আন্তর্জাতিক

বিক্ষোভের মুখে লিবিয়ার অন্তর্বর্তী সরকার পদত্যাগের ঘোষণা

রোববার বেনগাজিতে বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনিক সদর দফতরে আগুন লাগিয়ে দেয়ার পরপর পূর্ব লিবিয়ার অন্তর্বর্তী সরকার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছে।

বেনগাজি, আল-মার্জ, সাভাসহ বেশ কয়েকটি শহরে গত কয়েক দিন ধরেই বিক্ষোভ চলছিল। দুর্নীতি ও জীবনযাপনের খারাপ মানের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ।

প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লা আল-থানি হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকারের কাছে তার পদত্যাগ পত্র দিয়েছেন। ২০১১ সালে দীর্ঘ সময়ের স্বৈরাচারী শাসক গদ্দাফির শাসন শেষ হওয়ার পর পূর্ব ও পশ্চিম লিবিয়ায় আলাদা প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার ক্ষমতায় আসে।

আরো পড়ুনঃ শ্রীলংকার কঠিন শর্তে সফরে যাবে না বাংলাদেশ: পাপন

বেনগাজি ছাড়াও আল-মার্জে সরকারি ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এই এলাকা আবার খালিফা হাফতার ও তার লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ)-র শক্ত ঘাঁটি। এছাড়া দক্ষিণের শহরগুলোতেও বিক্ষোভ ছড়িয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা নিয়েও ঝুঁকির মুখে আছে লিবিয়া। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে সুপেয় পানির অভাব দেখা দিয়েছে। যুদ্ধের দামামায় ১৪৯টি পানি সরবারহ লাইনের ১০১টি নষ্ট হয়ে গেছে৷

গদ্দাফির পর থেকেই রাজনৈতিক, মানবিক ও অর্থনৈতিক সমস্যায় জেরবার লিবিয়া। গত বৃহস্পতিবার থেকে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, তার কারণ সমানে লোডশেডিং, পেট্রোল-ডিজেলের মাত্রাছাড়া দাম এবং লোকের কাছে অর্থের অভাব।

গত ১৪ মাস ধরে পূর্ব লিবিয়ার সরকারের সঙ্গে এলএনএ-র সংঘাত চলছে। এলএনএ রাজধানী ত্রিপোলির নিয়ন্ত্রণ নেয়ারও চেষ্টা করেছে।