কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় রায় ছয়জনের যাবজ্জীবন

7

জেলা প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় ছয় জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়। আজ সোমবার কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- করিমগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়া মোড়লপাড়া গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে লুৎতু (৩০), সোরাব মিয়ার ছেলে শরীফ (২২), মৃত মীর হোসেনের ছেলে সোরাব (৪৫), মৃত হালু মিয়ার ছেলে মুসলিম (৫৫), মুসলিমের স্ত্রী নূরুন্নাহার (৪০) ও সোরাবের স্ত্রী জোসনা (৪০)।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১১ সালের ৪ জুন ভাটিয়া মোড়লপাড়া গ্রামের মৃত আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে আলামিন করিমগঞ্জ থানায় তার বোন রুবাকে (১৮) হত্যা করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, ঘটনার ১৫ দিন আগে একই গ্রামের আব্দুল কুদ্দছের ছেলে শামীমের (২০) সাথে তার বোন রুবার বিয়ে হয়। শামীম তার দাদা-দাদির অসিয়ত রক্ষার্থে অনিচ্ছা স্বত্বেও রুবাকে বিয়ে করেন। ৩ জুন রাত সোয়া ১টার দিকে শামীম তার ঘরে গিয়ে স্ত্রীকে না পেয়ে বিষয়টি আলামিনকে জানায়। পরে রাত পৌনে ২টার দিকে শামীমের বাড়ির পিছনে একটি ছোট ডোবায় রুবার লাশ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে রুবার ভাই আলামিন বাদী হয়ে করিমগঞ্জ থানায় শামীমসহ সাতজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামি শরীফ তার বোন তানিয়াকে শামীমের সাথে বিয়ে দিয়ে শামীমের সম্পত্তি হাতিয়ে নিতেই রুবাকে হত্যা করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করেন বাদী আলামিন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আসামি শরীফ ও তার ভগ্নিপতি লুৎতুসহ অন্যরা পরস্পর যোগসাজসে রুবাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ ডোবায় ফেলে রাখে।

পুলিশ তদন্ত শেষে ছয়জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শামীমকে খালাস দেওয়া হয়।