ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo যেসব দেশে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার পরও কার্যকর হয়নি Logo শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী Logo জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় রদবদল Logo মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি Logo একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন জামায়াত আমীর Logo ভারতীয় স্পাইসজেটকে আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিলো বাংলাদেশ Logo ঝটিকা মিছিল চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৮ কর্মী আটক Logo ইউনূস সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিতর্ক কেন? Logo প্রথম আলোয় হামলা: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা-ফাওজুল কবীর Logo বিএনপি’র প্রতি আমার অভিমান শুরু হতে চলেছে-রব রাজা

প্রেমিকের ঘরে গিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে গৃহবধূর আত্মহত্যা

News Editor
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০
  • / ১১১৮ বার পড়া হয়েছে

প্রেমিকের ঘরে গিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে গৃহবধূর আত্মহত্যা।

করিমগঞ্জে পরকীয়া প্রেমের ঘটনায় প্রেমিকের স্ত্রীর সাথে চুলোচুলির জেরে প্রেমিকের ঘরে গিয়ে ফ্যানে ঝুলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মিনা আক্তার (৩৫) নামে তিন সন্তানের এক জননী।শনিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার গুনধর ইউনিয়নের গুনধর বাজার এলাকার কদিমমাইজহাটি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

নিহত মিনা আক্তার মদন গ্রামের রাজ মিস্ত্রি রবিন মিয়ার স্ত্রী এবং কদিমমাইজহাটি গ্রামের ফজলুর রহমানের মেয়ে। তিনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দৈনিক হাজিরা ভিত্তিতে (মাস্টার রুলে) ঝাড়ুদারের কাজ করতেন।স্থানীয়রা জানান, কথিত ‘উকিল বেয়াই’এর সাথে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের জেরে ঝগড়ার সূত্র ধরে এআত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।খবর পেয়ে সন্ধ্যার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মিনার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে,২০বছর আগে প্রেম করে মিনার বিয়ে হয়েছিল তার ফুফাতো ভাই রবিনের সাথে।স্বামীকে নিয়ে তিনি গুনধর বাজার সংলগ্ন কদিমমাইজহাটি গ্রামে তার বাবার বাড়িতে থাকতেন।তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। তার বড় মেয়ের বিয়ে হয়েছে এক বছর আগে। বিয়ে দেয়া হয় পার্শ্ববর্তী মদন গ্রামে।

মিনার বাড়ির পাশের অটোরিকশার গ্যারেজের মালিক মদন গ্রামের মো. আরসালান মিয়ার ছেলে তিন সন্তানের জনক আমির হোসেনের (৩৬)পরিচয়ে এই বিয়ে দেয়া হয়।বিয়েতে মেয়ের ‘উকিল শ্বশুর’ বানানো হয় আমির হোসেনকেই। এ সুবাদে উকিল বেয়াই’ আমির হোসেনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে মিনার।প্রেমের সম্পর্ক ঘনত্বের দিকে গেলে আমির হোসেন মদন গ্রাম ছেড়ে মিনার বাড়ির পাশে বাজার সংলগ্ন আলম গীর হোসেনের বাড়ির দুটি কক্ষ পরিবার নিয়ে বসবাসের জন্য ভাড়া নেয়।

এবার পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় বেয়াই বিয়াইনের পরকীয়া প্রেমের রসায়ন জমে গেলে বিষয়টি আমির হোসেনের স্ত্রী শিল্পী আক্তার (২৫) টের পেয়ে যায়।এলাকাবাসীও বিষয়টি জেনে যায়।পরিস্থিতিতে ঘটনার দিন শনিবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ১১টায় মিনা আকতার আমির হোসেনের বাড়া বাড়ির সামনে দিয়ে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করতে বাজারের দোকানে যাচ্ছিলেন।এ সময় আমির হোসেনের স্ত্রী শিল্পী আক্তারের সামনে পড়ে যান তিনি। শিল্পী আক্তার তাকে দেখে মুখে ভেংচি কাটে এবং অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করতে থাকে।

এ নিয়ে মিনা ও শিল্পীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে চুলোচুলির ঘটনা ঘটে।এ সময় মিনা আক্তার শিল্পীর বুকে কামড় ও বসান।শিল্পীও তাকে মাটিতে ফেলে মারধর করে।পরে পাড়ার মহিলারা এসে দুজনকেই নিবৃত্ত করে।ঝগড়ার পরশিল্পী আক্তার চিকিৎসা এবং বিচার দেয়ার জন্য ভাড়া বাড়িতে তালা লাগিয়ে ছেলে মেয়েদের নিয়ে স্বামীর পৈত্রিক বাড়ি মদন গ্রামে চলে যায়।এ সুযোগে মিনা আক্তার শিল্পীর বসতঘরে ঢুকে ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।দুপুর তিনটার দিকে আমির হোসেনের মেয়ে আফরিন (১০) বাড়িতে এসে দেখে তাদের ঘরে ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে মিনার লাশ।পরে এলাকাবাসী খবর পেয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানায়।

