ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ঘুষ চাওয়ার ঘটনা সামনে আসায় আইসিটি’র বিচারপ্রক্রিয়ার উপর আস্থা কমবে Logo অভিযোগ-প্রশ্নে জর্জরিত জুলাই হত্যার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল Logo ইরানে রাশিয়ার কনস্যুলেট ক্ষতিগ্রস্ত-চুপসে গেছে রাশিয়া Logo ধেঁয়ে আসছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র-ইসরায়েল Logo যুক্তরাষ্ট্রের ৬টি পারমাণবিক বোমা নিখোঁজ Logo মাদারীপুরে হত্যাকান্ডে রণক্ষেত্র: হাতবোমা বিস্ফোরণ, বাড়ি ঘরে আগুন ও লুটপাট Logo ইরান থেকে সরে আসার পরামর্শ ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের Logo অস্ত্রের মুখে উচ্ছেদের পরদিন ঘর পুননির্মাণের আশ্বাস পেল গারো পরিবার “ফলোআপ” Logo ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে গ্রেপ্তার ইমি ও মামুনের মুক্তি দাবি ১৫৬ নাগরিকের Logo রণকৌশল পরিবর্তন করলো ইরান

অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না উত্তরার সাইদ গ্র্যান্ড সেন্টারে

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ১১:০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩
  • / ১১৩৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের সাইদ গ্র্যান্ড সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তিন ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের ২৪টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ভবনটিতে অগ্নিনির্বাপণে তেমন কোনো ব্যবস্থা না থাকায় একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তারা কোনো কর্ণপাত করেনি।

বুধবার (১১ অক্টোবর) সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণের পর ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন্স অ্যান্ড মেইনটেনেন্স) লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী এসব কথা বলেন।

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ভবনটিতে ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বায়িং হাউজ, বিভিন্ন অফিস, কম্পিউটারের ইউপিএসসহ বিভিন্ন এক্সোসরিজের দোকান ছিল। তবে অগ্নিনির্বাপণের তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না। যা ছিল খুবই সামান্য। আগুন লাগার পর তাও কাজ করেনি।

ট্যাগস :

অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না উত্তরার সাইদ গ্র্যান্ড সেন্টারে

আপডেট সময় : ১১:০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩

রাজধানীর উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের সাইদ গ্র্যান্ড সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তিন ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের ২৪টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ভবনটিতে অগ্নিনির্বাপণে তেমন কোনো ব্যবস্থা না থাকায় একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তারা কোনো কর্ণপাত করেনি।

বুধবার (১১ অক্টোবর) সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণের পর ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন্স অ্যান্ড মেইনটেনেন্স) লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী এসব কথা বলেন।

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ভবনটিতে ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বায়িং হাউজ, বিভিন্ন অফিস, কম্পিউটারের ইউপিএসসহ বিভিন্ন এক্সোসরিজের দোকান ছিল। তবে অগ্নিনির্বাপণের তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না। যা ছিল খুবই সামান্য। আগুন লাগার পর তাও কাজ করেনি।