Bangladesh Dhaka

পাংশার দলিল লেখক সাগর এর মাসিক আয় ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৮ শত ৩১ টাকা

পাংশার দলিল লেখক সাগর এর মাসিক আয় ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৮ শত ৩১ টাকা

রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ী জেলার পাংশা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সুব্রত কুমার দাস সাগর।
তিনি সভাপতি, বাংলাদেশ স্ট্যাম্প ভেন্ডার সমিতি সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি সভাপতি, রাজবাড়ী জেলা স্ট্যাম্প ভেন্ডার সমিতি সভাপতি ও পাংশা দলিল লেখক সমিতি। বিশেষ আশির্বাদে হয়ে ওঠেন অঢেল টাকা ও সম্পত্তির মালিক। প্রথম পর্যায়ে স্ট্যাম্প বিক্রেতা ছিলেন।
সেই সময় তিনি জাল স্ট্যাম্প বিক্রি করে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে জামাত বি.এন.পি’র কতিপয় নেতাদের মাসোহারা দিয়ে জনগণ ও সরকারকে ফাঁকি দিয়ে বাণিজ্য বিস্তার শুরু করে। তিনি শুধু বাংলাদেশেরই নাগরিক নন, তিনি ভারত বর্ষেরও নাগরিক।
তার বড় ছেলে, ছেলের বউ ও নাতি ভারতেই স্থায়ী ভাবে বসবাস করছে। কাপড়-হোন্ডি ও ভারতের কাপড় চোরাই পথে বাংলাদেশে এনে বাণিজ্য বিস্তার করছেন।

এ ব্যাপারে তার ছেলে ভারতীয় কোটি টাকার চোরাই শাড়ি সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে সাতক্ষীরা জেলার ভোমরা সদয় থানায়। মামলাটি এখনও চলমান রয়েছে।

কোলকাতার নদীয়া জেলার পায়রা ডাঙ্গা রেল স্টেশনের পাশেই তার বিলাশ বহুল বাড়ি, গাড়ি ও গায়ত্রি বস্ত্রালয় নামে দুটি কাপড়ের দোকান রয়েছে বলে ভারতে বসবাসরত অনেক বাংলাদেশী ভিডিও ও স্থির চিত্র পাঠিয়ে নিশ্চিত করেছেন।
সাগর মহুরী মেয়ে শুকলা দাস, বড় ছেলে সুভাষ দাস ভারতেই বিয়ে করে সংসার করছে। ছোট ছেলে পার্থ দাস পাংশা নকসী কাঁথা শো রুম বস্ত্রালয় ঠিকানা রেখেছেন।
মুলত কাজই ভারতে যাওয়া মানী লন্ডারিং করা এবং ফেরার পথে ভারতের কাপড় চোরাই পথে এদেশে চড়া দামে বিভিন্ন মার্কেটে সাপ্লাই দেওয়া। সাগর মহুরীর পাংশার বাড়ি কোন রকম টিনের ঘর, কৌশল ব্যবসা নেই। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খরচ গুরুর আশির্বাদেই যা কামাই তার সিংহ ভাগই চলে যায় গুরুর কাছে দাদা বলেছেন সাগর মহুরী।
দ্বৈত নাগরিক হওয়া সত্বেও তার নামে দুটি লাইসেন্স ভেন্ডার ও দলিল লেখক। দলিল লেখক সমিতি থেকে তার মাসিক আয় ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৮ শত ৩১ টাকা বলে মাসিক তালিকা সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০২০ সালের ৩০শে জুলাই পর্যন্ত তার ১৬ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে শুধুমাত্র পাংশা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দলিল লেখে। প্রতি মাসে সাগর মহুরীর মাসিক আয় ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৮ শত ৩১ টাকা।
কারণ জানতে চাইলে সমিতির সব সদস্যই বলেন সাগর মহুরী বলে থাকেন উপরের নির্দেশ মানতে পারলে থাকো না মানলে চলে যাও। বেশ কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার সার্থে বলেন সাগর মহুরী জামাত-জোট সরকারের আমলে যে প্রভাব খাটিয়েছেন এখন আরো বেশি প্রভাব খাটিয়ে দুহাতে সাধারণ মানুষের কষ্টের অর্থ জমি বিক্রি ও ক্রয়কারীরা খেসারত দিচ্ছেন।
এ ব্যপারে সাগর মহুরীর সাথে বারবার যোগাযোগ করলে তিনি বলেন সব খরচ হয়ে যায় গুরুর আশির্বাদ মেটাতে। তারপর তিনি কথা না বলে উপরে কথা বলার পরামর্শ দেন। উল্লেখ্য সাগর মহুরীর দলিল লেখক লাইসেন্স নং ৩৪/৭৮ আই.জি.আর, ভেন্ডার লাইসেন্স নং- ১৩/৮৩।
নির্বাচক তালিকা- ২০২০ অনুযায়ী ভারতীয় নাগরিক হিসাবে তার পরিচিতি দেওয়া হলোঃ বিধান সভা নির্বাচক ক্ষেত্রের নং, নাম ও সংরক্ষণ স্থিতি : ৯০, রানাঘাট দক্ষিণ (তফশীল জাতি) অংশ- ৯৭।

