ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন সরকারের অগ্রাধিকারে রাখার দাবি

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / ১০০৩ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন সরকারের অগ্রাধিকারে রাখার দাবি

স্টাফ রিপোর্টারঃ

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির তালিকায় রাখতে দাবি জানিয়েছেন ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন’। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অ-পাহাড়ি প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার ও দপ্তর পুনর্বন্টনের দাবিও জানানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারী) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়কারী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ সশস্ত্র সংঘাতের অবসানে ধারাবাহিক ২৬ দফা বৈঠকের মাধ্যমে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি আজও পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। গত ২৮ বছর ধরে চুক্তির মৌলিক ধারাগুলো অবাস্তবায়িত থাকায় পাহাড়ের আদিবাসী জনগণের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে আছে এবং নাগরিক সমাজে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।’

নবগঠিত সরকার ১৮০ দিনের কর্মসূচীর মাধ্যমে নানাক্ষেত্রে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার ঘোষিত এই কর্মসূচীতে বাংলাদেশের এক দশমাংশ জায়গাজুড়ে অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার তালিকায় থাকবে।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি তাদের ৩১ দফা কর্মসূচীর মাধ্যমে বহুজাতির সম্প্রীতিমূলক সমন্বিত রাষ্ট্রসত্তা বা রেইনবো নেশন বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর বুনিয়াদ মজবুত করার লক্ষ্যে সরকারের উচিত হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রীকে পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া এবং দপ্তর পুনর্বণ্টন করা।’

‘আমরা প্রত্যাশা রাখব ২০০১ সালে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া যেমনি রাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকা রেখেছিলেন ঠিক তেমনি তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সচল রাখতে বিচক্ষণ ভূমিকা রাখবেন।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়কারী জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী দীপায়ন খীসা, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরসহ অন্যরা।

যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

‘পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ী জনগোষ্ঠী ও সেটেলার বাঙালিদের মধ্যে একটি বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতি বিদ্যমান। সেই বিরোধকে টিকিয়ে রেখে পাহাড়কে অশান্ত করার কোনো চিন্তা আমরা করতে চাই না। কাজেই এই চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নই হবে এ এলাকায় শান্তি ও স্তিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার একমাত্র উদ্যোগ।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার করে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দিতেও সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন তিনি।

মানবাধিকার কর্মী দীপায়ন খীসা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির নির্দিষ্ট ধারা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ আছে পাহাড়িদের মধ্যে থেকেই মন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি। তাই চুক্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ পদক্ষেপ নিতেও তিনি সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন।

দীপায়ন খীসা আরও বলেন, ‘২০০১ সালে বিএনপি সরকারের সময় পার্বত্য জেলা পরিষদে সর্বাধিক বিভাগ ও দপ্তর হস্তান্তর করা হয়েছিল। বিএনপি বর্তমান নেতৃত্বে থাকা তারেক রহমান পাহাড় ও সমতলের সকল মানুষের অধিকার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছিলেন। একই সঙ্গে বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচিতে রেইনবো নেশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। কাজেই আমরা আশা রাখবো আগামীতে এ বিষয়গুলোর প্রতিফলন সরকারের কর্মসূচীতে থাকবে।’

সরকার ঘোষিত অঙ্গীকার ও চুক্তির বিধানসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে পাঁচটি দাবি তুলে ধরা হয়। সেগুলো হলো, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ভিত্তিক কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ; অনতিবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ কমিটি পুনর্গঠন; দ্রুততম সময়ে পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনকে কার্যকর করা; অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সঙ্গে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সংলাপ আয়োজন করা এবং চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রীকে মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যাহার করে দপ্তর পুনর্বণ্টন করা।

ট্যাগস :

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন সরকারের অগ্রাধিকারে রাখার দাবি

আপডেট সময় : ০৭:১৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন সরকারের অগ্রাধিকারে রাখার দাবি

স্টাফ রিপোর্টারঃ

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির তালিকায় রাখতে দাবি জানিয়েছেন ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন’। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অ-পাহাড়ি প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার ও দপ্তর পুনর্বন্টনের দাবিও জানানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারী) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়কারী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ সশস্ত্র সংঘাতের অবসানে ধারাবাহিক ২৬ দফা বৈঠকের মাধ্যমে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি আজও পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। গত ২৮ বছর ধরে চুক্তির মৌলিক ধারাগুলো অবাস্তবায়িত থাকায় পাহাড়ের আদিবাসী জনগণের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে আছে এবং নাগরিক সমাজে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।’

নবগঠিত সরকার ১৮০ দিনের কর্মসূচীর মাধ্যমে নানাক্ষেত্রে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার ঘোষিত এই কর্মসূচীতে বাংলাদেশের এক দশমাংশ জায়গাজুড়ে অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার তালিকায় থাকবে।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি তাদের ৩১ দফা কর্মসূচীর মাধ্যমে বহুজাতির সম্প্রীতিমূলক সমন্বিত রাষ্ট্রসত্তা বা রেইনবো নেশন বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর বুনিয়াদ মজবুত করার লক্ষ্যে সরকারের উচিত হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রীকে পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া এবং দপ্তর পুনর্বণ্টন করা।’

‘আমরা প্রত্যাশা রাখব ২০০১ সালে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া যেমনি রাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকা রেখেছিলেন ঠিক তেমনি তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সচল রাখতে বিচক্ষণ ভূমিকা রাখবেন।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়কারী জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী দীপায়ন খীসা, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরসহ অন্যরা।

যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

‘পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ী জনগোষ্ঠী ও সেটেলার বাঙালিদের মধ্যে একটি বিরোধপূর্ণ পরিস্থিতি বিদ্যমান। সেই বিরোধকে টিকিয়ে রেখে পাহাড়কে অশান্ত করার কোনো চিন্তা আমরা করতে চাই না। কাজেই এই চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নই হবে এ এলাকায় শান্তি ও স্তিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার একমাত্র উদ্যোগ।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহার করে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দিতেও সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন তিনি।

মানবাধিকার কর্মী দীপায়ন খীসা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির নির্দিষ্ট ধারা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ আছে পাহাড়িদের মধ্যে থেকেই মন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি। তাই চুক্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ পদক্ষেপ নিতেও তিনি সরকারের প্রতি অনুরোধ করেন।

দীপায়ন খীসা আরও বলেন, ‘২০০১ সালে বিএনপি সরকারের সময় পার্বত্য জেলা পরিষদে সর্বাধিক বিভাগ ও দপ্তর হস্তান্তর করা হয়েছিল। বিএনপি বর্তমান নেতৃত্বে থাকা তারেক রহমান পাহাড় ও সমতলের সকল মানুষের অধিকার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছিলেন। একই সঙ্গে বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচিতে রেইনবো নেশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। কাজেই আমরা আশা রাখবো আগামীতে এ বিষয়গুলোর প্রতিফলন সরকারের কর্মসূচীতে থাকবে।’

সরকার ঘোষিত অঙ্গীকার ও চুক্তির বিধানসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে পাঁচটি দাবি তুলে ধরা হয়। সেগুলো হলো, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ভিত্তিক কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ; অনতিবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ কমিটি পুনর্গঠন; দ্রুততম সময়ে পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনকে কার্যকর করা; অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সঙ্গে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সংলাপ আয়োজন করা এবং চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রীকে মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যাহার করে দপ্তর পুনর্বণ্টন করা।