ঢাকা ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফ্লেক্সিলোড দেবার কথা বলে প্রেমিক পলায়ন,২ দিন পর আটক

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুন ২০২১
  • / ১০৮৮ বার পড়া হয়েছে

ফ্লেক্সিলোড দেবার কথা বলে প্রেমিক পলায়ন,২ দিন পর আটক

আলমডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমানোর ১০ দিনপর নাটকীয়তা। ফোনে ফ্লেক্সিলোড করার কথা বলে প্রেমিকাকে রেখে পালানোর ২ দিন পর প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ। আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ গতকাল শুক্রবার থানা গাংনী থেকে প্রেমিক মানিককে আটক করেছে ।

জানাগেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী ইউনিয়নের শালিখা গ্রামের জিনারুল ইসলামের ৯ম স্কুলপড়ুয়া মেয়ের সাথে মোচাইনগর গ্রামের আরেফিনের সাথে গত ১ বছর পূর্বে পারিবারিক বিবাহ হয়।

বিবাহের পরে ওই গৃহবধুর মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে মানিক। মোবাইলে কথোপকথনের মাধ্যমে এক পর্যায়ে গড়ে ওঠে পরকীয়া প্রেম। পরকীয়া প্রেমের সূত্র ধরে গত ২২ শে মে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায় প্রেমিক জুটি।

এই ঘটনায় মেয়ের পিতা জিনারুল ইসলাম বাদি হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মেয়েকে উদ্ধারে তৎপর হয়ে উঠলে প্রেমিক মানিক শুরু করে নাটকীয়তা।

তারা গত ১০ দিন যাবৎ ডিঙ্গেদহে অবস্থান করছিলো। পুলিশের তৎপরতায় ২ জুন ওই গৃহবধুকে সাথে নিয়ে থানা গাংনী পালিয়ে যাবার কথা বলে চুয়াডাঙ্গার ভালাইপুর মোড়ে পৌঁছায়। গৃহবধুকে তার মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড করে দেবার কথা বলে ওই স্থান থেকে পালিয়ে যায় প্রেমিক মানিক।

গৃহবধুকে ফেলে যাওয়ার পর গৃহবধু তার পিতার বাড়িতে ফিরে আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও অপহরণ মামলা দায়ের করে। মামলায় আইটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে গাংনী থানা এলাকা থেকে প্রেমিক মানিককে আটক করে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ।

[irp]

ট্যাগস :

ফ্লেক্সিলোড দেবার কথা বলে প্রেমিক পলায়ন,২ দিন পর আটক

আপডেট সময় : ০১:৫১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুন ২০২১

ফ্লেক্সিলোড দেবার কথা বলে প্রেমিক পলায়ন,২ দিন পর আটক

আলমডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমানোর ১০ দিনপর নাটকীয়তা। ফোনে ফ্লেক্সিলোড করার কথা বলে প্রেমিকাকে রেখে পালানোর ২ দিন পর প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ। আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ গতকাল শুক্রবার থানা গাংনী থেকে প্রেমিক মানিককে আটক করেছে ।

জানাগেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী ইউনিয়নের শালিখা গ্রামের জিনারুল ইসলামের ৯ম স্কুলপড়ুয়া মেয়ের সাথে মোচাইনগর গ্রামের আরেফিনের সাথে গত ১ বছর পূর্বে পারিবারিক বিবাহ হয়।

বিবাহের পরে ওই গৃহবধুর মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে মানিক। মোবাইলে কথোপকথনের মাধ্যমে এক পর্যায়ে গড়ে ওঠে পরকীয়া প্রেম। পরকীয়া প্রেমের সূত্র ধরে গত ২২ শে মে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায় প্রেমিক জুটি।

এই ঘটনায় মেয়ের পিতা জিনারুল ইসলাম বাদি হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মেয়েকে উদ্ধারে তৎপর হয়ে উঠলে প্রেমিক মানিক শুরু করে নাটকীয়তা।

তারা গত ১০ দিন যাবৎ ডিঙ্গেদহে অবস্থান করছিলো। পুলিশের তৎপরতায় ২ জুন ওই গৃহবধুকে সাথে নিয়ে থানা গাংনী পালিয়ে যাবার কথা বলে চুয়াডাঙ্গার ভালাইপুর মোড়ে পৌঁছায়। গৃহবধুকে তার মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড করে দেবার কথা বলে ওই স্থান থেকে পালিয়ে যায় প্রেমিক মানিক।

গৃহবধুকে ফেলে যাওয়ার পর গৃহবধু তার পিতার বাড়িতে ফিরে আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও অপহরণ মামলা দায়ের করে। মামলায় আইটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে গাংনী থানা এলাকা থেকে প্রেমিক মানিককে আটক করে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ।

[irp]