Politics

শনিবার ও রোববার প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি

নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করে আবারও নির্বাচন দিতে এবং গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবিতে শনিবার (১৪ নভেম্বর) ও রোববার প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।শনিবার (১৩ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে যৌথ প্রতিবাদ সমাবেশ এবং রোববার সারা দেশের সব জেলা সদরে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (১২ নভেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।এ সময় তিনি বলেন, বিএনপি রাজনীতির ময়দানে কোনো উত্তাপ তৈরি করেনি। এটা আওয়ামী লীগের কাজ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পল্টনের মতো ঘটনা ঘটানো হচ্ছে পাতানো নির্বাচনের দিক থেকে মানুষের চোখ ফেরানোর জন্য। আওয়ামী লীগ এসব ঘটনা ঘটাল। ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করে বিএনপিকে সাধারণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা।

বিএনপির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দাঁতভাঙা জবাব দিতে আ.লীগ প্রস্তুত: কাদের

বিএনপি নেতাকর্মীদের পাতানো মামলায় গ্রেফতার করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে সকালে ঢাকা রিপোর্টার ইউনিটিতে মিট দ্যা রিপোর্টারস-এ তিনি বলেন, বিএনপি নাশকতায় বিশ্বাস করে না। বেগম জিয়ার দলকে নিশ্চিহ্ন করার পাঁয়তারা চলছে।

গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বাস পোড়ানোর ঘটনা ন্যাক্কারজনক উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, বিভ্রান্ত করার জন্য এগুলো করা হচ্ছে, এর আগেও বিএনপিকে দোষারোপ করা হয়েছে। বিএনপি এধরনের কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে না।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের জন্য বড় অন্তরায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি নয়। তারাই দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করছে এই নির্বাচন কমিশন। মার্কিন নির্বাচন নিয়ে সিইসির বক্তব্য হাস্যকর কথা ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। তার বক্তব্যেই রাষ্ট্র কিভাবে চলছে তা প্রতিয়মান হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে অনিয়ম-কারচুপির অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তান-পল্টন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল।

এরপর গুলিস্তান, শাহবাগ, মতিঝিলসহ রাজধানীর কয়েক জায়গায় বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় বিএনপির ইশরাক হোসেন, ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং যুবদলের সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ৪৬০ জনকে আসামি করে ১০টি মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলোয় এ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ২১ জনকে।