এক হচ্ছে ৪ পারমানবিক দেশ:নেতৃত্বে চীন
- আপডেট সময় : ১১:৪৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
- / ১৩৯০ বার পড়া হয়েছে
এক হচ্ছে ৪ পারমানবিক দেশ:নেতৃত্বে চীন
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনের উপর ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কনীতির কারণে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তা কাটাতে অক্টোবরের শেষে ট্রাম্পের এশিয়া সফরে শির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে শুল্ক চুক্তি, টিকটক বিক্রি থেকে শুরু করে ইউক্রেন ইস্যুতে সমাধানের বিষয় আলোচনায় আসতে পারে।
তার আগেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে
বিশেষ সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করেছে চীন। আগামী বুধবার সামরিক এই কুচকাওয়াজে উপস্থিত থাকবেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ ২৬ রাষ্ট্রপ্রধান।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি শুধু চীনের সামরিক শক্তির প্রদর্শনীই নয়, বরং প্রেসিডেন্ট শির জন্য বড় কূটনৈতিক সাফল্যও। কুচকাওয়াজে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আমন্ত্রণ না জানানো এবং কিম জং উনও এর উপস্থিতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তুলেছে। চীনের এই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে, এই খেলার ভূরাজনৈতিক কার্ড তার হাতেই থাকছে। তাহলে কি চীনের নেতৃত্বে এক হচ্ছে ৪ পারমানবিক দেশ?
অপর দিকে ট্রাম্প সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে কিম জং উনের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তার আগেই কিমের সাথে বসছে চীন। মানে কিমের বেইজিং সফরের ঘোষণা প্রমাণ করেছে, দুই দেশের সম্পর্ক এখনও দৃঢ়।
তার আগে আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২দিনের সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সম্মেলন চীনের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দরনগরী থিয়েনচিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সম্মেলন উপলক্ষে এক মঞ্চে থাকবেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরন্দ্রে মোদি।
অতিরিক্ত শুল্ক আরোপকে হাতিয়ার করে বিশ্ব বাণিজ্যকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কার্যকলাপের মধ্যেই শক্তি জানান দিতে এক হচ্ছে এই ৩ পরাশক্তিসহ রাশিয়া, ভারত ও চীনের পাশাপাশি মধ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ২০টিরও বেশি দেশের নেতারা।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রায় সাত বছর পর চীন সফরে যাচ্ছেন। ২০২০ সালে সীমান্ত সংঘাতের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা প্রশমনে পদক্ষেপ নেওয়ায় এ সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ ধরা হচ্ছে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুল্ক আরোপ নিয়ে ট্রাম্পের বাড়াবাড়ি কর্মকাণ্ডের মধ্যেই এক মঞ্চে শি, পুতিন ও মোদির এ উপস্থিতি হবে গ্লোবাল সাউথ বা বৈশ্বিক দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলোর অর্থনীতি, নিরাপত্তাসহ নানা বিষয়ে শক্তিশালী সংহতির দারুণ দৃষ্টান্ত।
এছাড়া এ বৈঠক হবে মার্কিন বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত রাশিয়ার জন্যও একটি কূটনৈতিক বিজয়। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা নেতাদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হলেও পুতিন এখানে মঞ্চ ভাগ করবেন শি জিং পিং ও মোদির সঙ্গে।
















