ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo গুইমারায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo খাগড়াছড়িতে অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের দাবিতে ৪ প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন Logo মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিয়ে মিথ্যাচার কোনোভাবেই কাম্য নয়-মাহদী Logo ১৬ মাসে ৫৬০ হয়রানি, ১১৪৪ সাংবাদিক আক্রান্ত Logo ভোলায় প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ Logo উখিয়ায় বিএনপি ছেড়ে ৫শ নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান Logo প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে তারেক রহমান: দ্য ইকোনমিস্ট Logo খাগড়াছড়ি প্রার্থীদের সাথে খাগড়াছড়িতে সেনা বাহীনির মতবিনিময় Logo খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ৬ প্রার্থীর বৈঠকের গুঞ্জন Logo খাগড়াছড়িতে ২০৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮৫টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ

কিশোরগঞ্জে ভাই-বোনকে হত্যা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩
  • / ১০৩৫ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জে ভাই-বোনকে হত্যা

 

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে জমির সীমানায় গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে আপন দুই ভাই-বোনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে চাচা ও চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার (১৩জুলাই) সকালে উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের পূর্ব কুড়িমারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাহমুদুল হাসান আলমগীর (৩০) ও নাদিরা খাতুন (২১) একই এলাকার শামসুল ইসলামের ছেলে।

 

এ ঘটনায় শামসুল ইসলামের স্ত্রী আছমা খাতুন (৫০), ছেলে হুমায়ুন কবির (২৮) ও মেয়ে সালমা (২০) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা বলেন, পূর্ব কুড়িমারা গ্রামের মৃত হোসেন আলীর দুই ছেলে শামসুল ইসলাম ও আব্দুল কাদিরের মধ্যে জমির সীমানায় গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। আলমগীর এমবিএ পাস করে সিলেট শহরে ব্যবসা করতেন। গত বুধবার রাতে আলমগীর সিলেট থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। আজ সকালে আলমগীর জমির সীমানায় গাছ লাগাতে যান। এ সময় আলমগীরের চাচা আব্দুল কাদির ও তাঁর চাচাতো ভাই আরমানসহ তাঁর অন্য ভাইয়েরা দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। এ সময় আলমগীরের মা, ভাই ও বোনেরা বাঁধা দিলে তাঁদের ওপরও হামলা চালান।

দা ও কুড়ালের কোপে আলমগীর ঘটনাস্থলেই মারা যান। আলমগীরের বাবা শামসুল ইসলাম তাঁর মেয়েকে ফিরিয়ে নেওয়ার সময় আরমান দা দিয়ে কোপ দেন। পরে শামসুল ইসলামের স্ত্রী আছমা খাতুন, মেয়ে নাদিরা, ছেলে হুমায়ুন কবির ও আরেক মেয়ে সালমাকে মমেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। মমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে নাদিরা খাতুন মারা যান।

 

নিহত আলমগীরের স্ত্রী ফাহিমা সুলতানা নীলা বলেন, ‘ঘাতকেরা আমার স্বামীকে খুন করেছে। আমার দেড় বছরের ছেলে আয়ানকে নিয়ে কীভাবে বাঁচব। আমি স্বামী হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।

 

আলমগীরে বাবা শামসুল ইসলাম বলেন, একসঙ্গে আমার দুটি সন্তানকে হত্যা করেছে ভাই আব্দুল কাদির ও তাঁর ছেলেরা। খুনিরা পরিকল্পিতভাবে আমার সাজানো সংসার ধ্বংস করে দিয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ বলেন, মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়া হত্যা মামলা দায়ার করা হয়েছে।

ট্যাগস :

কিশোরগঞ্জে ভাই-বোনকে হত্যা

আপডেট সময় : ০৭:১৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩

কিশোরগঞ্জে ভাই-বোনকে হত্যা

 

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে জমির সীমানায় গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে আপন দুই ভাই-বোনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে চাচা ও চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার (১৩জুলাই) সকালে উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের পূর্ব কুড়িমারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাহমুদুল হাসান আলমগীর (৩০) ও নাদিরা খাতুন (২১) একই এলাকার শামসুল ইসলামের ছেলে।

 

এ ঘটনায় শামসুল ইসলামের স্ত্রী আছমা খাতুন (৫০), ছেলে হুমায়ুন কবির (২৮) ও মেয়ে সালমা (২০) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা বলেন, পূর্ব কুড়িমারা গ্রামের মৃত হোসেন আলীর দুই ছেলে শামসুল ইসলাম ও আব্দুল কাদিরের মধ্যে জমির সীমানায় গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। আলমগীর এমবিএ পাস করে সিলেট শহরে ব্যবসা করতেন। গত বুধবার রাতে আলমগীর সিলেট থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। আজ সকালে আলমগীর জমির সীমানায় গাছ লাগাতে যান। এ সময় আলমগীরের চাচা আব্দুল কাদির ও তাঁর চাচাতো ভাই আরমানসহ তাঁর অন্য ভাইয়েরা দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। এ সময় আলমগীরের মা, ভাই ও বোনেরা বাঁধা দিলে তাঁদের ওপরও হামলা চালান।

দা ও কুড়ালের কোপে আলমগীর ঘটনাস্থলেই মারা যান। আলমগীরের বাবা শামসুল ইসলাম তাঁর মেয়েকে ফিরিয়ে নেওয়ার সময় আরমান দা দিয়ে কোপ দেন। পরে শামসুল ইসলামের স্ত্রী আছমা খাতুন, মেয়ে নাদিরা, ছেলে হুমায়ুন কবির ও আরেক মেয়ে সালমাকে মমেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। মমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে নাদিরা খাতুন মারা যান।

 

নিহত আলমগীরের স্ত্রী ফাহিমা সুলতানা নীলা বলেন, ‘ঘাতকেরা আমার স্বামীকে খুন করেছে। আমার দেড় বছরের ছেলে আয়ানকে নিয়ে কীভাবে বাঁচব। আমি স্বামী হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।

 

আলমগীরে বাবা শামসুল ইসলাম বলেন, একসঙ্গে আমার দুটি সন্তানকে হত্যা করেছে ভাই আব্দুল কাদির ও তাঁর ছেলেরা। খুনিরা পরিকল্পিতভাবে আমার সাজানো সংসার ধ্বংস করে দিয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ বলেন, মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়া হত্যা মামলা দায়ার করা হয়েছে।