ঢাকা ০১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অন্যের ক্ষতি করার অধিকার কারও নেই: জয়

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২১
  • / ১০৭১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ‌‘‌প্রত্যেকেরই বাকস্বাধীনতার অধিকার আছে, কিন্তু সে স্বাধীনতা তখনই শেষ হয়ে যায় যখন কেউ মিথ্যা প্রচার করে, অন্যের ক্ষতি করে।’

শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‌‘অন্যের ক্ষতি করার অধিকার কারও নেই।’জয় মনে করেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টুইটার এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মিথ্যাচার ছড়িয়ে সহিংসতা সৃষ্টি করায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে।’তার মতে, ‘এটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাকস্বাধীনতার সীমা।’

তিনি উল্লেখ বলেন, ‘যারা আমাদের ডিজিটাল সুরক্ষা আইন সম্পর্কে অভিযোগ করেন তাদের বলবো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিতে গ্রাহ্য করে।

বাংলাদেশে আমরা বিশ্বাস করি এ দায়িত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া উচিত নয়, বরং আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত।’তিনি চান ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের পাশাপাশি অন্যান্য পশ্চিমা দূতাবাসও এই পোস্টটি নোট করুক।

তার বক্তব্য, ‘আমরা ভবিষ্যতে বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতার বিষয়ে আপনাদের কাছ থেকে কপট বক্তব্য দেখতে চাই না।’

ট্যাগস :

অন্যের ক্ষতি করার অধিকার কারও নেই: জয়

আপডেট সময় : ০৬:২০:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২১

নিউজ ডেস্ক:প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ‌‘‌প্রত্যেকেরই বাকস্বাধীনতার অধিকার আছে, কিন্তু সে স্বাধীনতা তখনই শেষ হয়ে যায় যখন কেউ মিথ্যা প্রচার করে, অন্যের ক্ষতি করে।’

শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‌‘অন্যের ক্ষতি করার অধিকার কারও নেই।’জয় মনে করেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টুইটার এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মিথ্যাচার ছড়িয়ে সহিংসতা সৃষ্টি করায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে।’তার মতে, ‘এটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাকস্বাধীনতার সীমা।’

তিনি উল্লেখ বলেন, ‘যারা আমাদের ডিজিটাল সুরক্ষা আইন সম্পর্কে অভিযোগ করেন তাদের বলবো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিতে গ্রাহ্য করে।

বাংলাদেশে আমরা বিশ্বাস করি এ দায়িত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া উচিত নয়, বরং আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত।’তিনি চান ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের পাশাপাশি অন্যান্য পশ্চিমা দূতাবাসও এই পোস্টটি নোট করুক।

তার বক্তব্য, ‘আমরা ভবিষ্যতে বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতার বিষয়ে আপনাদের কাছ থেকে কপট বক্তব্য দেখতে চাই না।’