Football খেলাধুলা

লিভারপুলকে হারিয়ে কমিউনিটি শিল্ড আর্সেনালের হাতে

৩০ বছর পর লিগ শিরোপা, তার পিছু পিছু ধরা দিল উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ট্রফিটাও- শিরোপা উৎসবের রেশ এখনও থামেনি। সুযোগ পেয়েও সেই আনন্দ আরেকটু বাড়াতে পারলো না লিভারপুল। আর্সেনালের কাছে রোমাঞ্চকর টাইব্রেকারে হেরে কমিউনিটি শিল্ড খোয়ালো ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।

ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে শনিবার রাতের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের লড়াই ১-১ সমতায় শেষের পর ম্যাচ গড়াল টাইব্রেকারে। ভাগ্য পরীক্ষায় ৫-৪ গোলে লিভারপুলকে হারিয়ে কমিউনিটি শিল্ড জিতল আর্সেনাল।

ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল আর্সেনাল। দ্বাদশ মিনিটে পাওয়া প্রথম সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় এফএ কাপ চ্যাম্পিয়নরা। বাঁ দিক থেকে বুকায়ো সাকার বাড়ানো ক্রস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে একটু এগিয়ে ডান পায়ের দারুণ শটে দূরের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন পিয়েরে-এমেরিক অবামেয়াং।

আরো পড়ুনঃ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা যেন আরেক কারবালাঃ প্রধানমন্ত্রী

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা গড়ালেও আর্সেনাল গোলরক্ষকের তেমন কোনো পরীক্ষা নিতে পারছিল না প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়নরা। পরে বদলি খেলোয়াড়ের গোলে সমতা ফেরাল লিভারপুল।

৭৩তম মিনিটে সমতার স্বস্তি ফেরে লিভারপুল শিবিরে। ডি-বক্সের জটলার মধ্য আর্সেনালের এক জনের হাতে বল লাগার পর পেয়ে যান মিনামিনো; গোল মুখ থেকে সহজেই লক্ষ্যভেদ করেন জাপানের এই ফরোয়ার্ড। ভিএআর দেখলেও হ্যান্ডবল না দিয়ে গোলের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন রেফারি।

পরে আর কোনো গোল না হলে ম্যাচ গড়ায় ভাগ্য নির্ধারণী টাইব্রেকারে। যেখানে আর্সেনালের রিস নেলসন, এইন্সলে মেইটল্যান্ড-নাইলস, সেডরিক সোরেস, ডেভিড লুইস ও অবামেয়াং লক্ষ্যভেদ করেন। লিভারপুলের মোহম্মদ সালাহ, ফাবিনিয়ো, তাকুমি মিনামিনো ও কার্টিস জোন্স লক্ষ্যভেদ করেন; ক্রসবারে মেরে ব্যর্থ হন রিয়ান ব্রিস্টার। আর তাতেই শিরোপা উল্লাসে মাতে মিকেল আর্তেতার শিষ্যরা।

লিগ চ্যাম্পিয়ন ও এফ এ কাপে চ্যাম্পিয়নরা মুখোমুখি হয় কমিউনিটি শিল্ডে। আগে তিন মুখোমুখিতে দুইবার লিভারপুল (১৯৭৯ ও ১৯৮৯) জিতেছিল। আর্সেনাল জিতেছিল একবার (২০০২)।

প্রতিযোগিতায় রেকর্ড ২১টি শিরোপা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। ১৬ শিরোপা নিয়ে তালিকায় এককভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো আর্সেনাল। ১৫ ট্রফি নিয়ে তৃতীয় লিভারপুল।