ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo আবার মাইনাস তৎপরতায় ডিপ স্টেট: মাসুদ কামাল Logo বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপি নিয়ে নতুন ষড়যন্ত্র Logo পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে খাগড়াছড়িতে সংবাদ সম্মেলন Logo পানছড়িতে অবৈধ কাঠ আটক করেছে বিজিবি Logo পানছড়িতে সেনাবাহিনীর মতবিনিময়, উপহার ও চিকিৎসা সেবা প্রদান Logo কিশোরগঞ্জে রওজা মনি হত্যার বিচার দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্ধন Logo ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে রেজাউল করিম খান চুন্নুর সমর্থকদের গণমিছিল Logo পানছড়িতে শিক্ষার্থীর হাতে ওয়াদুদ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের অনুদান তুলে দিলো স্বেচ্ছা সেবক দল Logo পানছড়িতে অসহায়, গরীব ও দুস্থের মাঝে ৩ বিজিবির মানবিক সহায়তা বিতরণ Logo সীমান্ত কার্যক্রম নিয়ে প্রেস বিফ্রিং করেছে পানছড়ি বিজিবি

চাকরি গেল ৬৭৮ শিক্ষকের, ফেরত নেওয়া হবে বেতন-ভাতা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩
  • / ১১৭৬ বার পড়া হয়েছে

চাকরি গেল ৬৭৮ শিক্ষকের, ফেরত নেওয়া হবে বেতন-ভাতা


স্টাফ রিপোর্টারঃ


এমপিওভুক্তির সময় সনদ জালিয়াতি করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী নেওয়া ৬শ ৭৮ শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া অর্থ ফেরত ও ফৌজদারি মামলাসহ সাত দফা শাস্তি কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তদন্তে সনদ জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১৮ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব (অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা) মোঃ সেলিম শিকদার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক যাচাই-বাছাই করে ৬শ ৭৮ জন শিক্ষক-কর্মচারীর জাল সনদ শনাক্ত হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সনদ প্রদানকারী দপ্তর প্রধান/প্রতিনিধি সমন্বয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক/কর্মচারীদের সনদের সত্যতা যাচাই পূর্বক ৬শ ৭৮ জনের জাল সনদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

৬শ ৭৮ জন জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যে সাত ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় সেগুলো হলো-

১।

জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের এমপিও বন্ধ এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে চাকুরীচ্যুত করা।

২।


অবৈধভাবে গ্রহণকৃত বেতন ভাতা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

৩।


যারা অবসরে গেছেন তাদের অবসরের সুবিধা প্রাপ্তি বাতিল করা।

৪।


যারা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছেন তাদের আপত্তির টাকা অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে আদায় করা।

৫।


বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের অবসর ভাতা/কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাল সনদধারীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা।

৬।


জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক ফৌজদারি অপরাধের মামলা দায়ের।

৭।

জাল সনদধারীদের নিয়োগ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ।

ট্যাগস :

চাকরি গেল ৬৭৮ শিক্ষকের, ফেরত নেওয়া হবে বেতন-ভাতা

আপডেট সময় : ১০:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩

চাকরি গেল ৬৭৮ শিক্ষকের, ফেরত নেওয়া হবে বেতন-ভাতা


স্টাফ রিপোর্টারঃ


এমপিওভুক্তির সময় সনদ জালিয়াতি করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী নেওয়া ৬শ ৭৮ শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া অর্থ ফেরত ও ফৌজদারি মামলাসহ সাত দফা শাস্তি কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তদন্তে সনদ জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১৮ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব (অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা) মোঃ সেলিম শিকদার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক যাচাই-বাছাই করে ৬শ ৭৮ জন শিক্ষক-কর্মচারীর জাল সনদ শনাক্ত হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সনদ প্রদানকারী দপ্তর প্রধান/প্রতিনিধি সমন্বয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক/কর্মচারীদের সনদের সত্যতা যাচাই পূর্বক ৬শ ৭৮ জনের জাল সনদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

৬শ ৭৮ জন জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যে সাত ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় সেগুলো হলো-

১।

জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের এমপিও বন্ধ এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে চাকুরীচ্যুত করা।

২।


অবৈধভাবে গ্রহণকৃত বেতন ভাতা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

৩।


যারা অবসরে গেছেন তাদের অবসরের সুবিধা প্রাপ্তি বাতিল করা।

৪।


যারা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছেন তাদের আপত্তির টাকা অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে আদায় করা।

৫।


বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের অবসর ভাতা/কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাল সনদধারীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা।

৬।


জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক ফৌজদারি অপরাধের মামলা দায়ের।

৭।

জাল সনদধারীদের নিয়োগ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ।