Bangladesh

শাইনিং দ্যা সোসাইটিজের বিনামূল্য রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি সম্পন্ন

আবুল ফয়েজ,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ কক্সবাজার সদর উপজেলাস্থ বাংলাবাজারে ৫০০ শতাধিক স্থানীয় শিশু,কিশোর-কিশোরী ও পুরুষ-মহিলাদের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে কার্ড বানিয়ে দিয়েছে ঝিলংজা ইউনিয়নের সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন শাইনিং দ্যা সোসাইটিজ ।

সেই কার্ড সংরক্ষণ বিষয়েও সচেতন করে দেয়া হয়েছে। ০৫ শতাধিল রক্ত গ্রুপ নির্ণয় করে, তাদের নাম-ঠিকানা ও রক্তের গ্রুপ লিখিতভাবে সংরক্ষন করেছে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘শাইনিং দ্যা সোসাইটিজ মঙ্গলবার (১৭ই নভেম্বর ) সকাল ০৯ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সচল ছিল বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচী। এতে উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শাইনিং দ্যা সোসাইটিজ উপদেষ্টা ও কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি কায়ছারুল হক মুন্না চৌধুরী, বিশেষ অতিথিরা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাষ্টার গিয়াস উদ্দীন ও আশরাফুল হাসান রিশাদ। এতে কক্সবাজার ব্লাড ডোনার’স সোসাইটি থেকে এ্যাপোলো বড়ুয়া,ইমরুল হাসান বাপ্পি, মোহাম্মদ ইমরান, আরমান,ওমর ফারুক,নুরুল আরেফিন আফসান। রামু ব্লাড ডোনার’স সোসাইটির কফিল উদ্দিন জীবন,নজিবুল আলম কায়সার,শাইনিং দ্যা সোসাইটিজের আব্দুল্লাহ আল মোমেন,রায়হান উদ্দিন, ইমতিয়াজ হোসেন রিয়াজ, রাশেদুল ইসলাম,আয়াস রহমান,মোঃ ফারুক,রিফাত হাসান আল জাওয়াদ,তাকিব,আরফাত,শহিদুল্লাহ,ইমন নাইম শাওন,শাহ মিজান প্রমুখ উপস্থিত থেকে বিনামূল্য রক্তের গ্রুপ নির্নয় কর্মসুচি সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতা করেন। উল্লেখ্য শাইনিং দ্যা সোসাইটিজের এ আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করে দক্ষিন চট্টলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কক্সবাজার ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি ও রামু ব্লাড ডোনার’স সোসাইটি।                                                                                                                                                             রায়হান হত্যা: এসআই আকবরের স্বীকারোক্তি দিতে অস্বীকৃতি   পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদ হত্যা প্রধান অভিযুক্ত সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়ির সাময়িক বরখাস্তকৃত ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে সাতদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এসআই আকবর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানান । মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) আকবরের রিমান্ড শেষ হওয়ায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় এসআই আকবর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুনরায় তার রিমান্ড না চাওয়ায় আকবরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. আবুল কাশেম।

ভোট ডাকাতি থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতে বাসে আগুন:মির্জা ফখরুল

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সিলেট জোনের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আকবর হোসেন ভূঁঞাকে গত সোমবার দুপুরে কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী ডোনা এলাকা থেকে জেলা পুলিশের একটি দল গ্রেফতার করে। ভারতে পালানোর সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে সীমান্ত এলাকার সূত্রে জানা গেছে, আকবর কানাইঘাটের ডোনা সীমান্তের ওপারে খাসিয়া পল্লিতে বসবাস করছিলেন। খাসিয়ারা কৌশলে বাংলাদেশে পাঠালে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে সিলেটে আনার পর সন্ধ্যা ৮টায় তাকে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরদিন ১০ নভেম্বর এসআই আকবর হোসেন ভূঁঞাকে আদালতে মাধ্যমে সাতদিনের রিমান্ডে নেয় পিবিআই। উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে রায়হানের মৃত্যু হয়। রায়হান সিলেট নগরের আখালিয়ার নেহারিপাড়ার বিডিআরের হাবিলদার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরের রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে চাকরি করতেন। এ ঘটনায় গত ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু আইনে নগরীর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি। ১৪ অক্টোবর মামলাটি পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে পিবিআইতে স্থানান্তর হয়। তদন্তভার পাওয়ার পর পিবিআইর টিম ঘটনাস্থল বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি, নগরের কাস্টঘর, নিহতের বাড়ি পরিদর্শন করে। সর্বোপরি মরদেহ কবর থেকে তোলার পর পুনরায় ময়নাতদন্ত করা হয়। নিহত রায়হানের মরদেহে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন উঠে এসেছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে। এসব আঘাতের ৯৭টি ফোলা আঘাত ও ১৪টি ছিল গুরুতর জখমের চিহ্ন। এসব আঘাত লাঠি দ্বারাই করা হয়েছে। অসংখ্য আঘাতের কারণে হাইপোভলিউমিক শক ও নিউরোজেনিক শকে মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনিসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কর্মক্ষমতা হারানোর কারণে রায়হানের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদ হত্যা প্রধান অভিযুক্ত সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়ির সাময়িক বরখাস্তকৃত ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে সাতদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।