জাতীয়

জাতীয় চার নেতা হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যেকোনো ঘটনার পেছনে কোনো না কোনো মোটিভ থাকে। জাতীয় চার নেতা হত্যার পেছনে অনেক মোটিভ ছিল। শুধু বিপথগামী সেনা সদস্যই নয়, এর পেছনে আরো বড় ষড়যন্ত্র ছিল। যারা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে লিপ্ত ছিল, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে।

মঙ্গলবার সকালে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি জাদুঘরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতীয় চার নেতা হত্যায় জড়িতদের দেশে ফেরত আনার ব্যাপারে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিক। এ ঘটনার সঙ্গে শুধু বিপথগামী সেনা সদস্য নয়, আরো যারা জড়িত রয়েছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনতে সরকার কাজ করছে।

সাংসদদের ফ্ল্যাটে তেলাপোকা-উইপোকার আক্রমণে উদ্বিগ্ন সংসদ কমিটি

এ সময় জাতীয় নেতা শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের ছেলে এএইচএম এহসানুজ্জামান বলেন, দিনটি ছিল জাতির জন্য কলঙ্কের। কারাগারের ভেতরে যেখানে নিরাপদ থাকার কথা ছিল, সেখানেই জাতীয় এই চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তবে আমরা খুবই আশাবাদী এই ঘটনায় যাদের বিচার হয়েছে, তাদেরকে সরকার ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকর করবে।

শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর ছেলে রেজাউল ইসলাম বলেন, কারাবিধি লঙ্ঘন করে সশস্ত্র অবস্থায় কারাগারে প্রবেশ করে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। তখন কারা কর্তৃপক্ষের কী ধরনের ভূমিকা ছিল, সেটিও তদন্ত করে দেখা উচিত। কেননা একজন অবৈধ হুকুম দিলেও আইনের বিপরীতে এ ধরনের কাজ করা অবশ্যই অপরাধ। আমি জাতীয় চার নেতা হত্যার ঘটনা তদন্তে আলাদা কমিশন গঠনের দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি এ ঘটনায় বিধি লঙ্ঘনসহ কারা অধিদফতরের কী ধরনের ভূমিকা ছিল, সেটি তদন্ত করারও দাবি জানাই।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের মেয়ে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের এমপি ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি, কারা অধিদফতরের মহাপরিদর্শক, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক প্রমুখ।