আন্তর্জাতিক

মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নতুন সরকারকে অবশ্যই ফেরাতে হবে

মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নতুন সরকারকে অবশ্যই ফেরাতে হবে । মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ‘নিরাপদে, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদার সঙ্গে অবশ্যই ফিরিয়ে নিতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছে যুক্তরাজ্য। মিয়ানমারের ‘নতুন সরকারকে অবশ্যই রাখাইন অঞ্চলের মানুষের যুক্তিসংগত উদ্বেগের বিষয়ে কাজ করতে হবে,’ ইউএনবির সঙ্গে আলাপকালে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া ও কমনওয়েলথ বিষয়ক মন্ত্রী লর্ড আহমেদ বলেন, ‘আমরা সত্যি রোহিঙ্গাদের দুরবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন।’

মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচনে আজ সোমবার পর্যন্ত ভোট গণনা চলছে। গতকাল রবিবার সেখানে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।

মিয়ানমারে নির্বাচন : এগিয়ে অং সান সু চির দল

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনেও অং সান সু চির সরকারের আবার ক্ষমতায় ফেরার বিষয়টি প্রত্যাশিত। রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও অং সান সু চি মিয়ানমারে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পেরেছেন। তবে বিদেশে তার সুনামে ধস নেমেছে।

ব্রিটিশ মন্ত্রী বলছেন, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান মিয়ানমারেই লুকিয়ে আছে।

বাইডেন ভালো মানুষ হবেন

‘যুক্তরাষ্ট্র ন্যয় বিচারের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সমস্যার সমাধানে আমরা রাজনৈতিক সমর্থনও দেব।’

মিয়ানমার তাদের সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের নিজেদের নাগরিক বলে স্বীকার করতে চায় না। দেশটির সেনাবাহিনীর অত্যাচারে গত কয়েক বছরে লাখ-লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশ সরকার চেষ্টা করছে বৈশ্বিক সমর্থন আদায় করে রোহিঙ্গাদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে।

মিয়ানমারে রোববার (৮ নভেম্বর) সাধারণ নির্বাচনের পর ভোট গণনা চলছে। এবারের নির্বাচনে খুব সহজেই অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) জয় লাভ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি(এনএলডি) ১৮ আসনে জয়ী হয়েছে বলে দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

এ বারের নির্বাচনে লাখ লাখ ভোটার ভোট দিয়েছেন। ২০১১ সালে প্রত্যক্ষ সেনা শাসন শেষ হওয়ার পরে দেশটিতে এবার দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেন সু চি। পরে তিনি ক্ষমতা ভাগাভাগি করার চুক্তি স্বাক্ষর করেন প্রবল ক্ষমতাশালী জেনারেলদের সঙ্গে।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে সোমবার সারাদিন লেগে যাবে বলে জানা গেছে। রোববার রাতের দিকে সু চির হাজার হাজার সমর্থক তার দলীয় সদর দফতরের সামনে জড়ো হয়ে পতাকা ওড়াতে ও স্লোগান দিতে থাকে।