DoinikAstha Epaper Version
ঢাকারবিবার ১৪ই জুলাই ২০২৪
ঢাকারবিবার ১৪ই জুলাই ২০২৪

আজকের সর্বশেষ সবখবর

পুলিশকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশে সংবাদমাধ্যমকে সতর্ক থাকার অনুরোধ

Abdullah
জুন ২১, ২০২৪ ১১:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পুলিশকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশে সংবাদমাধ্যমকে সতর্ক থাকার অনুরোধ

আস্থা ডেস্কঃ

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ‘অতিরঞ্জিত রিপোর্ট’ আখ্যা দিয়ে এসবের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

আজ শুক্রবার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানায় পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এছাড়াও কোনো কোনো মিডিয়া হাউস ব্যক্তিগত আক্রোশ ও নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় কোনো কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবমাননাকর নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করছে, যা সাংবাদিকতার নীতিমালাবিরোধী।

এতে আরও বলা হয়, স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তি এবং গণতন্ত্র ও দেশবিরোধী চক্র নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড যেমন ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজি ও পেট্রোল বোমাবাজদের প্রতিহত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সফলতা দেখিয়েছে। সে কারণে ওই গোষ্ঠী প্রতিপক্ষ বিবেচনায় প্রতিনিয়ত পুলিশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক সমালোচনায় লিপ্ত। স্বাধীনতা ও দেশবিরোধী চক্র তাদের দোসর বিদেশে পলাতক সাইবার সন্ত্রাসীরা ধারাবাহিকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত তথ্য প্রকাশ করে পুলিশ কর্মকর্তাদের চরিত্র হননে ব্যস্ত। তাদেরই অনুকরণে ইদানীং কোনো কোনো গণমাধ্যম বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান ও সাবেক সদস্য সম্পর্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মানহানিকর নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করছে, যা বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার হীন উদ্দেশ্য বলে প্রতীয়মান।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ ধরনের রিপোর্টের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই। তথ্যসূত্রবিহীন বাস্তবতা বিবর্জিত অতিকথিত এ ধরনের রিপোর্টে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদার সদস্যদের মনোবল ক্ষুণ্নের পাশাপাশি পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। পলাতক সাইবার সন্ত্রাসীদের অনুপ্রেরণায় বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদার ভূমিকাকে জনসমক্ষে প্রশ্নবিদ্ধ করে পুলিশকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জন্য কতিপয় মিডিয়া অত্যন্ত সচেতনভাবে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে এক ধরনের কুৎসিত প্রচার যজ্ঞে শামিল হয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এমতাবস্থায়, কী কারণে, কার উদ্দেশ্য হাসিল এবং কার ম্যানডেট বাস্তবায়নের জন্য কতিপয় মিডিয়া বাংলাদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে এ ধরনের কুৎসা রটনায় লিপ্ত, সেই প্রশ্ন উত্থাপন করা অযৌক্তিক নয়।

বাংলাদেশ পুলিশ দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে আসছে। কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হয় না। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হয়।

আরো পড়ুন :  তিস্তা প্রকল্পে চীন-ভারত একসঙ্গে কাজ করতে রাজি: প্রতিমন্ত্রী

ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আমরা বিশ্বাস করি, গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ। গণমাধ্যম দ্বারা গঠনমূলক সমালোচনাকে আমরা বরাবরই স্বাগত জানাই। কিন্তু গণমাধ্যমে কোনো খণ্ডিত বা আংশিক সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ করতে চাই। গণমাধ্যমে কোনো ঘটনার সামগ্রিক চিত্র উঠে আসুক, সত্য উন্মোচিত হোক। গণমাধ্যমের রিপোর্ট হোক সত্যাশ্রয়ী ও বস্তুনিষ্ঠ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশ কখনোই গণমাধ্যমের কাছে এ ধরনের অপেশাদারি সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে না। আমরা চাই, সমাজের সবার ন্যায়সংগত অধিকার সুনিশ্চিত হোক, সমাজ থেকে বঞ্চনা দূর হোক, মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত হোক। আমাদের প্রাণপ্রিয় স্বদেশ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে মর্যাদায় আলোকিত প্রাঙ্গণে উপনীত হোক।

জননিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো করা হয়। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী সম্পর্কে কোনো ধরনের রিপোর্ট প্রকাশের ক্ষেত্রে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন ও সাংবাদিকতার নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণের জন্যও সনির্বন্ধ অনুরোধ জানানো হয়।

সম্প্রতি পুলিশের একাধিক সাবেক কর্মকর্তার সম্পদের বিষয়ে গণমাধ্যমে আসা খবর নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অ্যাসোসিয়েশনের এক সভায় অংশ নেওয়া অনেকে এই ক্ষোভের কথা জানান। তাঁদের কেউ কেউ এ ধরনের খবর প্রকাশে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তোলেন।

সভায় অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে আলোচনার সারসংক্ষেপ জানা যায়, বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের এই সভা গতকাল বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শুরু হয়। চলে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। সভায় ২০ জনের বেশি পুলিশ কর্মকর্তা আলোচনায় অংশ নেন। ঢাকার বাইরের পুলিশ কর্মকর্তাদের কেউ কেউ অনলাইনে সভায় যুক্ত হন।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
সেহরির শেষ সময় - ভোর ৩:৪৯
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:৫৩
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫৪
  • ১২:০৭
  • ৪:৪৩
  • ৬:৫৩
  • ৮:১৮
  • ৫:১৮