ভিন্ন স্বাদের খবর

টানা তিন ঘ’ন্টা ধরে স’হবা’স, হা’সপাতালে দ’ম্পতি

তিন ঘণ্টা ধরে উপভোগ করলেন চ’রম যৌ’নসুখ। আর তারপরই হাসপাতালে ভর্তি হতে হল ম’হিলাকে। সিয়াটেলের দম্পতি এরিক ও লিজা যৌ’নমি’লনে লি’প্ত হন।

এক ঘণ্টা পর এরিক বিছানা থেকে নেমে কাজে যেতে চাইলেও নিজেকে তখনও সামলাতে পারেননি লিজা।

লিজা বলেন, এক ঘণ্টা অ’র্গাজম অনুভব করার পর আমি ওয়াইন খেয়ে চেষ্টা করছিলাম নিজেকে শান্ত করার। সবরকম চেষ্টা করেও ৩ ঘণ্টার আগে শান্ত হতে পারিনি। দু ঘণ্টা

পরই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান এরিক। কিন্তু সেখানেও অন্তত এক ঘণ্টা লেগেছে তাঁর স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে।
সে’ক্স সেন্ট মি টু এর নামক একটি টেলিভিশন শো-য়ে নিজেদের অ’ভিজ্ঞতার কথা জানান এরিক ও লিজা।

আরো পরুন

আর শোনা যাবে না বলিউড জয়ী আতিফ আসলামের গান । পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক আতিফ আসলামের সংগীত জগতকে বিদায় জানানোর

সিদ্ধান্তে বেশ কিছুদিন ধরে জ’ল্পনা চলছে। বলা হচ্ছে, ধর্মের কারণে গান ছাড়ছেনতিনি।

সম্প্রতি জিও নিউজের ‘ক্যাপিটাল টক’ অনুষ্ঠানে হামিদ মীরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মুখ খোলেন বলিউডে জনপ্রিয়তা পাওয়া এই গায়ক।আতিফ আসলাম জানান, মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি ছাড়ার বিষয়টি বেশ ব্যক্তিগত।

তবে নিজের অংশ হিসেবে ধর্মের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান। তিনি বলেন, “আমি বলতে চাই না যে,সংগীত পুরোপুরি ছেড়ে দেবো।বরং ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ দিকের সঙ্গে যুক্ত আল্লাহর নিরানব্বই নাম ও তাজদার-ই-হা’রাম

তুলে ধরতে চাই।”সবাইকে ইসলামের গুরুত্ব বুঝাতে চাই।এটা সবার দরকার।
তার সঙ্গে যোগ করেন, “আমি খুশি যে এমন কিছু তরুণ আছেন যারা শুধু আমার
সংগীত শুনছেনই না, এই বিষয়গুলোর দিকেও ঝুঁকছেন। তবে আমি এখনই গান ছেড়ে
দিচ্ছি না।

” করো’না পরিস্থিতিতে আতিফ আসলামের আজানের একটি ভি’ডিও ই’ন্টারনেটে ঝ’ড়

তুলেছে। এ প্রসঙ্গে জানান, পবিত্র মক্কায় আজান দেওয়া ইচ্ছা অনেক দিনের।
সেখান থেকেই এই ভিডিও প্রকাশের পরিকল্পনা। এতই আ’প্লুত ছিলেন যে, আজান
রেকর্ডের আগের রাতে তিনি ঘুমাতে পারেননি। এ নিয়ে তার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশের
নয় বলেও জানান।

কোক স্টুডিও’র সাম্প্রতিক এপিসোডে আল্লাহর নিরানব্বই নামখচিত ‘আসমা-উল-
হুসনা’ শিরোনামের সংগীত পরিবেশন করেন আতিফ আসলাম। যা বেশ প্রশংসিত
হয়েছে।

এ আইকনিক গায়ক বলেন, “জীবনে আমরা অনেক কিছু করি, যার কিছু পুণ্যময় কিছু
পাপ। আমি যথেষ্ট ভাগ্যবান যে ‘তাজদার-ই-হারাম’-এ কণ্ঠ দিয়েছি এবং ‘আসমা-উল-
হুসনা’য় সুযোগ পেয়ে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি। নামগুলো আবৃত্তির সময়
আমার যে অনুভূতি হয়েছিল তা ব্যাখ্যা করতে পারব না।”