DoinikAstha Epaper Version
ঢাকাবৃহস্পতিবার ১৮ই জুলাই ২০২৪
ঢাকাবৃহস্পতিবার ১৮ই জুলাই ২০২৪

আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাগেরহাটে ছেলে ও ছেলের বৌ কর্তৃক মাকে মারধর

News Editor
অক্টোবর ১৮, ২০২০ ১০:২০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি: বাগেরহাটের ফকিরহাটে সদর ইউনিয়নের পাগলা শ্যামনগর এলাকায় বাগেরহাটে ছেলে ও ছেলের বৌ কর্তৃক মাকে মারধর জানা যায়, পাগলা শ্যামনগর এলাকার শেখ আক্কাস আলীর ছেলে শেখ ওমর ফারুক (৪৮) ও তার স্ত্রী সোনিয়া (৩৫) তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিজ মা জোহরা খাতুন (৬৬) কে মারধর ও অত্যাচার করে। পরে স্থানীয় লোকজন ঐ বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে।

তার মেয়ে নিলুফার ইয়াসমিন জানান,তার মা এবং বাবাকে ওমর ফারুক কোন সহযোগিতা করেনা।চাচার দেওয়া জমিতে মা এবং বাবা দুজনে থাকে এবং সেখানকার নারিকেল ও সুপারি বিক্রি করে কোনভাবে দিন চলে। আর এই নারিকেল ও সুপারি নিয়ে প্রায়শই মাকে নির্যাতন করে ছেলে ওমর ফারুক।আজও নারিকেল দেওয়াকে কেন্দ্র করে নিজ মাকে মারধর করে।এবং এক পর্যায়ে দা দিয়ে কোপাতেও যায়।সেই সাথে ওমর ফারুকের স্ত্রীও মারধর করে।

আ. লীগ নামধারী রাজাকারের নাতী মেয়র রোকন বরখাস্ত

ওমর ফারুকের ছেলে নাহিদুল ইসলাম বাপ্পি বলেন,আমার মা মারা যায় চলতি বছরের ৯ রমজানে। তার ৭দিন পর আমার বাবা নতুন বিয়ে করে আনে আমি বাধা দিলে আমাকে নানা সময় হুমকি প্রদান করে।আর আমার দাদীকে প্রায় সময় সামান্য বিষয় নিয়ে মারধর করে। এ রিপোর্ট লেখা অবদি ফকিরহাট মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকার জেলেদের জীবন জীবিকার গল্প:

বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকার জেলেদের জীবন জীবিকার গল্প ।বৃটিশ আমল থেকে সমুদ্রগামী শুটকী পল্লী জেলেরা জীবনের ঝুকি মাথায় নিয়ে মৎস্য আহরণ করলেও নানা প্রতিকুলতায় ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে পারেনি। বরং দিন দিন তাদের অবস্থার অবনতি ঘটেছে। ক্রমবর্ধমান ক্ষতির মুখে ইতিমধ্যে পুজি ও জাল নৌকা হারিয়ে অনেকেই পেশা হারিয়েছেন। আবার অনেকে চড়া হারে মহাজনদের সুদের মাশুল গুনে এ পেশায় টিকে থাকার জন্য কঠোর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, বৃটিশ আমল থেকে চলে আশা শুটকী পল্লীর কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে মগ বা সন্দীপ ও চট্টগ্রামের উপকূলীয় জেলেরা সুন্দরবনের চরে অস্থায়ী বাসা তৈরী করে মৎস্য আহরণ করত।

আশির দশক থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা ও পটুয়াখালীর জেলেরা সুন্দরবন এলাকায় শুটকীর জন্য বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকায় মৎস্য আহরণ শুরু করেন। সেই থেকে নানান প্রতিকুলতার মধ্য থেকে জেলেরা মৎস্য আহরণ করে আসছে। জেলেরা ডাঙ্গায় বাঘ, জলে কুমির-হাঙ্গর, বনদস্যু-জলদস্যুর উৎপাত ও বনরক্ষীদের হয়রানীর মধ্যেও তাদের পেশা
টিকিয়ে রেখেছে।

এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৭ হাজার ৩২৫ জন শুটকী পল্লীর জেলের কাছ থেকে ২ কোটি ৪৬ লক্ষ ৬৭ হাজার ৮১৯ টাকা ও ২০১৯-২০ সালে অর্থবছরে ৭ হাজার ৭৮৭ জন শুটকী পল্লীর জেলের কাছ থেকে ২ কোটি ৭৩ লক্ষ ৯৮ হাজার ০৪৮ টাকা সরকারীভাবে রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। যা বিগত বছরের তুলনায় বেড়ে ২৭ লক্ষ টাকারও বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে।

সরকার ও বন বিভাগের বাস্তবমূখী পদক্ষেপ গ্রহন করা, সুন্দরবনের দস্যু মুক্ত করায় ও বনবিভাগের অসাধু সদস্যদের হয়রানী বন্ধ হওয়ায় এবং নজরদারী বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরবন ও উপকূলীয় শুটকী পল্লী থেকে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বাগেরহাট জেলার রামপাল, মোংলা, শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক জেলে বহরদার সহ সাতক্ষীরা, খুলনা ও পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ও কয়েকশত জেলে সাধারণত সুন্দরবন থেকে মৎস্য আহরণ করে থাকেন।

প্রতি জেলে বহরদার সুদে মহাজনদের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋন নিয়ে থাকেন। এতে ৫০০ শত জেলে বহরদারের বিপরীতে সুদে মহাজনদের কাছ থেকে অবৈধ পন্থায় ৫০ কোটি টাকার ও বেশি ঋন নিতে হয়। ওই ঋনের বিপরীতে জেলেদের লাখে সুদ গুনতে হয় ২৫-৩৫ হাজার টাকা। অথচ তফশীল ব্যাংকগুলো থেকে জেলেদের সহজ শর্তে ঋন প্রদান করা হলে তাদের অনেক সাশ্রয় হয় বলে তারা জানান।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
সেহরির শেষ সময় - ভোর ৩:৫২
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:৫৩
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫৭
  • ১২:০৮
  • ৪:৪৩
  • ৬:৫৩
  • ৮:১৭
  • ৫:১৯