ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬ Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ঘরে-বাইরে নিরাপত্তাহীনতা, সারাদেশে বাধাহীন ‘মব’-২০২৫ Logo সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি

রামপাল উপজেলাকে ইলিশ কার্যক্রম এলাকা ঘোষণার দাবী

News Editor
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১৩৫ বার পড়া হয়েছে

শেখ সাগর আহমেদ, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: বাগেরহাটে নদী-নালা সমৃদ্ধ রামপাল উপজেলা কে ইলিশ কার্যক্রম এলাকা হিসাাবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন সংগঠন। সংগঠন গুলো হল, রামপাল উপজেলা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি, মংলা-ঘষিয়াখালি চ্যানেল রক্ষা সংগ্রাম কমিটি ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বাগেরহাট জেলা।

জানাগেছে, রামপাল উপজেলায় ছোট-বড় ৮ টি নদী সাড়ে ৩ শত খাল রয়েছে। এক সময়ে এইসব নদীতে প্রচুর ইলিশ পাওয়া যেত। জলবায়ু পরিবর্তন জনি কারণে ও মানুষের বলি হয়ে নদীগুলি তারা নাব্যতা হারায়। এতে নদীগুলিতে মৎস্য শূূন্য হয়ে পড়ে। এর প্রভাবে মোংংলা বন্দর ও সুুুন্দরবন হুমকির মুখে পড়ে। গত দুই বছর পূর্বে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের দাবির প্রেক্ষিতে ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রামপাল-মোংলার ৮৩ টি খাল ও নদী খনন শুরু হয়। এতে নদীগুলো সচল হয় ও নাব্যতা বৃদ্ধি পায়। এ ব্যাপারে রামপাল উপজেলা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি ও মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেল রক্ষা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন শেখ বলেন, এসব নদী-খালে আবারো ইলিশ মাাছসহ ও অন্যান্য পাওয়া যাচ্ছে সরকারিভাবে উপজেলা কে ইলিশ কার্যক্রম এলাকা হিসাবে ঘোষণা করা হলে নদী-খালে অত্যাচার কমে যাবে এবং আগের মতই এসব নদীতে ইলিশসহ সকল মাছ পাওয়া যাবে। সুতরাং এসব নদীকে ইলিশ এলাকা হিসাবে ঘোষণা করা হোক।

টাঙ্গাইলের ছেলের হাতে বাবা খুনের অভিযোগ

এব্যাপারে রামপাল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আসাদুল্লাহর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, আমরা ইতিপূর্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে এ উপজেলাকে ইলিশ কার্যক্রম এলাকা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন করেছি। সরকারিভাবে এ উপজেলাকে ইলিশ কার্যক্রমের আওতায় আনা হলে নদীগুলো আবারো ইলিশে ভরপুর হয়ে উঠবে।

রামপাল উপজেলাকে ইলিশ কার্যক্রম এলাকা ঘোষণার দাবী

আপডেট সময় : ১০:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২০

শেখ সাগর আহমেদ, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: বাগেরহাটে নদী-নালা সমৃদ্ধ রামপাল উপজেলা কে ইলিশ কার্যক্রম এলাকা হিসাাবে ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন সংগঠন। সংগঠন গুলো হল, রামপাল উপজেলা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি, মংলা-ঘষিয়াখালি চ্যানেল রক্ষা সংগ্রাম কমিটি ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বাগেরহাট জেলা।

জানাগেছে, রামপাল উপজেলায় ছোট-বড় ৮ টি নদী সাড়ে ৩ শত খাল রয়েছে। এক সময়ে এইসব নদীতে প্রচুর ইলিশ পাওয়া যেত। জলবায়ু পরিবর্তন জনি কারণে ও মানুষের বলি হয়ে নদীগুলি তারা নাব্যতা হারায়। এতে নদীগুলিতে মৎস্য শূূন্য হয়ে পড়ে। এর প্রভাবে মোংংলা বন্দর ও সুুুন্দরবন হুমকির মুখে পড়ে। গত দুই বছর পূর্বে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের দাবির প্রেক্ষিতে ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রামপাল-মোংলার ৮৩ টি খাল ও নদী খনন শুরু হয়। এতে নদীগুলো সচল হয় ও নাব্যতা বৃদ্ধি পায়। এ ব্যাপারে রামপাল উপজেলা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি ও মোংলা ঘোষিয়াখালী চ্যানেল রক্ষা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন শেখ বলেন, এসব নদী-খালে আবারো ইলিশ মাাছসহ ও অন্যান্য পাওয়া যাচ্ছে সরকারিভাবে উপজেলা কে ইলিশ কার্যক্রম এলাকা হিসাবে ঘোষণা করা হলে নদী-খালে অত্যাচার কমে যাবে এবং আগের মতই এসব নদীতে ইলিশসহ সকল মাছ পাওয়া যাবে। সুতরাং এসব নদীকে ইলিশ এলাকা হিসাবে ঘোষণা করা হোক।

টাঙ্গাইলের ছেলের হাতে বাবা খুনের অভিযোগ

এব্যাপারে রামপাল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আসাদুল্লাহর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, আমরা ইতিপূর্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে এ উপজেলাকে ইলিশ কার্যক্রম এলাকা হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন করেছি। সরকারিভাবে এ উপজেলাকে ইলিশ কার্যক্রমের আওতায় আনা হলে নদীগুলো আবারো ইলিশে ভরপুর হয়ে উঠবে।