পম্পেও
আন্তর্জাতিক

চীনকে ছাড় দিবে না যুক্তরাষ্ট্র: পম্পেও

ফের চীনের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন মার্কিন সচিব মাইক পম্পেও। তাঁর অভিযোগ, হিমালয়ের লাদাখ থেকে তাইওয়ান পর্যন্ত প্রতিবেশীদের সঙ্গে ‘অন্যায়’ আচরণ করছে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি। দক্ষিণ চীন সমুদ্র থেকে প্রশান্ত মহাসাগর, চীন সর্বত্র আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। খবর ডয়চে ভেলের।

পাশাপাশি জানিয়ে দিয়েছেন, অ্যামেরিকায় চীনের দূতাবাস কর্মীদের জন্য বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ জনের বেশি ছাত্রকে নিয়ে কোনও রকম আলোচনা সভা করতে পারবে না চীনের প্রতিনিধিরা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, চীনের ফান্ড বা চীনের কোনও সংস্থা বা ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।

আরও পড়ুনঃ চীন-ভারত সীমান্তে ভারতীয় কমাণ্ডার নিহত

মে মাস থেকেই লাদাখ সীমান্তে ভারত-চীন সংঘাত শুরু হয়েছে। জুনে তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছয়। সম্প্রতি ফের ভারত এবং চীনের মধ্যে সংঘাত হয়েছে লাদাখে। সিকিম সীমান্তেও রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলল অ্যামেরিকা। চীনকে কটাক্ষ করে মার্কিন সচিব মাইক পম্পেওর বক্তব্য, তাইওয়ান থেকে হিমালয় পর্যন্ত প্রতিবেশীদের সঙ্গে অন্যায় করছে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি।

এর আগেও লাদাখ সংকট নিয়ে মুখ খুলেছিল অ্যামেরিকা। ভারত এবং চীনের মধ্যে মধ্যস্থতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। সে সময়েও পম্পেও ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন, সীমান্তে আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে চীন। বুধবার কার্যত সেই একই কথা বললেন পম্পেও। প্রকারান্তরে ভারতের পাশে দাঁড়ালেন। শুধু তাই নয়, তাইওয়ান নিয়েও চীনের নীতির সমালোচনা করেছেন তিনি।

নভেম্বরে মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের অন্যতম প্রচারের বিষয় বিদেশনীতি। করোনার সময় থেকেই চীনের সমালোচনা করছেন তিনি। সম্প্রতি অ্যামেরিকায় চীনের বেশ কয়েকটি কনসুলেট বন্ধ করে দিয়েছে অ্যামেরিকা। গ্রেফতার করা হয়েছে বেশ কিছু দূতাবাস কর্মীকে। বুধবার ফের বেশ কিছু নতুন নিয়মের কথা জানান পম্পেও। চীনের দূতাবাস কর্মীদের উপর বিধিনিষেধ চাপানোর ঘোষণা করেছেন তিনি।

পম্পেও দাবি করেছেন, চীনে মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয়, তারই প্রত্যুত্তর দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বিভিন্ন মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়কে সতর্ক করে বলেছেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টি নানা ছুতোয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী এবং কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারে। ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি চুরি করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।