ত ১৩.৫০ পয়সা অংশ হিসাবে এই ৮ মাসে টাকা তুলেছেন ৭৭,৯৭,৫১১ টাকা।

উল্লেখ্য থাকে যে ১১/১২/২০১৯ ইং হইতে ২৪/০৩/২০২০ করোনা কালিন সময়ে লকডাউনে বন্ধ থাকা অফিস সময়কালে যে টাকা উত্তোলন করেছেন তার কোন হিসাব বা হদিস পাওয়া যায়নি।

এই তিনমাস বাদে দলিল লেখক সমিতির কাছ থেকে ২০০৯ সাল থেকে ১৯/১২/২০১৯ ইং পর্যন্ত তিনি পাংশা দলিল লেখক সমিতির কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন মোট প্রায় ১৬ কোটি।

এটা তার সমিতির কাছ থেকে কামাই দলিল লেখক অফিস থেকে আরো কোটি কোটি টাকা কামাই করেছেন লোকচক্ষুর আড়ালে ।

দলিল লেখক অফিস থেকে তার এত টাকা কামাই। এছাড়াও তার পাংশা শহরে সাদি প্লাজায় দুইটা বড় ধরনের গার্মেন্টেস এর দোকান আছে এবং তিনি হন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচার করে ভারতে এবং অবৈধ হুন্ডির ব্যবসায়ী এই সাগর ও তার ছেলে।

এই সাগর সুকৌশলে তার অবৈধ অন্যায় কাজ চালিয়ে যায়। তিনি ও তার পরিবার বাংলাদেশ ভারতের দৌত্য নাগরিক হওয়ায়, ভারতীয় ব্যাংকে তার কোটি কোটি টাকা জমা আছে। এবং তার কাপড়ের দোকানে অবৈধ ইন্ডিয়ান চোরাই শাড়ী বিক্রি করে, এবং পাইকারি হিসেবে বিক্রি করে পাংশা, কালুখালী, রাজবাড়ী, ফরিদপুর,কুমারখালি সহ বিভিন্ন জায়গায় গোপনে তা বিক্রি করে।

সুব্রতকুমার দাস সাগরের ছেলে প্রায় কোটি টাকার ভারতীয় চুরাই শাড়ী ও থ্রী পিছ সহ ধরা পরে সাতক্ষীরা ভোমরা কাস্টমস হাউস কতৃপক্ষের কাছে। পরে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা হয় এবং সে মামলা চলমান রয়েছে।

ভারতের পায়রা ডাংগা রেল ষ্টেশনের পাশে আছে তার আলিশান বাড়ী। তার পরিবারের বড় ছেলে, ছেলের বউ, নাতি ওখানেই থাকে আর সুব্রত কুমার দাস যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দলের সাথেই মিশে গিয়ে তার কাজ হাসিল করেন।