ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ৩ বছর মেয়াদি প্রকল্প

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:১৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • / ১১০৯ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ৩ বছর মেয়াদি প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে একসঙ্গে কাজ করবে সরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবং জাতিসংঘ। এ জন্য নেওয়া হয়েছে তিন বছর মেয়াদি প্রকল্প ‘ব্যালট’।

গতকাল বুধবার (২৮ মে) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), নির্বাচন কমিশন এবং ইউএনডিপি গতকাল এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। নির্বাচন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার, ভোটারদের সচেতনতা ও নাগরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য ব্যালট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া আইনি ও নির্বাচনী সংস্কার বাস্তবায়ন, নির্বাচনী সহিংসতা ও মিথ্যা তথ্য প্রচার রোধ এবং সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

এই প্রকল্পের কাজ হবে দুই ধাপে। প্রথম ধাপে প্রযুক্তিগত, কারিগরি প্রস্তুতি এবং ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর উপায় নিয়ে কাজ হবে। দ্বিতীয় ধাপের লক্ষ্য সংস্কার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং নির্বাচনী কাজের পর গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা জোরদার করা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ইসি, ইউএন উইমেন, ইউনেস্কো এবং সুশীল সমাজের সঙ্গে মিলে কাজ করা হবে।

ইআরডির সচিব মোঃ শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এই চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

ট্যাগস :

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ৩ বছর মেয়াদি প্রকল্প

আপডেট সময় : ০১:১৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ৩ বছর মেয়াদি প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে একসঙ্গে কাজ করবে সরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসি) এবং জাতিসংঘ। এ জন্য নেওয়া হয়েছে তিন বছর মেয়াদি প্রকল্প ‘ব্যালট’।

গতকাল বুধবার (২৮ মে) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), নির্বাচন কমিশন এবং ইউএনডিপি গতকাল এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। নির্বাচন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার, ভোটারদের সচেতনতা ও নাগরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য ব্যালট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া আইনি ও নির্বাচনী সংস্কার বাস্তবায়ন, নির্বাচনী সহিংসতা ও মিথ্যা তথ্য প্রচার রোধ এবং সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

এই প্রকল্পের কাজ হবে দুই ধাপে। প্রথম ধাপে প্রযুক্তিগত, কারিগরি প্রস্তুতি এবং ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর উপায় নিয়ে কাজ হবে। দ্বিতীয় ধাপের লক্ষ্য সংস্কার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং নির্বাচনী কাজের পর গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা জোরদার করা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ইসি, ইউএন উইমেন, ইউনেস্কো এবং সুশীল সমাজের সঙ্গে মিলে কাজ করা হবে।

ইআরডির সচিব মোঃ শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এই চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।