Technology

ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানদের বিটিআরসির হুঁশিয়ারি

অনুমোদনপ্রাপ্ত ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী (আইএসপি) বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এরই মধ্যে সব ধরনের অনিয়ম নিরসন না করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি।

সম্প্রতি সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অনুমোদনপ্রাপ্ত অনেক আইএসপি প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন শেষে অনিয়ম পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত আটটি অনিয়ম হচ্ছে-

১. কমিশনের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী ইন্টারনেট সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে আইএসপি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক PoP স্থাপন, স্থানান্তর, বাতিলের আগের কমিশনকে না জানানো।

২. বিটিআরসির Data Information System (DIS) পোর্টাল এ সঠিকভাবে সব তথ্য না দেয়া।

৩. Infrastructure Sharing Guideline, 2011 এ উল্লেখিত সব শর্ত সঠিকভাবে পালন না করে কার্যক্রম পরিচালনা করা।

৪. একই মালিকানায় ক্যাবল টিভি লাইসেন্স ও আইএসপি লাইসেন্স গ্রহণপূর্বক কমিশনের নির্দেশনা ও গাইডলাইন অনুসরণ না করে ক্যাবল টিভি সেবা প্রদানের কাজে ব্যবহৃত অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা।

৫. বিটিআরসির অনুমোদন না নিয়ে নিজস্ব নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (NOC)-এর পরিবর্তে অন্যত্র Cache Server স্থাপন করা, ক্যাশ সার্ভার প্রদানকারী সংস্থা ও ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার চুক্তি এবং ক্যাশ সার্ভারের মনিটরিং লিংক (অননেট,অফনেট, MRTG) কমিশনকে না দেয়া।

৬. লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানের অবৈধ রিসেলার তৈরি করার মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা।

৭. কমিশন থেকে আইএসপি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সব গ্রাহককের IP Log (Device Identity- Time Stamp) কমপক্ষে ১২ (বার) মাস রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ও জননিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কিন্তু কতিপয় প্রতিষ্ঠান তা যথাযথভাবে পালন করছে না।

৮. বিভিন্ন এলাকায় কমিশন থেকে আইএসপি অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে যথাযথভাবে কার্যক্রম গ্রহণে এবং ইন্টারনেট সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেয়া।

বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক শিবলী ইমতিয়াজ বলেন, পরিদর্শন শেষে যেসব অনিয়ম পাওয়া গেছে সেগুলো দ্রুত সমাধান করতে হবে। এরই মধ্যে অনিয়ম পাওয়া সব আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যদি প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়, তবে ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১’ অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।