সংশোধনের তারিখ : ০১/০১/২০২০, প্রকাশনার তারিখ : ২৭/০২/২০২০। অংশ ভাগ নং ও নাম প্রীতিনগর কোলনী উত্তরপাড়া (উত্তর) ভোটার ক্রমিক নং ১৮২ NEY ১৫৫৯৪৬৭ (এন.আই.ডি) নাম : সুব্রত কুমার দাস, পিতার নাম- কৃষ্ণপদ দাস, বাড়ির নং- no ১৯৬ বয়স : ৬৬। ভোটার ক্রমিক নং ১৮৩ NEY ১৫৫৯৪৭৫ (এন.আই.ডি) নাম : গায়ত্রী দাস, স্বামী : সুব্রত কুমার দাস, বাড়ির নং- no ১৯৭ বয়স : ৫৬। ভোটার ক্রমিক নং ১৮৫ NEY ১৫৫৯৪৮৩ (এন.আই.ডি) নাম : সুভাষ কুমার দাস, পিতা- সুব্রত কুমার দাস, বাড়ির নং- no ১৯৮ বয়স : ৩৫। ভোটার ক্রমিক নং ২০২ NEY ২২১২১৩২ (এন.আই.ডি) নাম : পামিতার দাস চ্যাটার্জী, স্বামী- সুভাষ কুমার দাস, বাড়ির নং- no ১৯৮ বয়স : ৩৪। ভোটার ক্রমিক নং ১৮৪ NEY ২০৯৬৯০৭ (এন.আই.ডি) নাম : সুবীর কুমার দাস, পিতা- সুব্রত কুমার দাস, বাড়ির নং- no ১৯৭ বয়স: ৩০।
ছবি সহ ভোটার নং, ক্রমিক নং, নাম, পিতা, স্বামীর নাম, বাড়ি নং সহ পত্রস্থ করা হলো।
ভারতীয় বাড়ির জমির তথ্যঃ (১) মৌজা কোড- ১৩১৩১৪৭, মৌজার নাম- গোপালপুর, প্লট নং- ৮৯১/১১৭৭ জমির শ্রেণী- বাড়ী, খতিয়ান নং- ১৩০৭ গ্রহিতাঃ সুব্রত কুমার দাস, পিতা- কৃষ্ণপদ দাস, অংশ ০.১০৪৭, জমির পরিমাণ ঃ ৩ কাঠা, (২) মৌজা কোড- ১৩১৩১৪৭, মৌজার নাম- গোপালপুর, প্লট নং- ৮৯১/১১৭৭ জমির শ্রেণী- বাড়ী, খতিয়ান নং- ১৩০৮ গ্রহিতা ঃ গায়ত্রী রানী দাস, স্বামীঃ সুব্রত কুমার, অংশ ০.১০১৪, জমির পরিমাণ ঃ ৩ কাঠা।

