America আন্তর্জাতিক

প্রতারণার অভিযোগ ট্রাম্পের নির্বাচন বৈধ হয় নি!

নির্বাচনে আবারো প্রতারণার অভিযোগ ট্রাম্পের। ভোট গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলনে এসে ট্রাম্প বলেন, বৈধ ভোট গণনা করা হলেও তিনিই নির্বাচিত হতেন। 

তিনি বলেন, বিজয় নিয়ে আমার সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। বৈধ ভোট গননা করা হয় তাহলে আমি খুব সহজেই জিতবো। আর যদি অবৈধ ভোট গননা করা হয় তাহলে তারা আমাদের বিজয় চুরি করতে পারে।

ট্রাম্প বলেন, আমাকে অনেক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তারপরেও অনেক ক্রিটিক্যাল স্টেটে আমি জিতেছি। এরমধ্যে ফ্লোরিডার মতো স্টেটে বিপুল ব্যবধানে জিতেছি।

প্রতারণার অভিযোগ ট্রাম্পের কিন্তু কী ধরনের প্রতারণা করা হয়েছে কিংবা কীভাবে প্রতারণা করা হয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য তিনি দেননি।’

ট্রাম্প আরও বলেন, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে তিনি অনেক ভোটে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু পরে রহস্যজনকভাবে অনেক নতুন ভোট গোনা শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে ৫ অঙ্গরাজ্যে ভোটের সবশেষ অবস্থা

তিনি দাবী করেন, এখানে নির্বাচন শেষ হবার পর ভোট পাঠানো হয়েছে, বেআইনি ভোট গ্রহণ করা হয়েছে, গোপনে ভোট গোনা হয়েছে, ভোট গণনা কেন্দ্রে রিপাবলিকান দলের পর্যবেক্ষকদের ঢুকতে দেয়া হয়নি।

তিনি নির্বাচনের আগের মাসগুলোতে প্রকাশিত জনমত জরীপের তীব্র নিন্দা করে বলেন, তার সমর্থকদের নিরুৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে জো বাইডেনকে এগিয়ে দেখিয়ে এসব জরীপ প্রচার করা হয়েছিল।

নির্বাচনী কারচুপির কথা বললেও সে বিষয়ে কোনো তথ্যও উপস্থাপন করতে পারেননি তিনি।

এদিকে, চূড়ান্ত ফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জো বাইডেন। নিজের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বলেও জানান তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে জো বাইডেনের চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে আছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরমধ্যে মিশিগানে ট্রাম্প শিবিরের করা মামলা খারিজ করে দিয়েছেন স্থানীয় আদালতের এক বিচারক। ভোট গণনা বন্ধের দাবি নিয়ে মামলাটি করেছিলো তারা।

প্রতারণার অভিযোগ ট্রাম্পের নিজেরও ভোট গননা বন্ধ করার আহ্বান ছিলো।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জো বাইডেন রাজ্যটিতে জয়ী হয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

২০১৬ সালের নির্বাচনে মিশিগানে জয় পেয়েছিলেন ট্রাম্প।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, মিশিগান ও উইসকনসিনে জেতার পর জো বাইডেনের হোয়াইট হাউসে যাওয়ার পথ আরো সহজ হয়ে গেছে। এর মাধ্যমে তার ইলেকটোরাল কলেজ ভোট ২৬৪-তে পৌঁছেছে। এদিকে ট্রাম্পের ইলেকটোরাল ভোটের সংখ্যা ২১৪।

যুক্তরাষ্ট্রের মোট ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে প্রয়োজন ২৭০টি।