ঢাকা ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo নির্বাচনী ব্যস্ততায় প্রশাসনিক গতি কমেছে, মাঠে ও সচিবালয়ে ঢিলেমি Logo কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে কাউকেই ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo যা থাকবে জামায়েতের নির্বাচনী ইশতেহারে Logo যা থাকবে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে Logo গণভোটে রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতা ও জনগণের সার্বভৌম অধিকার: সংবিধান, সরকার এবং হ্যাঁ/না ভোটের প্রশ্ন Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে

জার্মানিতে আজানের পক্ষে রায়

News Editor
  • আপডেট সময় : ১২:৩১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১১০ বার পড়া হয়েছে

ঘটনাটি ২০১৫ সালের। জার্মানির একটি মসজিদে মাইকে আজান দেওয়ার কারণে নিজের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এক অমুসলিম ব্যক্তি। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে করা ওই অভিযোগ এক পর্যায়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায়। নানা যুক্তি-তর্ক শেষে ৫ বছর পর আদালত আজানের পক্ষে রায় দিয়েছে। তুর্কি অভিবাসীদের ওই মসজিদটিতে এখন থেকে আজানের ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা রইলো না।

আল জাজিরার প্রতিবেদন জানাচ্ছে, মসজিদটির অবস্থান জার্মানির রাইন-ওয়েস্টফেলিয়া রাজ্যের ওরে-এরকেনশিক এলাকায়। মসজিদের ৯০০ মিটারের বাস করতের ওই ব্যক্তি। তার অভিযোগ ছিল, উচ্চস্বরে আজানের জন্য মানুষের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হয়। তবে আদালত তার এই অভিযোগকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে রায় দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃসৌদিতে ৩ দেশের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা

আদালত তার রায়ে বলেছে, প্রত্যেক জাতি বা সম্প্রদায়ের নিজ নিজ ধর্ম চর্চা এবং তা প্রচারের অধিকার রয়েছে। অন্য ধর্মের মানুষের উচিত হবে সেই চর্চা এবং প্রচারে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। এতে যদি সামান্য কষ্ট স্বীকার করতে হয় তাহলেও। অপরাধ হবে তখনই, যখন জোর করে কাউকে ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয় কিংবা ধর্মচর্চা কারো ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে।

জার্মানিতে আজানের পক্ষে রায়

আপডেট সময় : ১২:৩১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

ঘটনাটি ২০১৫ সালের। জার্মানির একটি মসজিদে মাইকে আজান দেওয়ার কারণে নিজের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এক অমুসলিম ব্যক্তি। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে করা ওই অভিযোগ এক পর্যায়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায়। নানা যুক্তি-তর্ক শেষে ৫ বছর পর আদালত আজানের পক্ষে রায় দিয়েছে। তুর্কি অভিবাসীদের ওই মসজিদটিতে এখন থেকে আজানের ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা রইলো না।

আল জাজিরার প্রতিবেদন জানাচ্ছে, মসজিদটির অবস্থান জার্মানির রাইন-ওয়েস্টফেলিয়া রাজ্যের ওরে-এরকেনশিক এলাকায়। মসজিদের ৯০০ মিটারের বাস করতের ওই ব্যক্তি। তার অভিযোগ ছিল, উচ্চস্বরে আজানের জন্য মানুষের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হয়। তবে আদালত তার এই অভিযোগকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে রায় দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃসৌদিতে ৩ দেশের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা

আদালত তার রায়ে বলেছে, প্রত্যেক জাতি বা সম্প্রদায়ের নিজ নিজ ধর্ম চর্চা এবং তা প্রচারের অধিকার রয়েছে। অন্য ধর্মের মানুষের উচিত হবে সেই চর্চা এবং প্রচারে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। এতে যদি সামান্য কষ্ট স্বীকার করতে হয় তাহলেও। অপরাধ হবে তখনই, যখন জোর করে কাউকে ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয় কিংবা ধর্মচর্চা কারো ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে।