ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নদীতে মাসে গড়ে মিলছে ৪৩ মরদেহ, পরিচয় শনাক্ত হচ্ছে না ৩০ শতাংশের

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১১:২২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১২৮৫ বার পড়া হয়েছে

নদীতে মাসে গড়ে মিলছে ৪৩ মরদেহ, পরিচয় শনাক্ত হচ্ছে না ৩০ শতাংশের

স্টাফ রিপোর্টারঃ

চলতি বছর প্রতিমাসে গড়ে নদীগুলোতে ৪৩টি করে মরদেহ পাওয়া গেছে। যা গত বছর ছিলো ৩৭টি। এসব মরদেহের ৩০ শতাংশের কোনো পরিচয়ই মেলেনি এখন পর্যন্ত। নৌ পুলিশের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

হিসেব বলছে, মৃত্যুর অনেক সময় পর মরদেহ পাওয়া আর জনবল-লজিস্টিক সংকটে অনেকটাই বেগ পেতে হয় এসব মরদেহ শনাক্ত করতে।

২৩ আগস্ট শনিবার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী কেরাণীগঞ্জের মীরেরবাগ এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় গলায় কালো রঙের কাপড় প্যাঁচানো এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি উদ্ধারের এক ঘণ্টা পরে একইস্থান থেকে ওড়না দিয়ে প্যাঁচানো অবস্থায় এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। একইদিন এক যুবকের হাতের সঙ্গে যুবতীর এক হাত বাঁধা অবস্থায় বুড়িগঙ্গা নদী থেকেই উদ্ধার করা হয় দুজনের মরদেহ।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে ৪শ ৪০টি মরদেহ পাওয়া যায় নদীতে। যার মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ২শ ৯৯টি, আর পরিচয় মেলেনি ১শ ৪১টির। অন্যদিকে চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে মরদেহ পাওয়া গেছে ৩শ ১টি। এর মধ্যে ৯২টি শনাক্ত করা যায়নি।

ঢাকা অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চলতি বছর প্রতিমাসে গড়ে ৪৩টি করে মরদেহ পাওয়া গেছে নদীগুলোতে। তবে এ সংখ্যা আগের বছর ছিল ৩৭। এসব মরদেহের ৩০ শতাংশের কোনো পরিচয়ই মেলেনি এখন পর্যন্ত। নদীতে যেসব মরদেহ পাওয়া যায় সেগুলো অনেকদিন আগের হওয়াতে গলে-পচে যায়। আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া যায় না। চেহারাও বিকৃত হয়ে যায়। তাই অনেক সময় শনাক্ত করা সম্ভব হয় না।

ট্যাগস :

নদীতে মাসে গড়ে মিলছে ৪৩ মরদেহ, পরিচয় শনাক্ত হচ্ছে না ৩০ শতাংশের

আপডেট সময় : ১১:২২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

নদীতে মাসে গড়ে মিলছে ৪৩ মরদেহ, পরিচয় শনাক্ত হচ্ছে না ৩০ শতাংশের

স্টাফ রিপোর্টারঃ

চলতি বছর প্রতিমাসে গড়ে নদীগুলোতে ৪৩টি করে মরদেহ পাওয়া গেছে। যা গত বছর ছিলো ৩৭টি। এসব মরদেহের ৩০ শতাংশের কোনো পরিচয়ই মেলেনি এখন পর্যন্ত। নৌ পুলিশের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

হিসেব বলছে, মৃত্যুর অনেক সময় পর মরদেহ পাওয়া আর জনবল-লজিস্টিক সংকটে অনেকটাই বেগ পেতে হয় এসব মরদেহ শনাক্ত করতে।

২৩ আগস্ট শনিবার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী কেরাণীগঞ্জের মীরেরবাগ এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় গলায় কালো রঙের কাপড় প্যাঁচানো এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি উদ্ধারের এক ঘণ্টা পরে একইস্থান থেকে ওড়না দিয়ে প্যাঁচানো অবস্থায় এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। একইদিন এক যুবকের হাতের সঙ্গে যুবতীর এক হাত বাঁধা অবস্থায় বুড়িগঙ্গা নদী থেকেই উদ্ধার করা হয় দুজনের মরদেহ।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে ৪শ ৪০টি মরদেহ পাওয়া যায় নদীতে। যার মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ২শ ৯৯টি, আর পরিচয় মেলেনি ১শ ৪১টির। অন্যদিকে চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে মরদেহ পাওয়া গেছে ৩শ ১টি। এর মধ্যে ৯২টি শনাক্ত করা যায়নি।

ঢাকা অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চলতি বছর প্রতিমাসে গড়ে ৪৩টি করে মরদেহ পাওয়া গেছে নদীগুলোতে। তবে এ সংখ্যা আগের বছর ছিল ৩৭। এসব মরদেহের ৩০ শতাংশের কোনো পরিচয়ই মেলেনি এখন পর্যন্ত। নদীতে যেসব মরদেহ পাওয়া যায় সেগুলো অনেকদিন আগের হওয়াতে গলে-পচে যায়। আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া যায় না। চেহারাও বিকৃত হয়ে যায়। তাই অনেক সময় শনাক্ত করা সম্ভব হয় না।