ভিন্ন স্বাদের খবর

আজ সাবেক প্রেমিক-প্রেমিকাকে ক্ষমা দিবস

২০১৮ সাল থেকে যাত্রা শুরু। আন্তর্জাতিকভাবে সব দেশে স্বীকৃত না হলেও সাম্প্রতিক সময়ে ১৭ অক্টোবর-এ দিবসটি এলে আলোচনায় থাকে। যার চর্চা বেশি লক্ষ্য করা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন (Forgive an Ex Day) আজ।

প্রেমের সম্পর্ক নানা কারণেই ভেঙে যায়। অনেকেরই তাদের সাবেক প্রেমিক/প্রেমিকার প্রতি রাগ, ক্ষোভ, অভিমান অথবা প্রতিহিংসা রয়ে যায়। এই অভিযোগ ও ঘৃণাকে মুছে ফেলে দেয়ার জন্য এ দিবসের আবির্ভাব। প্রাক্তনকে ক্ষমা করে দেয়ার দিন- এর উদ্দেশ্য চলে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া পছন্দের মানুষের প্রতি যেন ক্ষমাশীল হওয়া যায় এবং সবাই যেন সকল অভিযোগ ভুলে সম্মানের চোখে তাকে দেখে। আর সুন্দর ভবিষ্যত কামনা করে।

‘ঠিক সময়ে অফিসে যায়?

ঠিকমতো খায় সকালবেলা?’

কবি জয় গোস্বামীর কবিতার মতো প্রাক্তনের প্রতি এমন অভিমান মেশানো জিজ্ঞাসা থাকে অনেকের। কিন্তু অধিকাংশেরই থাকে হাজারটা অভিযোগ, প্রবল ঘৃণা ও ক্ষমাহীন ক্ষোভ। হয়তো এই সব অনুভূতির পেছনের কারণগুলো যথার্থই যৌক্তিক। কিন্তু তা বলে অনুভূতিগুলো সারা জীবন ধরে পুষে রাখারও কি যৌক্তিক কারণ থাকে সব সময়? পুষে রাখা মানেই তো নিরন্তর মানসিক পীড়ন। চলে যাওয়া মানুষটিকে নিজের ভেতর ঘৃণায় বাঁচিয়ে রাখা শুধু। কেবলই যেন বুকের ওপর অনড় জগদ্দল পাথর চাপিয়ে রাখা। তার চেয়ে প্রাক্তনকে নিঃশর্তে ক্ষমা করে দিলে কেমন হয়! অসহনীয় অতীতকে ভুলে যাওয়ার ক্ষেত্রে এর চেয়ে সহজ পথ বোধ হয় কমই আছে।

অতীততে ভুলে সামনে যাওয়ার পথে দিনটি এক শুভ বার্তা। সবাই যেন দিনটিতে প্রাক্তন প্রিয় মানুষটাকে জানাতে পারে, ‘ক্ষমা করে দিলাম।’

প্রাক্তনের প্রতি অভিমান মেশানো জিজ্ঞাসা থাকে অনেকের। কিন্তু অধিকাংশেরই থাকে হাজারটা অভিযোগ, প্রবল ঘৃণা ও ক্ষমাহীন ক্ষোভ। হয়তো এই সব অনুভূতির পেছনের কারণগুলো যথার্থই যৌক্তিক। ভুল-ত্রুটি ও ভালো-মন্দের মিশেলে মানুষের জীবন। কেউ ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু কারো ভুলে তার প্রতি ক্রোধ দেখানো, রাগ ঝাড়া, জেদ-উত্তেজনা কিংবা উগ্র-কাতর হওয়া ভীষণ নিন্দনীয়। এসব মানুষকে ছোট করে। বিপরীতে ক্ষমা মানুষের মান-মর্যাদা বাড়ায়। কাউকে ক্ষমা করে একজন সাধারণ মানুষও হয়ে ওঠতে পারেন অসাধারণ মানুষ।

640.jpg

কিন্তু তা বলে অনুভূতিগুলো সারা জীবন ধরে পুষে রাখারও কি যৌক্তিক কারণ থাকে সব সময়? পুষে রাখা মানেই তো নিরন্তর মানসিক পীড়ন। চলে যাওয়া মানুষটিকে নিজের ভেতর ঘৃণায় বাঁচিয়ে রাখা শুধু। কেবলই যেন বুকের ওপর অনড় জগদ্দল পাথর চাপিয়ে রাখা। তার চেয়ে প্রাক্তনকে নিঃশর্তে ক্ষমা করে দিলে কেমন হয়! অসহনীয় অতীতকে ভুলে যাওয়ার ক্ষেত্রে এর চেয়ে সহজ পথ বোধ হয় কমই আছে।

চলে গেছে যে মানুষ ফেরার আকুতিকে উপেক্ষা করে, যেতে দিন তাকে। প্রাক্তনকে ক্ষমা করে দেওয়ার এই দিবসে আরেকবার মনে করুন। যা আছে অভিযোগ, ক্ষোভ কিংবা ঘৃণা—সব ভুলে গিয়ে বলে দিতে পারেন, ‘যাও, তোমাকে মাফ করে দিলাম।’