সন্ধ্যার পর পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা মিনার লাশ উদ্ধার করে করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। এ ব্যাপারে পরবর্তি আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

 

 

ভারত সন্ত্রাসী হামলায় মদদ দিচ্ছে: পাকিস্তান

প্রেমিকের ঘরে গিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে গৃহবধূর আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০২:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০

প্রেমিকের ঘরে গিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে গৃহবধূর আত্মহত্যা।

করিমগঞ্জে পরকীয়া প্রেমের ঘটনায় প্রেমিকের স্ত্রীর সাথে চুলোচুলির জেরে প্রেমিকের ঘরে গিয়ে ফ্যানে ঝুলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মিনা আক্তার (৩৫) নামে তিন সন্তানের এক জননী।শনিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার গুনধর ইউনিয়নের গুনধর বাজার এলাকার কদিমমাইজহাটি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

নিহত মিনা আক্তার মদন গ্রামের রাজ মিস্ত্রি রবিন মিয়ার স্ত্রী এবং কদিমমাইজহাটি গ্রামের ফজলুর রহমানের মেয়ে। তিনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দৈনিক হাজিরা ভিত্তিতে (মাস্টার রুলে) ঝাড়ুদারের কাজ করতেন।স্থানীয়রা জানান, কথিত ‘উকিল বেয়াই’এর সাথে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের জেরে ঝগড়ার সূত্র ধরে এআত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।খবর পেয়ে সন্ধ্যার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মিনার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে,২০বছর আগে প্রেম করে মিনার বিয়ে হয়েছিল তার ফুফাতো ভাই রবিনের সাথে।স্বামীকে নিয়ে তিনি গুনধর বাজার সংলগ্ন কদিমমাইজহাটি গ্রামে তার বাবার বাড়িতে থাকতেন।তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। তার বড় মেয়ের বিয়ে হয়েছে এক বছর আগে। বিয়ে দেয়া হয় পার্শ্ববর্তী মদন গ্রামে।

মিনার বাড়ির পাশের অটোরিকশার গ্যারেজের মালিক মদন গ্রামের মো. আরসালান মিয়ার ছেলে তিন সন্তানের জনক আমির হোসেনের (৩৬)পরিচয়ে এই বিয়ে দেয়া হয়।বিয়েতে মেয়ের ‘উকিল শ্বশুর’ বানানো হয় আমির হোসেনকেই। এ সুবাদে উকিল বেয়াই’ আমির হোসেনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে মিনার।প্রেমের সম্পর্ক ঘনত্বের দিকে গেলে আমির হোসেন মদন গ্রাম ছেড়ে মিনার বাড়ির পাশে বাজার সংলগ্ন আলম গীর হোসেনের বাড়ির দুটি কক্ষ পরিবার নিয়ে বসবাসের জন্য ভাড়া নেয়।

এবার পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় বেয়াই বিয়াইনের পরকীয়া প্রেমের রসায়ন জমে গেলে বিষয়টি আমির হোসেনের স্ত্রী শিল্পী আক্তার (২৫) টের পেয়ে যায়।এলাকাবাসীও বিষয়টি জেনে যায়।পরিস্থিতিতে ঘটনার দিন শনিবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ১১টায় মিনা আকতার আমির হোসেনের বাড়া বাড়ির সামনে দিয়ে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করতে বাজারের দোকানে যাচ্ছিলেন।এ সময় আমির হোসেনের স্ত্রী শিল্পী আক্তারের সামনে পড়ে যান তিনি। শিল্পী আক্তার তাকে দেখে মুখে ভেংচি কাটে এবং অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করতে থাকে।

এ নিয়ে মিনা ও শিল্পীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে চুলোচুলির ঘটনা ঘটে।এ সময় মিনা আক্তার শিল্পীর বুকে কামড় ও বসান।শিল্পীও তাকে মাটিতে ফেলে মারধর করে।পরে পাড়ার মহিলারা এসে দুজনকেই নিবৃত্ত করে।ঝগড়ার পরশিল্পী আক্তার চিকিৎসা এবং বিচার দেয়ার জন্য ভাড়া বাড়িতে তালা লাগিয়ে ছেলে মেয়েদের নিয়ে স্বামীর পৈত্রিক বাড়ি মদন গ্রামে চলে যায়।এ সুযোগে মিনা আক্তার শিল্পীর বসতঘরে ঢুকে ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।দুপুর তিনটার দিকে আমির হোসেনের মেয়ে আফরিন (১০) বাড়িতে এসে দেখে তাদের ঘরে ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে মিনার লাশ।পরে এলাকাবাসী খবর পেয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানায়।

সন্ধ্যার পর পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা মিনার লাশ উদ্ধার করে করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। এ ব্যাপারে পরবর্তি আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

 

 

ভারত সন্ত্রাসী হামলায় মদদ দিচ্ছে: পাকিস্তান