রপ্তানি আয় দিনেদিনে কমেছে

রপ্তানি আয় কমছেই। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের সাত মাস শেষে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ২৯২ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ২১ শতাংশ কম। লক্ষ্যের চেয়ে তা ১৩ শতাংশ কম।

অর্থবছরের প্রথম মাস, অর্থাৎ জুলাইতে রপ্তানি আয়ে বেশ বাড়তির ধারা ছিল। প্রবৃদ্ধি ছিল সাড়ে ৮ শতাংশের মতো। এরপর টানা চার মাস রপ্তানি আয় কমেছে। ডিসেম্বর মাসে আয় কিছুটা বেড়েছিল (প্রায় ৩ শতাংশ)। জানুয়ারিতে আবার কমল। সব মিলিয়ে অর্থ বছরের সাত মাসের মধ্যে পাঁচ মাসই রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

রপ্তানি আয় কমার মূল কারণ, পোশাক খাত ভালো করতে না পারা। এ খাতে সাত মাস শেষে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯০৬ কোটি ডলারের মতো। যা আগের বছরের চেয়ে ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ কম। দেশের ৮০ শতাংশের বেশি রপ্তানি আয় আসে পোশাক খাত থেকে। এটি ভালো করতে না পারার প্রভাব পুরো রপ্তানি আয়ে পড়েছে।

অবশ্য পোশাকের বাইরে অন্যান্য খাতও খুব একটা ভালো করতে পারছে না। বিশেষ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি কমেছে ১১ শতাংশের মতো। সাত মাসে এ খাতে আয় হয়েছে ৫৫ কোটি ৮৯ লাখ ডলার।

কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতেও তেমন গতি নেই। আলোচ্য সময়ে এ খাতে মোট আয় হয়েছে ৬০ কোটি ৩৯ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ শতাংশের কিছু বেশি। বেশ ভালো করছে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি। এ খাতে সাত মাসে আয় হয়েছে ৬০ কোটি ২৫ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি ২১ শতাংশের মতো।

ছোট খাতের মধ্যে চিংড়ি রপ্তানি প্রায় ৪ শতাংশ, টেরিটাওয়েল ৩১ শতাংশ, হোম টেক্সটাইল ১০ শতাংশ ও হালকা প্রকৌশল পণ্য ২ শতাংশের কিছু বেশি কমেছে। অন্যদিকে ৮ শতাংশ বেড়েছে ওষুধ রপ্তানি। চামড়া বাদে অন্যান্য জুতা রপ্তানি বেড়েছে ২৬ শতাংশের মতো। বাইসাইকেল রপ্তানিও ৭ শতাংশের মতো বাড়তি।