Bangladesh Dhaka

পাংশা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সভাপতি সুব্রত দাস সাগর সমাচার,হদিস নেই ১৬ কোটি টাকার

পাংশা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সভাপতি সুব্রত দাস সাগর সমাচার,হদিস নেই ১৬ কোটি টাকার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
এপারেও সাগর ওপারেও সাগর, এটা কোন নদী বা সমুদ্র সাগরের গল্প নয়, ইনি হলেন সুব্রত কুমার দাস সাগর তিনি দুই দেশের নাগরিকত্ত্ব নিয়ে বেশ রাজত্ব করেই চলছে দীর্ঘ বছর ধরে।
তিনি হলেন রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পাংশা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সুব্রত কুমার দাস (সাগর)।
সাগর সমাচারে, উঠে এসেছে চানচাল্যকর তথ্য তিনি গায়েব করেছেন ১৬ কোটি টাকা।
এই টাকা কোথায় রেখেছেন তিনি? ভারতে পাচার হয়নি তো? এছাড়াও তিনি আরো কোটি কোটি টাকা কামাই করেছেন লোকচক্ষুর আড়ালে অবৈধ পন্থায়।
দলিল লেখক অফিস থেকে তার এত টাকা কামাই তার পরে ও কোন সঠিক হদিস নাই এই টাকার, গেলো কোথায় এত টাকা ভারতে পাচার হয়নি তো? জনমনে প্রশ্ন।
তিনি সভাপতি হওয়ার পর জমি ত্রেুতা-বিক্রেতাদের সাথে প্রতারনার মাধ্যমে বর্তমানে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।
পাংশা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সুব্রত কুমার দাস (সাগর)২০০৯ সালে তিনি সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন।সেই থেকে তার উত্থান শুরু হয়।
সাগরের রয়েছে দুইটা লাইসেন্স একটা দলিল লেখক লাইসেন্স, আরেকটা স্টাম্প ভেন্ডার লাইসেন্স। কথা হলো একজন দৌত নাগরিক কিভাবে এই লাইসেন্স এর মালিক হয়? আবার অগ্রণী ব্যাংক পাংশা শাখায় তার নামে রয়েছে ৪২ লাখ টাকার সিসি লোন একজন দৌত নাগরিক কিভাবে এই লোন পায়? জনমনে প্রশ্ন আমরা কোন দেশে বাস করি।
এছাড়াও তার রয়েছে,ভারতের নদীয়া জেলার রানাঘাট মহাকুমার প্রীতিনগর কলোনী এলাকার উত্তর পাড়ায় “অমলা ভবন” নামে বহুতল আলিশান বাড়ী নির্মাণ করেছেন।
বাড়ী নং-১৯৬। গায়েত্রী বস্ত্রালয় নামক ০২টি কাপড়ের দোকানসহ তিনি ভারতেই গড়েছেন কোটি কোটি টাকার সম্পদ। ভারতে ছেলে-বৌ ব্যবহার করছেন বিলাশবহুল দামি গাড়ী। ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশেই নাগরিকত্ব নিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বার-৭৩১২৩৩৬১৩৯, ভোটার এলাকা নারায়নপুর,পাংশা-রাজবাড়ী।
ভারতের নদীয়া জেলার রানাঘাট মহাকুমার প্রীতিনগর কলোনী এলাকার উত্তর পাড়া এলাকার ভোটার নম্বার ১৮২।
অপরদিকে,পাংশা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সভাপতি হিসেবে ২০০৯ ইং সাল হইতে ২০২০ইং সাল পর্যন্ত ১৬ কোটি টাকা নিজ স্বাক্ষরে তিনি আত্মসাত করেছেন।
সভাপতি সুব্রত কুমার দাস অবৈধ অর্থে স্ত্রীর নামে ভারতে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।
স্ত্রী গায়েত্রী দাসের ব্যাংক একাউন্টে বিপুল পরিমান টাকা রাখা হয়েছে। সভাপতি সুব্রত কুমার দাস সাগরের বিরুদ্ধে বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগও উঠেছে। তিনি হন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচার করে ভারতে এবং অবৈধ হুন্ডির ব্যবসায়ী তিনি ও তার ছেলে বড় ছেলে সুভাষ কুমার দাস হুন্ডির ব্যবসাসহ ভারতীয় মালামাল এপার-ওপার করেন।
এই সাগর সুকৌশলে তার অবৈধ অন্যায় কাজ চালিয়ে যায় বছরের পর বছর যা দেখার কেউ নাই !
২০১৫ সালে সাতক্ষীরা ভোমরা কাষ্টমস কর্তৃপক্ষ অবৈধ শাড়ীসহ তাদেরকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। অতপর সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমান চলমান। এছাড়াও ভারতে প্রদর্শিত সম্পদের বাহিরে সুব্রত দাসের পাংশার সাদী প্লাজায় মার্কেটে ০২টি বড় কাপুরের দোকান রয়েছে।দোকানে
বিক্রি করে ভারতীয় চুরাই শাড়ী এবং পাইকারি বিক্রি করে বাজারের বিভিন্ন দোকানে।

640.jpg

আরও পড়ুন ঃরাজবাড়ী জেলার আস্থার প্রতীক এস পি মিজানুর রহমান
এই সুব্রত কুমার দাস (সাগর) তিনি অনেক পদপদবী ব্যবহার করেন এবং দাপটের সাথেই এই পদপদবী বাগিয়ে নিয়েছেন তিনি।যেমন সভাপতিঃ বাংলাদেশ স্টাম্প ভেন্ডার সমিতি। সহ সভাপতিঃ বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি।
সভাপতিঃ রাজবাড়ী জেলা স্টাম্প ভেন্ডার ও দলিল লেখক সমিতি। সভাপতিঃ পাংশা দলিল লেখক ও স্টাম্প ভেন্ডার সমিতি।কিভাবে একজন দৌত নাগরিক এত পদ পদবী পায়?