ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার ক্ষমতাই নাই মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের! Logo ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo নির্বাচনের পর অনেকাংশ ক্ষেত্রেই মালিকানা ফিরে পেয়েছি: অর্থমন্ত্রী Logo দখলদারদের বিরুদ্ধে হামলা জোরদান করেছে ইরান Logo জ্বালানি ব্যয় মেটাতে ২ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার Logo এক জাহাজ থেকেই ২০ লাখ ডলার টোল আদায় করলো ইরান Logo বঙ্গভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি Logo জীবিত ছেলেকে মৃত দেখিয়ে মামলা: শেখ হাসিনা-কাদেরসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি Logo ইউনূসের মতো অযোগ্য ও বাটপার শাসক হাজার বছরেও আসেনি-আনিস আলমগীর Logo নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চায় আওয়ামী লীগ

ইরফানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তের দায়িত্ব যাচ্ছে ডিবির হাতে

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১২৮ বার পড়া হয়েছে

নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় ধানমণ্ডি থানায় সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে। ধানমণ্ডি জোনের পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আবদুল্লাহিল কাফি গণমাধ্যমকে বলেন, মামলাটি আজ (বুধবার) রাতে অথবা বৃহস্পতিবার সকালে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গত রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে ধানমণ্ডিতে কলাবাগান ক্রসিংয়ের কাছে ঢাকা-৭ আস‌নের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সে‌লি‌মের গাড়ির স‌ঙ্গে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়া‌সিফ আহ‌মেদ খানের মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছিল। এরপরই গাড়ি থেকে ইরফান সে‌লিমসহ তার লোকজন নেমে লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে বেদম পেটান।  রাত সোয়া ১০টার দিকে সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো গাড়ি ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তার মোটরসাইকেল ধানমণ্ডি থানায় জব্দ করা হয়।  পরদিন সোমবার সকাল ৮টায় মারধর ও হত্যা‌চেষ্টার অভি‌যো‌গে ধানম‌ণ্ডি থানায় মামলা দা‌য়ের করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতো ‘ওয়াকিটকি বেজ স্টেশন’ বানান ইরফান

মামলার পরই চকবাজা‌রের ২৬ নম্বর দেবীদাস ঘাট লে‌নে হাজী সেলিমের বাসায় র‍্যাব অভিযান চালায়।  ওই ভবন থেকে লাইসেন্সহীন একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, একটি এয়ারগান, ৪০টি ওয়াকিটকি, একটি হাতকড়া এবং বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়।  এ সময় ইরফান সেলিম ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।  মদ্যপান করায় সে সময় ইরফানকে এক বছর এবং অবৈধভাবে ওয়াকিটকি রাখায় ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।  আর তার দেহরক্ষী জাহিদকে ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মারধর ও হত্যা‌চেষ্টা মামলায় ইরফান সেলিম ও জাহিদুলকে বুধবার তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।  বর্তমানে ধানমণ্ডি থানায় রিমান্ডে রয়েছেন ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লা ও প্রটোকল কর্মকর্তা এবি সিদ্দিক দিপু। 

এর আগে মঙ্গলবার মধ্যরাতে চকবাজার থানায় সেলিম ও জাহিদুলের বিরুদ্ধে চারটি মামলা দায়ের করে র‌্যাব।  হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের কাছ থেকে একটি অবৈধ একটি পিস্তল ও এয়ারগান উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইনে এবং কয়েক বোতল মদ পাওয়ায় মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।  একইভাবে জাহিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল উদ্ধারের অভিযোগে অস্ত্র আইনে এবং ৪০৬টি ইয়াবা উদ্ধারের অভিযোগে মাদক আইনে মামলা করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার এক প্রজ্ঞাপন জারি করে হাজী সেলিমপুত্র ইরফানকে কাউন্সিলর পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।

ইরফানের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তের দায়িত্ব যাচ্ছে ডিবির হাতে

আপডেট সময় : ০৯:১৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০

নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় ধানমণ্ডি থানায় সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে। ধানমণ্ডি জোনের পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আবদুল্লাহিল কাফি গণমাধ্যমকে বলেন, মামলাটি আজ (বুধবার) রাতে অথবা বৃহস্পতিবার সকালে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গত রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে ধানমণ্ডিতে কলাবাগান ক্রসিংয়ের কাছে ঢাকা-৭ আস‌নের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সে‌লি‌মের গাড়ির স‌ঙ্গে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়া‌সিফ আহ‌মেদ খানের মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছিল। এরপরই গাড়ি থেকে ইরফান সে‌লিমসহ তার লোকজন নেমে লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে বেদম পেটান।  রাত সোয়া ১০টার দিকে সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো গাড়ি ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তার মোটরসাইকেল ধানমণ্ডি থানায় জব্দ করা হয়।  পরদিন সোমবার সকাল ৮টায় মারধর ও হত্যা‌চেষ্টার অভি‌যো‌গে ধানম‌ণ্ডি থানায় মামলা দা‌য়ের করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতো ‘ওয়াকিটকি বেজ স্টেশন’ বানান ইরফান

মামলার পরই চকবাজা‌রের ২৬ নম্বর দেবীদাস ঘাট লে‌নে হাজী সেলিমের বাসায় র‍্যাব অভিযান চালায়।  ওই ভবন থেকে লাইসেন্সহীন একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, একটি এয়ারগান, ৪০টি ওয়াকিটকি, একটি হাতকড়া এবং বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়।  এ সময় ইরফান সেলিম ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।  মদ্যপান করায় সে সময় ইরফানকে এক বছর এবং অবৈধভাবে ওয়াকিটকি রাখায় ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।  আর তার দেহরক্ষী জাহিদকে ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মারধর ও হত্যা‌চেষ্টা মামলায় ইরফান সেলিম ও জাহিদুলকে বুধবার তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।  বর্তমানে ধানমণ্ডি থানায় রিমান্ডে রয়েছেন ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লা ও প্রটোকল কর্মকর্তা এবি সিদ্দিক দিপু। 

এর আগে মঙ্গলবার মধ্যরাতে চকবাজার থানায় সেলিম ও জাহিদুলের বিরুদ্ধে চারটি মামলা দায়ের করে র‌্যাব।  হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের কাছ থেকে একটি অবৈধ একটি পিস্তল ও এয়ারগান উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইনে এবং কয়েক বোতল মদ পাওয়ায় মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।  একইভাবে জাহিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল উদ্ধারের অভিযোগে অস্ত্র আইনে এবং ৪০৬টি ইয়াবা উদ্ধারের অভিযোগে মাদক আইনে মামলা করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার এক প্রজ্ঞাপন জারি করে হাজী সেলিমপুত্র ইরফানকে কাউন্সিলর পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।