ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে আর কখনো জঙ্গিবাদের উত্থান হবে না: র‌্যাব ডিজি

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪
  • / ১০৪৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে আর কখনোই জঙ্গিবাদের উত্থান হবে না বলে মন্তব্য করেছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ।

সোমবার (১ জুলাই) সকালে র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুরাতন গুলশান থানার ‘দীপ্ত শপথ’ ভাস্কর্যে হলি আর্টিজানে নিহতদের ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।

জঙ্গিবাদ নির্মূলে র‌্যাবের সফলতার কথা বলতে গিয়ে এলিট ফোর্সটির মহাপরিচালক বলেন, ‘একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে সব ধরনের সক্ষমতা রয়েছে র‌্যাবের। নিয়ন্ত্রণে রয়েছে জঙ্গিবাদ। সাইবার স্পেসে নজরদারি অব্যাহত আছে।’

আট বছর আগে ২০১৬ সালে রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিন নব্য জেএমবির পাঁচ জঙ্গি বেকারিতে ঢুকে প্রথমে নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ১৮ জন বিদেশি নাগরিকসহ ২২ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

তাদের মধ্যে নয়জন ইতালির, সাতজন জাপানের, একজন ভারতীয় এবং তিনজন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। তিনজন বাংলাদেশির মধ্যে একজনের দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল। তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে দুইজন সিনিয়র পুলিশ সদস্য নিহত হন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মিলে দেশি-বিদেশি মোট ৩২ জন নাগরিককে উদ্ধার করে।

ট্যাগস :

বাংলাদেশে আর কখনো জঙ্গিবাদের উত্থান হবে না: র‌্যাব ডিজি

আপডেট সময় : ১১:৩৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

বাংলাদেশে আর কখনোই জঙ্গিবাদের উত্থান হবে না বলে মন্তব্য করেছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ।

সোমবার (১ জুলাই) সকালে র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুরাতন গুলশান থানার ‘দীপ্ত শপথ’ ভাস্কর্যে হলি আর্টিজানে নিহতদের ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর পর এমন মন্তব্য করেন তিনি।

জঙ্গিবাদ নির্মূলে র‌্যাবের সফলতার কথা বলতে গিয়ে এলিট ফোর্সটির মহাপরিচালক বলেন, ‘একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে সব ধরনের সক্ষমতা রয়েছে র‌্যাবের। নিয়ন্ত্রণে রয়েছে জঙ্গিবাদ। সাইবার স্পেসে নজরদারি অব্যাহত আছে।’

আট বছর আগে ২০১৬ সালে রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিন নব্য জেএমবির পাঁচ জঙ্গি বেকারিতে ঢুকে প্রথমে নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ১৮ জন বিদেশি নাগরিকসহ ২২ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

তাদের মধ্যে নয়জন ইতালির, সাতজন জাপানের, একজন ভারতীয় এবং তিনজন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। তিনজন বাংলাদেশির মধ্যে একজনের দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল। তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে দুইজন সিনিয়র পুলিশ সদস্য নিহত হন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মিলে দেশি-বিদেশি মোট ৩২ জন নাগরিককে উদ্ধার করে।