দখলদারদের বিরুদ্ধে হামলা জোরদান করেছে ইরান
- আপডেট সময় : ০১:১২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
- / ১০১৪ বার পড়া হয়েছে
দখলদারদের বিরুদ্ধে হামলা জোরদান করেছে ইরান
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
দখলদারদের বিরুদ্ধে হামলা জোরদান করেছে ইরান। তারই অংশ হিসাবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনা লক্ষ্য করে ৭০তম ধাপের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসি চলমান প্রতিশোধমূলক অভিযান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ৭০তম ধাপ বা তরঙ্গের ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছে, সর্বশেষ ধাপে এ অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ও ইসরাইলি শাসনের দখলে থাকা ৫৫টিরও বেশি স্থানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
শনিবার (২১ মার্চ) এক বিবৃতিতে আইআরজিসি এ অভিযানের সর্বশেষ ধাপের শুরুর মুহূর্তগুলোকে বর্ণনা করে বলেছে, লক্ষ্যবস্তু করা এলাকাগুলো জুড়ে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ, আগুনের লেলিহান শিখা এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসের সমাপ্তি উপলক্ষে ঈদুল ফিতরের প্রাক্কালে এই হামলার সময়টি মুসলিমদের জন্য একটি নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থার ভিন্ন এক ভোরের প্রতিফলন ঘটায়।
বিবৃতি অনুযায়ী, এই অভিযানের সময় পাঁচটি মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল; সেগুলো হলো—সৌদি আরবের আল-খারজ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা, কুয়েতের আলী আল-সালেম, ইরাকি কুর্দিস্তানের ইরবিল এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর।
আইআরজিসি জানিয়েছে, ‘কিয়াম’ ও ‘এমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পাশাপাশি ড্রোন ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে। প্রতিশোধের এই পর্যায়টিকে তারা ‘ক্রমিক ক্ষয়সাধন’-এর একটি বিস্তৃত কৌশলের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের অভিযানগুলো অধিকৃত হাইফা বন্দর এবং তেল আবিব শহরের কৌশলগত অঞ্চলগুলোতে কেন্দ্রীভূত ছিল। উল্লেখিত স্থানগুলোর মধ্যে হাদেরা, কিরিয়াত ওনো, সাভিয়ন এবং বেন আমি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এতে বলা হয়, ‘খোররামশাহ-৪’ এবং বহুমুখী ওয়ারহেড সমৃদ্ধ ‘কদর’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছিল, যার ফলে ‘শত্রুর অনুমানের চেয়েও বেশি’ প্রভাব পড়েছে এবং অধিকৃত অঞ্চলগুলোর পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটিয়েছে।
আইআরজিসি প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ বৃদ্ধির বিষয়ে তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, যুদ্ধের এই পর্যায়ে আবারও মনে করিয়ে দেয়া প্রয়োজন যে, আইআরজিসি তার আক্রমণাত্মক কৌশলে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ভূখণ্ড এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনের উৎসকে আগের চেয়েও ভয়াবহ হামলার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করবে।
বিবৃতিতে উপসংহারে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, এই বাহিনীসহ ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সংঘাতের এই পর্যায়ের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। (সূত্র: প্রেস টিভি)।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ






















