Bangladesh Dhaka

রাজধানীর টিকাটুলির সুইপার কলোনিতে আগুন

রাজধানীর টিকাটুলির সুইপার কলোনিতে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। তবে বিকাল ৩ টা ২১ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

রোববার দুপুর আড়াইটার পর এ আগুন লাগে বলে টেলিফোনযোগে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বরত কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুদের টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষ, নিহত ১

তিনি বলেন, দুপুরে আগুন লাগার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ৮টি ইউনিট সেখানে গেছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুনের সূত্রপাত বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে নিরূপণ হবে।

রাজধানীর টিকাটুলির সুইপার কলোনিতে আগুন লেগেছে।

সিলেটে বন বিভাগের ১৩ হাজার একর জমি উদ্ধার

৭২ বছর পর সিলেটে উদ্ধার হলো বন বিভাগের ১৩ হাজার একর জমি। সাত বছর আগে করা এক রিটের রায়ে এ আদেশ দেন হাইকোর্ট। দেশ বিভাগের পর ভারত থেকে আসা লোকজন এসব জমি দখল করে রেখেছিলেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

রায়কে স্বাগত জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলছেন, বন দখলের মামলাগুলো দ্রুত দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১৯৪৯ সালে দেশভাগের সময় ভারত থেকে সিলেটে আশ্রয় নেয় কয়েকশ’ শরণার্থী। গত সাত দশকে ক্রমেই তারা দখলে নেয় জৈন্তাপুর ও আসামপাড়ার ১৩ হাজার জমি। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকার এ জমিকে সংরক্ষিত বন ঘোষণা করলে, বিরোধিতা করেন এসব শরণার্থী।

দখলসূত্রে তারাই এসব ভূমির মালিক, এমন দাবিতে ২০১২ ও ১৩ সালে হাইকোর্টে সরকারি গেজেটকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন ১৯ শরণার্থী। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে আইনি লড়াই শেষে সোমবার হাইকোর্ট ১৩ হাজার একর জমির মালিকানা বন বিভাগকে ফিরিয়ে দেয়ার আদেশ দেন।

রায়ে আদালত পর্যবেক্ষণ দেন, মোহাজির দাবি করা রিটকারীরা নিজেদের পরিচয়ের পক্ষে বৈধ কোনও নথি উপস্থাপন করতে পারেননি। আর বিপুল পরিমাণ এ বনভূমি রাষ্ট্রীয় সম্পদ, কখনোই ব্যক্তিমালিকানাধীন হতে পারে না।

এ রায়কে যুগান্তকারী মন্তব্য করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলছেন, বন দখল করা ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার।

বন বিভাগের হিসেবে তথ্যমতে সিলেটে বনের জমির এক তৃতীয়াংশই বেদখলে রয়েছে। বেসরকারি সংস্থাগুলোর মতে যা আরও বেশি। প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় ভৌগোলিক অবস্থানের এক-চতুর্থাংশ বন থাকা বাধ্যতামূলক হলেও, সিলেটে বনের পরিমাণ মোট ভূমির ৯ থেকে ১০ শতাংশের ওপরে নয়।