ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo এক জাহাজ থেকেই ২০ লাখ ডলার টোল আদায় করলো ইরান Logo বঙ্গভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি Logo জীবিত ছেলেকে মৃত দেখিয়ে মামলা: শেখ হাসিনা-কাদেরসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি Logo ইউনূসের মতো অযোগ্য ও বাটপার শাসক হাজার বছরেও আসেনি-আনিস আলমগীর Logo নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চায় আওয়ামী লীগ Logo আরব মিত্রদের কাছে ২৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের Logo বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের আভাস Logo পারমাণবিক হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে জরুরি সরঞ্জাম বিতরণ Logo যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী Logo সউদি আরব যুদ্ধে জড়ালে ব্যবহার হবে পাকিস্তানের পরমাণু

ঈদের পর আসছে প্রথম দেশীয় ব্র্যান্ডের গাড়ি ‘বাংলা কার’

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৫৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

দেশের বাজারে দেশীয় ব্র্যান্ডের গাড়ি আসছে ঈদের পরই। সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও ক্রেতাদের কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে না এ গাড়ির জন্য। ‘বাংলা কার’ নামের গাড়িটি বাজারজাত করছে হোসেন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘বাংলা কারস লিমিটেড’।

আধুনিক সুবিধা মিলবে মাত্র ৩০ লাখ টাকার এ গাড়িতে যা ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ নাম বহন করবে।

করোনার প্রকোপ হ্রাসসহ সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরই দেশীয় ব্র্যান্ড ‘বাংলা গাড়ি’ রফতানিতে যাবে গ্রুপটি। প্রাথমিকভাবে ৩০টি গাড়ি ট্রায়ালে আছে, ইতোমধ্যে ১০টি গাড়ি বিক্রি হয়ে গেছে। তবে গাড়ি বিক্রি কার্যক্রম শুরু হলেও আনুষ্ঠানিক যাত্রা এখনও শুরু হয়নি। সাত সিটের প্রতিটি গাড়ির দাম রাখা হচ্ছে ৩০ লাখ টাকা।

[irp]

প্রথম পর্যায়ে দেশের ৮ বিভাগে আটটি শোরুম ছাড়াও আরও ৩০টি শোরুম খুলতে যাচ্ছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে তেজগাঁও ১৮১-১৮২ নম্বর ঠিকানায় ‘বাংলা কার’ -এর একটি শোরুম উন্মুক্ত করা হয়েছে।

হোসেন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাকির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা দেশীয় ব্র্যান্ড, দেশীয় ডিজাইনে গাড়ি ম্যানুফ্যাচারিংয়ে যাচ্ছি। ইসুজু জাপানিজ ইঞ্জিন, চায়না বডি এবং ইন্দোনেশিয়ার চ্যাসিস দিয়ে গাড়িগুলো তৈরি করছি। ফোটন বা মিতসুবিশি একটা বা দুটি মডেলের গাড়ি তৈরি করতে পারবে কিন্তু বাংলা কারস সব মডেলের গাড়ি তৈরি করতে পারবে।’

 

তিনি বলেন, ‘টয়োটা জাপানি কোম্পানি, হাভেল চায়নিজ কোম্পানি কিন্তু বাংলা কার আমাদের দেশীয় কোম্পানির গাড়ি। টাটার মতো আমরাও দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করব। জুন-জুলাইতে আমাদের আরও গাড়ি আসবে, পুরো বিশ্ব দেখবে মেইড ইন বাংলাদেশের ‘বাংলা গাড়ি।’

‘বাংলা কার তৈরির কারখানা নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটিতে। সেখান থেকে প্রাইভেট কার, ট্রাক, বাস, লরি, পিকআপসহ ১২ ধরনের গাড়ি বাজারজাত করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে রোজার ঈদের পরই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। প্রতিটি গাড়িতে থাকছে ৫ বছরের ওয়ারেন্টি-গ্যারান্টি, ব্যাক টু ব্যাক। প্রতি বছরের নতুন গাড়ি প্রতি বছরের জানুয়ারি মাসেই পেয়ে যাবেন ক্রেতারা।’

 

ট্যাগস :

ঈদের পর আসছে প্রথম দেশীয় ব্র্যান্ডের গাড়ি ‘বাংলা কার’

আপডেট সময় : ১১:১৭:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ

দেশের বাজারে দেশীয় ব্র্যান্ডের গাড়ি আসছে ঈদের পরই। সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকলেও ক্রেতাদের কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে না এ গাড়ির জন্য। ‘বাংলা কার’ নামের গাড়িটি বাজারজাত করছে হোসেন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘বাংলা কারস লিমিটেড’।

আধুনিক সুবিধা মিলবে মাত্র ৩০ লাখ টাকার এ গাড়িতে যা ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ নাম বহন করবে।

করোনার প্রকোপ হ্রাসসহ সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরই দেশীয় ব্র্যান্ড ‘বাংলা গাড়ি’ রফতানিতে যাবে গ্রুপটি। প্রাথমিকভাবে ৩০টি গাড়ি ট্রায়ালে আছে, ইতোমধ্যে ১০টি গাড়ি বিক্রি হয়ে গেছে। তবে গাড়ি বিক্রি কার্যক্রম শুরু হলেও আনুষ্ঠানিক যাত্রা এখনও শুরু হয়নি। সাত সিটের প্রতিটি গাড়ির দাম রাখা হচ্ছে ৩০ লাখ টাকা।

[irp]

প্রথম পর্যায়ে দেশের ৮ বিভাগে আটটি শোরুম ছাড়াও আরও ৩০টি শোরুম খুলতে যাচ্ছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে তেজগাঁও ১৮১-১৮২ নম্বর ঠিকানায় ‘বাংলা কার’ -এর একটি শোরুম উন্মুক্ত করা হয়েছে।

হোসেন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাকির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা দেশীয় ব্র্যান্ড, দেশীয় ডিজাইনে গাড়ি ম্যানুফ্যাচারিংয়ে যাচ্ছি। ইসুজু জাপানিজ ইঞ্জিন, চায়না বডি এবং ইন্দোনেশিয়ার চ্যাসিস দিয়ে গাড়িগুলো তৈরি করছি। ফোটন বা মিতসুবিশি একটা বা দুটি মডেলের গাড়ি তৈরি করতে পারবে কিন্তু বাংলা কারস সব মডেলের গাড়ি তৈরি করতে পারবে।’

 

তিনি বলেন, ‘টয়োটা জাপানি কোম্পানি, হাভেল চায়নিজ কোম্পানি কিন্তু বাংলা কার আমাদের দেশীয় কোম্পানির গাড়ি। টাটার মতো আমরাও দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করব। জুন-জুলাইতে আমাদের আরও গাড়ি আসবে, পুরো বিশ্ব দেখবে মেইড ইন বাংলাদেশের ‘বাংলা গাড়ি।’

‘বাংলা কার তৈরির কারখানা নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটিতে। সেখান থেকে প্রাইভেট কার, ট্রাক, বাস, লরি, পিকআপসহ ১২ ধরনের গাড়ি বাজারজাত করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে রোজার ঈদের পরই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। প্রতিটি গাড়িতে থাকছে ৫ বছরের ওয়ারেন্টি-গ্যারান্টি, ব্যাক টু ব্যাক। প্রতি বছরের নতুন গাড়ি প্রতি বছরের জানুয়ারি মাসেই পেয়ে যাবেন ক্রেতারা।’