ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী Logo যেসব দেশে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার পরও কার্যকর হয়নি Logo শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী Logo জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় রদবদল Logo মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি Logo একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন জামায়াত আমীর Logo ভারতীয় স্পাইসজেটকে আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিলো বাংলাদেশ Logo ঝটিকা মিছিল চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৮ কর্মী আটক Logo ইউনূস সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিতর্ক কেন? Logo প্রথম আলোয় হামলা: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা-ফাওজুল কবীর

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮০

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৬:১৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২০
  • / ১০৭২ বার পড়া হয়েছে

বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধের দশম দিনে মঙ্গলবার আরো ৪০ জন আর্মেনীয় সেনা নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে এই যুদ্ধে আর্মেনীয় সেনাদের মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮০ জনে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রাশিয়ার বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স এমনটি জানিয়েছে।

নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভেতরে হলেও আর্মেনিয়া সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করছে আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। ১৯৮০-এর দশকের শেষদিকে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। ১৯৯১ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মুহূর্তে সংঘর্ষ চূড়ান্ত আকার ধারণ করে। ১৯৯৪ সালে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত এই সংঘর্ষে ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়। ২০১৬ সালের শুরুতে আবার সংঘাতে জড়ায় দুই পক্ষ। সর্বশেষ পুরনো সংঘাত ২৭ সেপ্টেম্বর (রোববার) থেকে নতুন করে শুরু হয়েছে।

আর্মেনিয়া সাবেক সোভিয়েত দেশগুলোর সামরিক জোটের সদস্য। এই জোটের নেতৃত্বে রয়েছে রাশিয়া। এদিকে আর্মেনিয়ার সঙ্গে বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক থাকা তুরস্ক আজারবাইজানের ঘনিষ্ঠ মিত্র। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান আজারবাইজানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, রাশিয়ার সঙ্গে আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে।

সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে শুরু হওয়া আজারবাইজান-আর্মেনিয়া সংঘাতের শুরু থেকেই রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স সংঘাতের অবসান ঘটাতে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে আসছে। এমন অবস্থায় শুক্রবার আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধবিরতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কাজ শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে তারা। তবে সংঘাতে আজারবাইজানকে সমর্থন জানানো তুরস্ক যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা আবারো দাবি করেছে, বিরোধপূর্ণ অঞ্চল থেকে আর্মেনিয়াকে সরে যেতে হবে।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ বলেছেন, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নাগোরনো-কারাবাখ ঘিরে সাম্প্রতিক যে সংঘাত শুরু হয়েছে, তিনিই (এরদোগান) এর প্রধান উসকানিদাতা এবং হোতা। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর অভিযোগের সঙ্গে সুর মিলিয়ে আসাদ বলেন, নাগোরনো-কারাবাখ সংঘাতে লড়তে সিরীয় জিহাদিদের মোতায়েন করেছে তুরস্ক। তবে এই অভিযোগের ব্যাপারে কোনো ধরনের প্রমাণ দিতে পারেননি সিরীয় প্রেসিডেন্ট। আঙ্কারা এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

আর্মেনিয়াও অভিযোগ করেছে, কারাবাখ সংঘাতে আজারবাইজানকে শক্তিশালী করতে উত্তর সিরিয়া থেকে ভাড়াটে সেনা পাঠিয়েছে তুরস্ক। তবে আঙ্কারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮০

আপডেট সময় : ০৬:১৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২০

বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধের দশম দিনে মঙ্গলবার আরো ৪০ জন আর্মেনীয় সেনা নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে এই যুদ্ধে আর্মেনীয় সেনাদের মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮০ জনে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রাশিয়ার বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স এমনটি জানিয়েছে।

নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভেতরে হলেও আর্মেনিয়া সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করছে আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। ১৯৮০-এর দশকের শেষদিকে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। ১৯৯১ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মুহূর্তে সংঘর্ষ চূড়ান্ত আকার ধারণ করে। ১৯৯৪ সালে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত এই সংঘর্ষে ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়। ২০১৬ সালের শুরুতে আবার সংঘাতে জড়ায় দুই পক্ষ। সর্বশেষ পুরনো সংঘাত ২৭ সেপ্টেম্বর (রোববার) থেকে নতুন করে শুরু হয়েছে।

আর্মেনিয়া সাবেক সোভিয়েত দেশগুলোর সামরিক জোটের সদস্য। এই জোটের নেতৃত্বে রয়েছে রাশিয়া। এদিকে আর্মেনিয়ার সঙ্গে বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক থাকা তুরস্ক আজারবাইজানের ঘনিষ্ঠ মিত্র। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান আজারবাইজানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, রাশিয়ার সঙ্গে আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে।

সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে শুরু হওয়া আজারবাইজান-আর্মেনিয়া সংঘাতের শুরু থেকেই রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স সংঘাতের অবসান ঘটাতে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে আসছে। এমন অবস্থায় শুক্রবার আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধবিরতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কাজ শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে তারা। তবে সংঘাতে আজারবাইজানকে সমর্থন জানানো তুরস্ক যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা আবারো দাবি করেছে, বিরোধপূর্ণ অঞ্চল থেকে আর্মেনিয়াকে সরে যেতে হবে।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ বলেছেন, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নাগোরনো-কারাবাখ ঘিরে সাম্প্রতিক যে সংঘাত শুরু হয়েছে, তিনিই (এরদোগান) এর প্রধান উসকানিদাতা এবং হোতা। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর অভিযোগের সঙ্গে সুর মিলিয়ে আসাদ বলেন, নাগোরনো-কারাবাখ সংঘাতে লড়তে সিরীয় জিহাদিদের মোতায়েন করেছে তুরস্ক। তবে এই অভিযোগের ব্যাপারে কোনো ধরনের প্রমাণ দিতে পারেননি সিরীয় প্রেসিডেন্ট। আঙ্কারা এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

আর্মেনিয়াও অভিযোগ করেছে, কারাবাখ সংঘাতে আজারবাইজানকে শক্তিশালী করতে উত্তর সিরিয়া থেকে ভাড়াটে সেনা পাঠিয়েছে তুরস্ক। তবে আঙ্কারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।