ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের পর স্কুলশিক্ষিকাকে হাত-পা বেঁধে হত্যা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১০০০ বার পড়া হয়েছে

ধর্ষণের পর স্কুলশিক্ষিকাকে হাত-পা বেঁধে হত্যা

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ধর্ষণের পর হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে শামসুন্নাহার রুমা নামে এক স্কুলশিক্ষকাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকার একটি বাসা থেকে ওই শিক্ষিকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় তার হাত-পা বাঁধা এবং গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল।

শামসুন্নাহার রুমা চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রামের সোলাইমান আলী মাস্টারের মেয়ে।

পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানান, স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তার একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবার মালিকানাধীন বাসায় বসবাস করছিলেন। পড়াশোনার কারণে ছেলে ঢাকায় থাকায় রুমা একাই বসবাস করছিলেন। এ সুযোগে তার বাড়িতে কয়েকবার চুরির ঘটনাও ঘটে।

তবে পুলিশ জানায়, হত্যার শিকার ওই নারীর সঙ্গে কারো পরকীয়ার সম্পর্ক থাকতে পারে। কারণ হত্যাকারীরা বিনাবাধায় হয়তো শেষ রাতে ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। তারপর সুযোগ বুঝে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

পুলিশ আরও জানায়, যারা তাকে হত্যা করেছে তারা তার পরিচিত হতে পারে। সেই কারণে বিনা বাধায় বাড়ির দরজা খোলা পেয়ে ঘরে ঢোকে। তার ঘরের ডিপ ফ্রিজের উপর দুটি কনডমও পাওয়া গেছে। তবে হত্যাকারীরা ঘটনা আড়াল করতে এসব রেখেও যেতে পারে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, হত্যার মোটিভ নিয়ে পুলিশের ক্রাইমসিন কাজ করছে। এখন পর্যন্ত হত্যার কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।

ট্যাগস :

ধর্ষণের পর স্কুলশিক্ষিকাকে হাত-পা বেঁধে হত্যা

আপডেট সময় : ১০:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ধর্ষণের পর স্কুলশিক্ষিকাকে হাত-পা বেঁধে হত্যা

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ধর্ষণের পর হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে শামসুন্নাহার রুমা নামে এক স্কুলশিক্ষকাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকার একটি বাসা থেকে ওই শিক্ষিকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় তার হাত-পা বাঁধা এবং গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল।

শামসুন্নাহার রুমা চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রামের সোলাইমান আলী মাস্টারের মেয়ে।

পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানান, স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তার একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবার মালিকানাধীন বাসায় বসবাস করছিলেন। পড়াশোনার কারণে ছেলে ঢাকায় থাকায় রুমা একাই বসবাস করছিলেন। এ সুযোগে তার বাড়িতে কয়েকবার চুরির ঘটনাও ঘটে।

তবে পুলিশ জানায়, হত্যার শিকার ওই নারীর সঙ্গে কারো পরকীয়ার সম্পর্ক থাকতে পারে। কারণ হত্যাকারীরা বিনাবাধায় হয়তো শেষ রাতে ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। তারপর সুযোগ বুঝে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

পুলিশ আরও জানায়, যারা তাকে হত্যা করেছে তারা তার পরিচিত হতে পারে। সেই কারণে বিনা বাধায় বাড়ির দরজা খোলা পেয়ে ঘরে ঢোকে। তার ঘরের ডিপ ফ্রিজের উপর দুটি কনডমও পাওয়া গেছে। তবে হত্যাকারীরা ঘটনা আড়াল করতে এসব রেখেও যেতে পারে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, হত্যার মোটিভ নিয়ে পুলিশের ক্রাইমসিন কাজ করছে। এখন পর্যন্ত হত্যার কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।