Bangladesh আইন-আদালত

অস্ত্র আইনের মামলায় শাহেদের যাবজ্জীবন চায় রাষ্ট্রপক্ষ

অস্ত্র আইনের মামলায় রিজেন্ট গ্রুপ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদ করিমের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করে রাষ্ট্রপক্ষ। যুক্তি উপস্থাপনে শাহেদের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু।

রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে শাহেদের আইনজীবীও যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। এ দিন শাহেদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় রোববার পরবর্তী দিন ধার্য করেন আদালত।

এর আগে, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অস্ত্র আইনে করা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদ করিম। মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে, কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে শাহেদ বলেন, আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। তাই আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চাইছি।

এ সময় আদালত শাহেদকে সাফাই সাক্ষীর বিষয়ে প্রশ্ন করলে সাহেদ আদালতকে বলেন, ‘আমি সাফাই সাক্ষী দেব না।’ পরে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

আরও পড়ুনঃ মাই লর্ড, শাহেদ মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে গেছে!

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালেই কারাগার থেকে আদালতে তোলা হয় শাহেদকে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।

করোনায় নানা প্রতারণার অভিযোগে গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে শাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর তাকে নিয়ে উত্তরায় অভিযানে যায় ডিবি পুলিশ। অভিযানে গিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক এস এম গাফফারুল আলম তার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।