পাহাড়ে দেশবিরোধীরা সন্ত্রাস করছে মাটিরাঙ্গায়-কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

38

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছ/খাগড়াছড়িঃ

খাগড়াছড়িসহ পাহাড়ে দেশ বিরোধী পাকিস্তানের দোসরা সন্ত্রাস কায়েম করছে বলে মন্তব্য করেছেন খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।তিনি আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদে এক সম্প্রীতি সমাবেশে এসব কথা বলেন।

এতে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল আজিজসহ উর্ধতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি হেডম্যান, কার্বারীগন। বক্তারা পাহাড়ে শান্তি বজায় রাখতে সকলে ভাই ভাই হিসেবে সম্প্রীতি বজায় রেখে ৭১ সালের মত ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসীদের রুখে দেওয়ার আহবান জানান।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন যামিনী পাড়া জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মিজানুর রহমান , মাটিরাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ূন মোর্শেদ খান, জেলা পরিষদের সদস্য আঃ জব্বার, মাঈন উদ্দিন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও জেলা-উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য যে পাহাড়ে ধারাবাহিক সন্ত্রাসী তৎপরতার অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বাঙ্গালী কৃষকদের উপর হামলা চালিয়ে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাটিরাঙ্গার তাইন্দং-তবলছড়িতে স্থানীয় বাঙ্গালীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। রোববার পার্বত্য খাগড়াছড়ির সীমান্তবর্তী মাটিরাঙা উপজেলার তবলছড়ির লাইফু কার্বারী পাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় বাঙালীরা লাইফু কার্বারীপাড়া ও আশেপাশের এলাকায় নিজেদের জমিতে চাষাবাদ করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় স্থানীয়রা ঘটনার দিন লাইফু কার্বারী পাড়া এলাকায় কচু চাষের জন্য টিলা ভুমিতে কাজ করতে গেলে ইউপিডিএফের ৩০/৩৫ জন স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী তাদেরকে বাঁধা প্রদান করে। এসময় ভবিষ্যতে জমিতে না আসারও হুমকি দেয় সন্ত্রাসীরা।

তাদের বাঁধা উপেক্ষা করে যার যার জমিতে কাজ করতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাদেরকে মারধর করতে শুরু করে। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা ৬০/৭০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে আতঙ্ক তৈরী করে। এসময় বাঙালী চাষীরা নিজেদের পাহাড় ছেড়ে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে।

তারপর পরের দিন আবারো সন্ত্রাসীরা নানা উস্কানিমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তাই আতঙ্ক কাটাতে আজকে পাহাড়ি বাঙ্গালীদের নিয়ে সম্প্রীতির সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।