640.jpg

বাংলাদেশের রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার পাংশা পৌরসভার ওয়ার্ড নং ০৪, ভোটার এলাকার নাম- নারায়ণপুর, ভোটার এলাকার নম্বর- ০৭৪৩ পোস্ট কোড- ৭৭২০ ফরম-১ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী প্রকাশের তারিখ – ৩১/০১/২০২০ ইং মোতাবেক।

আরও পড়ুন ঃপাংশা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সভাপতি সুব্রত দাস সাগর সমাচার,হদিস নেই ১৬ কোটি টাকার

ভোটার ক্রমিক নং- ১৭৪ নাম : সুব্রত কুমার দাস, ভোটার নং- ৮২০৭৪৩৪৫০৪০২ এনআইডি নং ৭৩১২৩৩৬১৩৯, পিতার নাম : কৃষ্ণপদ দাস, মাতা- অমলা বালা দাস, পেশা- ব্যবসা জন্ম তারিখ : ০৭/১২/১৯৫৫ ইং ঠিকানা- নারায়ণপুর, পাংশা, রাজবাড়ী। ভোটার ক্রমিক নং- ০১৭৫, নাম : সুবির কুমার দাস, ভোটার নং- ৮২০৭৪৩৪৫০৪০৪ এনআইডি নং ২৮১২৩১৮৭০৩ পিতা- সুব্রত কুমার দাস, মাতা- গায়ত্রি রানী দাস পেশা- ছাত্র জন্ম তারিখ : ০৪/০৩/১৯৮৯ ঠিকানা- নারায়ণপুর, পাংশা, রাজবাড়ী। ভোটার ক্রমিক নং- ০১৮৩ নাম : গায়ত্রি রানী দাস, ভোটার নং- ৮২০৭৪৩৪৫০৪০৩ এনআইডি নং ১০০৬১৭২৮০১, স্বামী- সুব্রত কুমার দাস, পিতা- সুনীল সরকার, মাতা- গীতা সরকার, পেশা- গৃহিনী, জন্ম তারিখ ০২/০৮/১৯৬৪ ইং, ঠিকানা- নারায়ণপুর, পাংশা, রাজবাড়ী।
বাংলাদেশের পাসপোর্ট নং- বিএফ ০৩৩২৮৭৭, নাম : সুব্রত কুমার দাস, পাসপোর্ট নং- বিই ০৯০৪৮১৪, নাম : সুবীর কুমার দাস, পাসপোর্ট নং- বিজে ০০২২০২৫। পাংশার বাড়ির দলিল নং- ৩৬৪৫/৯৫। দাগ নং- ৩৩২/১৮০৯ (বাড়ি) জে.এল নং- ১৯১/২০৩ নং খতিয়ান নং- ৫৭৫ ডিপি ৮২২ মৌজা- নারায়ণপুর মোট জমি- ০.০৯৩৮ একর দলিলে ০.০৯০০ একর।
রেকর্ডে ০.০০৩৮ একর জমি বেশি রেকর্ড করে নিয়েছে বাবু সুব্রত কুমার দাস।সুব্রত কুমার দাস সাগর সম্পর্কে পাংশা সাব-রেজিস্টার মোঃ আনোয়ারুল আজিমের কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন, আমি বিষয় টা জানার পর উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি তারা তারা বিষয়টা দেখছেন।তারা যেটা ভালোমনে করেন সেটাই করবেন।এসম্পর্কে জেলা রেজিষ্টার গোলাম মাহবুবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন। বিষয়টা গুরুত্বতার সাথে দেখা হচ্ছে।