আইপিএল
Cricket খেলাধুলা

পাকিস্তান ও চীনে নিষিদ্ধ আইপিএল

পাকিস্তানী ক্রিকেট প্রেমীরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইপিএল দেখা থেকে এমনিতেই বঞ্চিত হচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে। পাকিস্তান-ভারতের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে দেশটিতে ভারতীয় এই আসর সম্প্রচার করা হয় না। বিশ্বের অন্য সব দেশের নামকরা ক্রিকেটাররা এখানে খেললেও, ২০০৮ সালের পর থেকে খেলতে পারেন না পাক ক্রিকেটাররা।

পাকিস্তানের পর এবার এই তালিকায় যোগ হলো চীনের নামও। ১৩তম আইপিএল সম্প্রচারিত হবে না এশিয়ার এই দেশটিতেও। কারণটা একই, রাজনৈতিক।

আরও পড়ুনঃ বিসিবির সঙ্গে এমন কোনো কথাই হয়নি : লঙ্কান বোর্ড

চলতি বছরের মাঝামাঝি থেকে সীমান্ত নিয়ে সংঘাত শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে। অবস্থা এতোটাই ভয়াবহ হয়ে দাঁড়ায় যে, ভারতীয়দের ক্ষোভের মুখে আইপিএলের টাইটেল স্পন্সর থেকে চীনা প্রতিষ্ঠান ভিভোকে শেষপর্যন্ত বাদই দিতে হয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের। তাতে বেশ আর্থিক ক্ষতির মুখেই পড়ে তারা। তবে রাজনীতির কাছে নতি স্বীকার করতেই হয় তাদেরকে। একইভাবে দেশটিতে খেলা সম্প্রচার করা থেকেও সরে আসতে হলো ভারতীয়দেরকে।

১৩তম আইপিএলের পর্দা উঠবে ১৯ সেপ্টেম্বর। করোনার প্রভাবে এবার এমনিতেই মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না কোন দর্শক। এমনকি নিজদেশে টুর্নামেন্টটি আয়োজন করতেও পারছে না বিসিসিআই। পুরো আসরটি হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। সবমিলিয়ে টেলিভিশন ছাড়া খেলা দেখার সুযোগ নেই দর্শকদের।

তবে আয়োজকরা জানেন, এবার সবার নজর থাকবে টিভিসেটের দিকেই। তাই তো বিশ্বের ১২০টি দেশে সম্প্রচার করা হবে এবারের আইপিএল।

উপমহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত এবং আফগানিস্তানে আইপিএল সরাসরি সম্প্রচার করবে স্টার স্পোর্টস। ইংল্যান্ডে টুর্নামেন্টটি দেখার জন্য দর্শকদের চোখ রাখতে হবে স্কাই স্পোর্টসের পর্দায়।

যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে আইপিএলের ম্যাচ সম্প্রচার করার দায়িত্বে থাকবে ফক্স স্পোর্টস। দক্ষিণ আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর অ্যামেরিকার দেশগুলোর বাসিন্দারাও টিভিতে দেখতে পারবেন আইপিএল। এই দেশগুলোর দর্শকদের জন্য খেলা সম্প্রচার করা হবে ইয়ুপ টিভিতে।

১৯ সেপ্টেম্বর আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।