Technology

মুজিববর্ষে টাইটানের বিশেষ সংস্করণের ঘড়ি

মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্বলিত বিশেষ সংস্করণের ঘড়ি বানিয়েছে ভারতীয় ঘড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টাইটান । যে ঘড়ির ডায়ালে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বাক্ষরসহ প্রতিকৃতি। মুজিববর্ষে টাইটানের বিশেষ সংস্করণের ঘড়ি ।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে ভারতের বিশেষ সংস্করণের এই ঘড়ির। সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বিশেষ এই ঘড়ির মোড়ক উন্মোচন করেন বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী।

এএসপি আনিসুল করিমকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় চিকিৎসক গ্রেফতার

এসময় জাতির পিতার ছবি সংবলিত দু’টি হাতঘড়ি উপহার হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের হাতে তুলে দেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

মুজিববর্ষে টাইটানের বিশেষ সংস্করণের ঘড়ি ।

এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের রক্তে রাখি বন্ধনে আবদ্ধ। মুজিববর্ষে নানা আয়োজনে বঙ্গবন্ধুকে সম্মানিত করার মধ্য দিয়ে ভারত যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, এটি দু’দেশের সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করবে। বিশেষভাবে তৈরি ঘড়িগুলোর ডায়ালে রয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি এবং স্বাক্ষর।

তিনি বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল। কিন্তু করোনার জন্য জনস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে কর্মসূচিগুলো পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জাতির পিতা আর ভারতীয় জনগণের কাছে বীর। একজন সর্বকালের মহান নেতা, যিনি বাংলাদেশের মতো ভারতেও বীর হিসেবে সম্মানিত। এটাই স্বাভাবিক যে স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে আসার পথে ভারতীয় জনগণ বঙ্গবন্ধুকে যে উষ্ণতা ও ভালবাসা দেখিয়েছিলেন, তেমনিভাবে তারা মুজিববর্ষও উদযাপন করতে চান।

‘মুজিববর্ষ’ হচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উৎসব। বঙ্গবন্ধুর জন্মের শত বছর উপলক্ষে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাঁকজমকপূর্ণভাবে এ উৎসব উদযাপন করার কথা ছিল। তবে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে সব আয়োজন সীমিত করা হয়েছে। এ উদযাপন চলবে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত। ২০২১ সালের ২৬ মার্চ উদযাপন করা হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর উপলক্ষে সুবর্ণজয়ন্তীও ।