ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারীপাচার চক্রের অন্যতম হোতা ‘রাফি’ গ্রেপ্তার

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৩:০৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১
  • / ১০৮২ বার পড়া হয়েছে

নারীপাচার চক্রের অন্যতম হোতা ‘রাফি’ গ্রেপ্তার


অনলাইন
ডেস্কঃ সম্প্রতি ভারতে নারীপাচার ও সেখানে পৈশাচিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এ চক্রের মূলহোতাসহ চারজনকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।সোমবার (৩১ মে) দিনগত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান জানান, পার্শ্ববর্তী দেশে নারী পাচার এবং সম্প্রতি বাংলাদেশি তরুণীকে পৈশাচিক নির্যাতনের  ঘটনায় আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্রের অন্যতম মূল হোতা আশরাফুল মন্ডল ওরফে বস রাফি ও তার সহযোগী ম্যাডাম সাহিদাসহ পাচার চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ জুন) বিকেল ৫ টায় রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

ভারতে বাংলাদেশী ওই তরুণীকে যৌন নির্যাতন ও ভিডিও ধারণ করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৭ মে) হাতিরঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন মেয়ের বাবা। প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ থাকা মেয়েকে ভিডিও দেখে শনাক্ত করে মামলা দায়ের করেন তিনি।

[irp]

এর আগে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগ জানায়, সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের এক তরুণীকে ভারতের কেরেলা রাজ্যে যৌন নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় ঢাকা হাতিরঝিলের রিফাদুল ইসলাম হৃদয় (২৬) নামে এক যুবকে শনাক্ত করে পুলিশ।

সে সময় তেজগাঁও বিভাগের ডিসি মো. শহিদুল্লাহ জানান, গত কয়েকদিন ধরে ভারতে ধারণ করা তরুনীকে নির্যাতনোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ভিডিওটির সূত্র ধরে তদন্তের একপর্যায়ে জানা যায়, নির্যাতনকারী ওই যুবকের নাম রিফাদুল ইসলাম হৃদয়। নিজ এলাকা হাতিরঝিলে টিকটক হৃদয় হিসেবে পরিচিত রিফাতুল ইসলাম হৃদয়কে তার পরিবারের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়।

পরে পুলিশ জানায়, টিকটক ভিডিও তৈরি করতে গিয়ে তরুন-তরুনীরা পারস্পরিক পরিচয়ের সূত্র ধরে একটি ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত হয়। আর এমন কিছু গ্রুপের অ্যাডমিনরাই মূলত আন্তর্জাতিক নারীপাচার চক্রের সদস্য। যার মাধ্যমে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া বখে যাওয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে গৃহিনীদের টার্গেট করে বিদেশে চাকরির প্রলোভনে পাচার করা হয়।

ঘটনার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, এই নারীপাচার চক্রটির নেটওয়ার্ক অনেক বিস্তৃত। দেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চল, ভরতের কিছু এলাকাসহ দুবাই এবং মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে নেটওয়ার্কটি বিস্তৃত।

[irp]

ট্যাগস :

নারীপাচার চক্রের অন্যতম হোতা ‘রাফি’ গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৩:০৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১

নারীপাচার চক্রের অন্যতম হোতা ‘রাফি’ গ্রেপ্তার


অনলাইন
ডেস্কঃ সম্প্রতি ভারতে নারীপাচার ও সেখানে পৈশাচিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এ চক্রের মূলহোতাসহ চারজনকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।সোমবার (৩১ মে) দিনগত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান জানান, পার্শ্ববর্তী দেশে নারী পাচার এবং সম্প্রতি বাংলাদেশি তরুণীকে পৈশাচিক নির্যাতনের  ঘটনায় আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্রের অন্যতম মূল হোতা আশরাফুল মন্ডল ওরফে বস রাফি ও তার সহযোগী ম্যাডাম সাহিদাসহ পাচার চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ জুন) বিকেল ৫ টায় রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

ভারতে বাংলাদেশী ওই তরুণীকে যৌন নির্যাতন ও ভিডিও ধারণ করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৭ মে) হাতিরঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন মেয়ের বাবা। প্রায় এক বছর ধরে নিখোঁজ থাকা মেয়েকে ভিডিও দেখে শনাক্ত করে মামলা দায়ের করেন তিনি।

[irp]

এর আগে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগ জানায়, সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের এক তরুণীকে ভারতের কেরেলা রাজ্যে যৌন নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় ঢাকা হাতিরঝিলের রিফাদুল ইসলাম হৃদয় (২৬) নামে এক যুবকে শনাক্ত করে পুলিশ।

সে সময় তেজগাঁও বিভাগের ডিসি মো. শহিদুল্লাহ জানান, গত কয়েকদিন ধরে ভারতে ধারণ করা তরুনীকে নির্যাতনোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ভিডিওটির সূত্র ধরে তদন্তের একপর্যায়ে জানা যায়, নির্যাতনকারী ওই যুবকের নাম রিফাদুল ইসলাম হৃদয়। নিজ এলাকা হাতিরঝিলে টিকটক হৃদয় হিসেবে পরিচিত রিফাতুল ইসলাম হৃদয়কে তার পরিবারের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়।

পরে পুলিশ জানায়, টিকটক ভিডিও তৈরি করতে গিয়ে তরুন-তরুনীরা পারস্পরিক পরিচয়ের সূত্র ধরে একটি ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত হয়। আর এমন কিছু গ্রুপের অ্যাডমিনরাই মূলত আন্তর্জাতিক নারীপাচার চক্রের সদস্য। যার মাধ্যমে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া বখে যাওয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে গৃহিনীদের টার্গেট করে বিদেশে চাকরির প্রলোভনে পাচার করা হয়।

ঘটনার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, এই নারীপাচার চক্রটির নেটওয়ার্ক অনেক বিস্তৃত। দেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চল, ভরতের কিছু এলাকাসহ দুবাই এবং মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে নেটওয়ার্কটি বিস্তৃত।

[irp]