খবর

যন্ত্রণার অবসান, নতুন ঠিকানায় ভারসাম্যহীন নারী

করোনাভাইরাসের তাণ্ডব রোধে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতোই বন্ধ হয় গণ বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের পদচারণা না থাকায় ছিল শুনশান ক্যাম্পাস। আর ক্যাম্পাসের ছাত্রাবাস-৩ ভবনের সামনে পাঁচ মাস ধরে পড়েছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন এক ভাসমান নারী। অবশেষে  দীর্ঘদিনের ক্ষুধা ও বাসস্থানের যন্ত্রণা থেকে রেহাই পেলেন অসহায় এ নারী।

ডা. এড্রিক বেকার মানব কল্যাণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. অরুপ সরকার বলেন, গত এপ্রিল মাস থেকে ৫০ বছরের এক নারীকে গণবিশ্বদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দেখা যাচ্ছে বলে জেনেছি। বেশ কয়েকদিন আগে আমি ওই নারীকে অসহায় অবস্থায় দেখে নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা করি। কিন্তু কোনো তথ্য না পেয়ে নারীকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ‘চাইল্ড এন্ড ওল্ড এইজ কেয়ার’র সঙ্গে যোগাযোগ করি।

গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিওথেরাপি বিভাগের সাবেক এ শিক্ষার্থী আরো বলেন, ‘চাইল্ড এন্ড ওল্ড এইজ কেয়ার’র পরিচালক মিল্টন সমাদ্দার ওই নারীর দায়িত্ব নিতে সম্মতি জানিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে বিষয়টি অবহিত করেন। এরপর তাদের সার্বিক সহযোগিতায় বুধবার নারীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে নতুন পোশাক পরানো হয়।

তিনি বলেন, ওই দিন বিকেল ৪ টায় অ্যাম্বুলেন্সে করে এ নারীকে চাইল্ড এন্ড ওল্ড এইজ কেয়ারে পৌঁছে দেন গণবিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিয়াজুল ও মেহেদী। আর সেখানে অসহায় এ নারীর পুনর্বাসন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।