নওগাঁয় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাঁধা, সংঘর্ষে আহত ৫০

196

নওগাঁ প্রতিনিধি:

নওগাঁয় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনায় পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই, ডিএসবিসহ বিএনপির প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এঘটনায় গুরুতর আহত বিএনপির পাঁচ কর্মীকে উন্নতর চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় নওগাঁ শহরে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। মঙ্গলবার দুপুরে ৩০ মার্চ বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পুলিশের গুলিতে হেফাজত কর্মীদের নিহতের ঘটনার প্রতিবাদে নওগাঁ জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

জেলা যুবদলের সভাপতি বাইজিদ হোসেন পলাশ বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্বে দেন। বিক্ষোভ মিছিল চলাকালীন সময়ে পুলিশ হঠাৎ বাঁধা দিলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বাক-বিতন্ডা শুরু হয়। এর একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হলে কে. ডির মোড় রণক্ষেত্রে পরিনত হয়।

পুলিশ বিক্ষাভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট, এবং টিয়ারগ্যাস ছোঁড়ে। ক্ষুব্ধ বিএনপির কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোঁড়ে। এসময় কে.ডির মোড় ও আশপাশের কয়েকটি দোকানের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

বিএনপির কর্মীরা একটি মোটরসাইকেল ও একটি গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে নওগাঁর পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে জেলা যুবদলের সভাপতি বায়েজিদ হোসেন পলাশ জানান, দলীয় কর্যালয়ের সামনে তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল করছিলেন।

এসময় পুলিশ মিছিলে বাঁধা দিয়ে হামলা চালায়। তিনি জানান, পুলিশের গুলিতে জেলা যুবদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর ইসলাম মিলি গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সেখানে আমাদের আরও ছয় নেতা-কর্মী উন্নতর চিকিৎসা নিচ্ছেন।

নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রকিবুল আক্তার জানান, বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী উসকানিমূলক স্লোগান দেয়।

এরপর তারা পুলিশের উপর আক্রমণ করে। এ সময় পুলিশের সাতজন আহত হয়েছেন।