Bangladesh Dhaka

একজন ব্যক্তি দুইদেশের নাগরিক দুইটা লাইসেন্স এর মালিক হয় কিভাবে

কিভাবে একজন ব্যক্তি দুইদেশের নাগরিক দুইটা লাইসেন্স এর মালিক হয়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃনাম সুব্রত কুমার দাস সাগর, তিনি দুই দেশের নাগরিকত্ত্ব নিয়ে বেশ রাজার হালেই রাজত্ব করেই চলছে দীর্ঘ বছর ধরে।
তিনি একজন দৌত নাগরিক কিভাবে দুইটা লাইসেন্স এর মালিক হয়?যেমন একটা, স্টাম্প ভেন্ডার লাইসেন্স, আরেকটা দলিল লেখক লাইসেন্স।এটা কি দেখার কেউ নাই?
এছাড়াও আছে তার হালি হালি পদ পদবী, আর কিভাবেই এই সুব্রত কুমার দাস সাগর যে কিনা দৌত নাগরিক বর্তমানে,এই সুব্রত কুমার দাস (সাগর) তিনি অনেক পদপদবী ব্যবহার করেন এবং দাপটের সাথেই এই পদপদবী বাগিয়ে নিয়েছেন তিনি।
এত ক্ষমতার উৎস কি? যেমন সভাপতিঃ বাংলাদেশ স্টাম্প ভেন্ডার সমিতি। সহ সভাপতিঃ বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি। সভাপতিঃ রাজবাড়ী জেলা স্টাম্প ভেন্ডার ও দলিল লেখক সমিতি।
সভাপতিঃ পাংশা দলিল লেখক ও স্টাম্প ভেন্ডার সমিতি।
কিভাবে একজন দৌত নাগরিক এত পদপদবী পায়? প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন পাংশাবাসি।
তিনি হলেন রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পাংশা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সুব্রত কুমার দাস (সাগর)।

এই সাগরের পরিবারের সদস্যরা ভারতে স্থায়ীভাবে বসবাস করে।
সেখানে গড়ে তুলেছেন কোটি কোটি টাকার সম্পদ। সুব্রত কুমার দাস সাগর সহ পরিবারের সবাই বাংলাদেশ ভারত দুই দেশের নাগরিক। এছাড়াও তার রয়েছে,ভারতের নদীয়া জেলার রানাঘাট মহাকুমার প্রীতিনগর কলোনী এলাকার উত্তর পাড়ায় “অমলা ভবন” নামে বহুতল আলিশান বাড়ী নির্মাণ করেছেন। বাড়ী নং-১৯৬।
গায়েত্রী বস্ত্রালয় নামক ২টি কাপড়ের দোকানসহ তিনি ভারতেই গড়েছেন কোটি কোটি টাকার সম্পদ।

ভারতে ছেলে-বৌ ব্যবহার করছেন বিলাশবহুল দামি গাড়ী।
ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশেই নাগরিকত্ব নিয়েছেন তিনি। সাগরের বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বার-৭৩১২৩৩৬১৩৯, ভোটার এলাকা নারায়নপুর,পাংশা-রাজবাড়ী।আর
ভারতের নদীয়া জেলার রানাঘাট মহাকুমার প্রীতিনগর কলোনী এলাকার উত্তর পাড়া এলাকার ভোটার নম্বার ১৮২।
সাগর সমাচারে, উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য তিনি গায়েব করেছেন ১৬ কোটি টাকা।
এই টাকা কোথায় রেখেছেন তিনি? ভারতে পাচার হয়নি তো? এছাড়াও তিনি আরো কোটি কোটি টাকা কামাই করেছেন লোকচক্ষুর আড়ালে অবৈধ পন্থায়। ২০০৯ সালে প্রথম সভাপতি হওয়ার পর জমি ত্রেুতা-বিক্রেতাদের সাথে প্রতারনার মাধমে বর্তমানে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। পাংশা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সুব্রত কুমার দাস।

640.jpg

আবার অগ্রণী ব্যাংক পাংশা শাখায় তার নামে রয়েছে ৪২ লাখ টাকার সিসি লোন একজন দৌত নাগরিক কিভাবে এই লোন পায়? সভাপতি সুব্রত কুমার দাস সাগরের বিরুদ্ধে বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগ ও উঠেছে।
এই সাগর সুকৌশলে তার অবৈধ অন্যায় কাজ চালিয়ে যায় বছরের পর বছর যা দেখার কেউ নাই ! তিনি হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচার করে ভারতে এবং অবৈধ হুন্ডির ব্যবসায়ী তিনি ও তার ছেলে বড় ছেলে সুভাষ কুমার দাস হুন্ডির ব্যবসাসহ ভারতীয় মালামাল এপার-ওপার করেন।
সরেজমিনে গিয়ে কিছু মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, এই সাগর ভেন্ডার মানুষের সাথে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা আয় করে।আর সেই টাকা তিনি ভারে হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করে।
আরেক জনের সাথে কথা বলে জানা যায় তিনি বলেন সাগর ভেন্ডার যেহেতু ভারতীয় নাগরিক আর তার সন্তানেরা ভারতে বসবাস করে সেই সুবাদে তিনিও এক সময় স্থায়ীভাবে ভারতে বসবাস করবেন সেইজন্য তিনি তার বৈধ-অবৈধ অর্থ ভারতে পাচার করেন।
এর একটা বিহিত হওয়ার দরকার। এদের জন্য দেশের আজ এই অবস্থা প্রশাসনকে এখনই নজর দেওয়া উচিৎ।

আরও পড়ুনঃরাজবাড়ীর পাংশা মডেল থানা পুলিশের অভিযানে দুই চাঁদাবাজী মামলার ৭ পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
এই প্রতারককে আইনের আওতায় আনা দরকার। আরেকজন বলেন এরা তো দৌত নাগরিক কিভাবে লাইসেন্স পায়, সমিতির সভাপতি হয়,বিভিন্ন পদ পদবী ব্যবহার করে। এদের প্রশাসনের নজরে আনা উচিৎ বলে মনে করি।
সুব্রত কুমার দাস সাগর সম্পর্কে জানতে পাংশা সাব-রেজিষ্টি অফিসের প্রধান কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন,আমি বিষয়টা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছি, আমি উপর মহলে জানিয়েছি তারা ব্যবস্থা নিবেন।
সভাপতি সুব্রত কুমার দাস সাগরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।