ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo এক জাহাজ থেকেই ২০ লাখ ডলার টোল আদায় করলো ইরান Logo বঙ্গভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি Logo জীবিত ছেলেকে মৃত দেখিয়ে মামলা: শেখ হাসিনা-কাদেরসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি Logo ইউনূসের মতো অযোগ্য ও বাটপার শাসক হাজার বছরেও আসেনি-আনিস আলমগীর Logo নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চায় আওয়ামী লীগ Logo আরব মিত্রদের কাছে ২৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের Logo বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের আভাস Logo পারমাণবিক হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে জরুরি সরঞ্জাম বিতরণ Logo যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী Logo সউদি আরব যুদ্ধে জড়ালে ব্যবহার হবে পাকিস্তানের পরমাণু

চেয়ারম্যান ও এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৩:৪০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৩
  • / ১০৬২ বার পড়া হয়েছে

চেয়ারম্যান ও এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলায় নামে-বেনামে প্রকল্প দেখিয়ে ও গোপন কার্যবিবরণীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলের সাড়ে ১৪ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক সরকার এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসি ল্যান্ড মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার খাষকাউলিয়া পশ্চিম জোতপাড়া গ্রামের বেলাল হোসেন জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এডিসি শাখা) পরাগ সাহাকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসক। কমিটিকে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগ ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, চৌহালীতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের সাড়ে ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের কাজ দেখানো হয়েছে। যদিও উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসি, পর্দা, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ, ভবন মেরামত এবং পরিচ্ছন্নতার উপকরণ কেনার মতো প্রকল্পের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই।

প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন কমিটিতে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যদের নাম দেওয়া হয়। একটি প্রকল্পের সভাপতি করা হয় স্থল ইউপি সদস্য সেলিম মিয়া। অনুসন্ধানে এই নামে কোনো ইউপি সদস্য পাওয়া যায়নি।

 

স্থল ইউপির সদস্য ছালমা জাহান ও খাষপুখুরিয়া ইউপি সদস্য নাছিমা খাতুন বলেন, প্রকল্পের কথা বলে উপজেলা পরিষদ থেকে চেকে সই নেওয়া হয়েছে। এরপর তাঁদের সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সম্পর্কে আর কিছু জানানো হয়নি।

এ নিয়ে কথা হলে স্থল ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, স্থল ইউনিয়নে সেলিম মিয়া নামের কোনো ইউপি সদস্য নেই। নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ শেষ করে টাকা উত্তোলন করতে হবে। কিন্তু কাজ না করেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ও বর্তমান এসি ল্যান্ড সাইফুল বলেন, আমি অসুস্থ থাকায় ঠিক সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত সব প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে।

অন্যদিকে অভিযোগগুলো মিথ্যা দাবি করে উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক বলেন, সময়ের স্বল্পতার কারণে জুনের আগে কাজ সমাপ্ত করা যায়নি। এগুলো চলমান রয়েছে। দ্রুতই শতভাগ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

ইউএনও মাহবুব হাসান বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

চেয়ারম্যান ও এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৪০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৩

চেয়ারম্যান ও এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলায় নামে-বেনামে প্রকল্প দেখিয়ে ও গোপন কার্যবিবরণীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলের সাড়ে ১৪ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক সরকার এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসি ল্যান্ড মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার খাষকাউলিয়া পশ্চিম জোতপাড়া গ্রামের বেলাল হোসেন জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এডিসি শাখা) পরাগ সাহাকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসক। কমিটিকে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগ ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, চৌহালীতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের সাড়ে ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের কাজ দেখানো হয়েছে। যদিও উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসি, পর্দা, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ, ভবন মেরামত এবং পরিচ্ছন্নতার উপকরণ কেনার মতো প্রকল্পের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই।

প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন কমিটিতে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যদের নাম দেওয়া হয়। একটি প্রকল্পের সভাপতি করা হয় স্থল ইউপি সদস্য সেলিম মিয়া। অনুসন্ধানে এই নামে কোনো ইউপি সদস্য পাওয়া যায়নি।

 

স্থল ইউপির সদস্য ছালমা জাহান ও খাষপুখুরিয়া ইউপি সদস্য নাছিমা খাতুন বলেন, প্রকল্পের কথা বলে উপজেলা পরিষদ থেকে চেকে সই নেওয়া হয়েছে। এরপর তাঁদের সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সম্পর্কে আর কিছু জানানো হয়নি।

এ নিয়ে কথা হলে স্থল ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, স্থল ইউনিয়নে সেলিম মিয়া নামের কোনো ইউপি সদস্য নেই। নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ শেষ করে টাকা উত্তোলন করতে হবে। কিন্তু কাজ না করেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ও বর্তমান এসি ল্যান্ড সাইফুল বলেন, আমি অসুস্থ থাকায় ঠিক সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত সব প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে।

অন্যদিকে অভিযোগগুলো মিথ্যা দাবি করে উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক বলেন, সময়ের স্বল্পতার কারণে জুনের আগে কাজ সমাপ্ত করা যায়নি। এগুলো চলমান রয়েছে। দ্রুতই শতভাগ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

ইউএনও মাহবুব হাসান বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।